অতিরিক্ত দামে পেট্রোল বিক্রির অপরাধে জরিমানা
গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার ভরতখালী হাটে অতিরিক্ত মূল্যে জ্বালানি তেল বিক্রির অভিযোগে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
রোববার (২৯ মার্চ) দুপুরে উপজেলার ভরতখালী হাটে অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আশরাফুল কবীর।
স্থানীয় ও উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে প্রশাসনের নজর এড়িয়ে মেসার্স আবুল কালাম আজাদ ট্রেডার্সে অতিরিক্ত দামে জ্বালানি বিক্রি করা হচ্ছে। ১ লিটার পেট্রোল ১১৬ দামের পরিবর্তে ১৭০ টাকা বিক্রি করা হচ্ছে।
খবর পেয়ে রোববার নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আশরাফুল কবীরের নেতৃত্বে অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে মেসার্স আবুল কালাম আজাদ ট্রেডার্স থেকে ১২০০ লিটার পেট্রোল জব্দ করা হয়। অতিরিক্ত মূল্যে জ্বালানি তেল বিক্রির অভিযোগে প্রতিষ্ঠানের মালিক আবুল কালাম আহাদ (অলক)কে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আশরাফুল কবীর বলেন, ওই প্রতিষ্ঠানে লিটার প্রতি পেট্রোল ১৭০ বিক্রির তথ্য পাওয়া যায়। অভিযানে সত্যতা পাওয়া গেলে ব্যবস্থা নেওয়া হয়। জব্দকৃত পেট্রোল সরকার নির্ধারিত মূল্যে বিক্রির জন্য সংশ্লিষ্ট থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মক
গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার ভরতখালী হাটে অতিরিক্ত মূল্যে জ্বালানি তেল বিক্রির অভিযোগে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
রোববার (২৯ মার্চ) দুপুরে উপজেলার ভরতখালী হাটে অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আশরাফুল কবীর।
স্থানীয় ও উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে প্রশাসনের নজর এড়িয়ে মেসার্স আবুল কালাম আজাদ ট্রেডার্সে অতিরিক্ত দামে জ্বালানি বিক্রি করা হচ্ছে। ১ লিটার পেট্রোল ১১৬ দামের পরিবর্তে ১৭০ টাকা বিক্রি করা হচ্ছে।
খবর পেয়ে রোববার নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আশরাফুল কবীরের নেতৃত্বে অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে মেসার্স আবুল কালাম আজাদ ট্রেডার্স থেকে ১২০০ লিটার পেট্রোল জব্দ করা হয়। অতিরিক্ত মূল্যে জ্বালানি তেল বিক্রির অভিযোগে প্রতিষ্ঠানের মালিক আবুল কালাম আহাদ (অলক)কে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আশরাফুল কবীর বলেন, ওই প্রতিষ্ঠানে লিটার প্রতি পেট্রোল ১৭০ বিক্রির তথ্য পাওয়া যায়। অভিযানে সত্যতা পাওয়া গেলে ব্যবস্থা নেওয়া হয়। জব্দকৃত পেট্রোল সরকার নির্ধারিত মূল্যে বিক্রির জন্য সংশ্লিষ্ট থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ও কৃষি কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বিক্রিত অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।