অত্যাচার সহ্য করে গণতন্ত্রের জন্য লড়েছেন খালেদা জিয়া
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া বাংলাদেশের গণতন্ত্রকে এগিয়ে নিতে অনবরত সংগ্রাম করেছেন এবং ব্যক্তিগত কষ্ট ও ত্যাগ স্বীকার করেছেন বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। শুক্রবার (২ জানুয়ারি) বাদ জুমার পর রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন। মির্জা আব্বাসের নেতৃত্বে মহানগরের বিভিন্ন স্থান থেকে আগত নেতাকর্মীরা খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া-মোনাজাতে অংশ নেন। এ সময় অনেককে আবেগাপ্লুত দেখা যায়। মির্জা আব্বাস বলেন, ম্যাডামের জন্য দোয়া করতে এসেছি। আল্লাহ তাআলা উনাকে বেহেস্ত নসিব করুন। এটা দুঃখজনক যে, সব স্বাভাবিক মৃত্যু মেনে নেওয়া যায়, কিন্তু খালেদা জিয়ার এই মৃত্যু মেনে নেওয়া খুবই কষ্টকর। কারণ তাকে দীর্ঘদিন নির্যাতন করা হয়েছিল, চিকিৎসা বঞ্চিত রাখা হয়েছিল এবং এমন পরিস্থিতিতে রাখা হয়েছিল যেন তিনি বাঁচতে না পারেন। তিনি আরও বলেন, এই যন্ত্রণার মধ্যেও তিনি দেশের মানুষের জন্য সব কিছু সহ্য করেছিলেন। উনারই ত্যাগে ও আন্দোলনে আজকে বাংলাদেশ গণতন্ত্রের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়েছে। শুধু দুঃখের বিষয়,
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া বাংলাদেশের গণতন্ত্রকে এগিয়ে নিতে অনবরত সংগ্রাম করেছেন এবং ব্যক্তিগত কষ্ট ও ত্যাগ স্বীকার করেছেন বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস।
শুক্রবার (২ জানুয়ারি) বাদ জুমার পর রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
মির্জা আব্বাসের নেতৃত্বে মহানগরের বিভিন্ন স্থান থেকে আগত নেতাকর্মীরা খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া-মোনাজাতে অংশ নেন। এ সময় অনেককে আবেগাপ্লুত দেখা যায়।
মির্জা আব্বাস বলেন, ম্যাডামের জন্য দোয়া করতে এসেছি। আল্লাহ তাআলা উনাকে বেহেস্ত নসিব করুন। এটা দুঃখজনক যে, সব স্বাভাবিক মৃত্যু মেনে নেওয়া যায়, কিন্তু খালেদা জিয়ার এই মৃত্যু মেনে নেওয়া খুবই কষ্টকর। কারণ তাকে দীর্ঘদিন নির্যাতন করা হয়েছিল, চিকিৎসা বঞ্চিত রাখা হয়েছিল এবং এমন পরিস্থিতিতে রাখা হয়েছিল যেন তিনি বাঁচতে না পারেন।
তিনি আরও বলেন, এই যন্ত্রণার মধ্যেও তিনি দেশের মানুষের জন্য সব কিছু সহ্য করেছিলেন। উনারই ত্যাগে ও আন্দোলনে আজকে বাংলাদেশ গণতন্ত্রের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়েছে। শুধু দুঃখের বিষয়, উনি এই গণতন্ত্রের সুফল দেখতে পারেননি।
চিকিৎসার কারণে চল্লিশ দিন হাসপাতালে থাকার পর ৩০ ডিসেম্বর ভোরে দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মৃত্যু হয়। পরদিন জাতীয় সংসদের সামনে জনসমুদ্রের মধ্যে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর তাকে জিয়া উদ্যানে স্বামী জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন করা হয়।
খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে রাষ্ট্রীয়ভাবে তিনদিনের শোক পালিত হচ্ছে। শেষদিন শুক্রবার বাদ জুমা দেশের সব মসজিদে বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। অন্যান্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানেও তার আত্মার শান্তির জন্য বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন করা হয়।
দলের পক্ষ থেকে সাতদিনের শোক পালিত হচ্ছে। নেতাকর্মীরা কালো ব্যাজ ধারণের পাশাপাশি দলীয় কার্যালয়গুলোতে পতাকা অর্ধনমিত এবং কালো পতাকা উত্তোলন করেছেন। এছাড়া, গুলশানে আজাদ মসজিদে বাদ আসর দলের পক্ষ থেকে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
কেএইচ/জেএইচ/এএসএম
What's Your Reaction?