অনুমতি দেয়নি প্রশাসন, শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে অনড় সিজেপি  

ভারতের রাজধানী দিল্লির যন্তর মন্তরে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি) আয়োজিত বিক্ষোভ কর্মসূচির মেয়াদ বাড়ানোর অনুমতি দেয়নি দিল্লি পুলিশ। তবে সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে জানিয়েছেন, শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ না হওয়া পর্যন্ত তিনি আন্দোলনস্থল ছাড়বেন না।  শনিবার (২০ জুন) দ্বিতীয় দফার কর্মসূচিকে ঘিরে যন্তর মন্তর ও আশপাশের এলাকায় কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করে পুলিশ। বিভিন্ন স্থানে ব্যারিকেড বসানো হয় এবং রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশ ও প্রস্থান পথগুলোতে যানবাহন তল্লাশি চালানো হয়। খবর দ্য সানডে গার্ডিয়ানের।  পুলিশের পক্ষ থেকে বিক্ষোভকারীদের নির্ধারিত স্থান খালি করার নির্দেশ দেওয়া হলেও আন্দোলনকারীরা তাদের দাবি আদায়ে অনড় অবস্থান নিয়েছেন। পুলিশের সিদ্ধান্ত ঘোষণার আগে অভিজিৎ দিপকে সমর্থকদের যন্তর মন্তরে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানান। তিনি আশা প্রকাশ করেছিলেন যে কর্তৃপক্ষ কর্মসূচির সময় বাড়ানোর অনুমতি দেবে। দিপকে বলেন, ‘দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে তরুণরা ন্যায়বিচারের আশায় এখানে এসেছে। আমরা শান্তিপূর্ণভাবে অবস্থান করছি এবং আমাদের দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যেতে চাই।’ তিন

অনুমতি দেয়নি প্রশাসন, শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে অনড় সিজেপি  
ভারতের রাজধানী দিল্লির যন্তর মন্তরে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি) আয়োজিত বিক্ষোভ কর্মসূচির মেয়াদ বাড়ানোর অনুমতি দেয়নি দিল্লি পুলিশ। তবে সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে জানিয়েছেন, শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ না হওয়া পর্যন্ত তিনি আন্দোলনস্থল ছাড়বেন না।  শনিবার (২০ জুন) দ্বিতীয় দফার কর্মসূচিকে ঘিরে যন্তর মন্তর ও আশপাশের এলাকায় কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করে পুলিশ। বিভিন্ন স্থানে ব্যারিকেড বসানো হয় এবং রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশ ও প্রস্থান পথগুলোতে যানবাহন তল্লাশি চালানো হয়। খবর দ্য সানডে গার্ডিয়ানের।  পুলিশের পক্ষ থেকে বিক্ষোভকারীদের নির্ধারিত স্থান খালি করার নির্দেশ দেওয়া হলেও আন্দোলনকারীরা তাদের দাবি আদায়ে অনড় অবস্থান নিয়েছেন। পুলিশের সিদ্ধান্ত ঘোষণার আগে অভিজিৎ দিপকে সমর্থকদের যন্তর মন্তরে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানান। তিনি আশা প্রকাশ করেছিলেন যে কর্তৃপক্ষ কর্মসূচির সময় বাড়ানোর অনুমতি দেবে। দিপকে বলেন, ‘দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে তরুণরা ন্যায়বিচারের আশায় এখানে এসেছে। আমরা শান্তিপূর্ণভাবে অবস্থান করছি এবং আমাদের দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যেতে চাই।’ তিনি আরও বলেন, সরকারের সঙ্গে আলোচনার পথ খোলা রয়েছে, তবে ‘একমাত্র শর্ত হলো শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে পদত্যাগ করতে হবে।’ আন্দোলনের অংশ হিসেবে সমর্থকদের ‘থালা ও চামচ’ নিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়েছিল। বিক্ষোভকারীরা থালা-চামচ বাজিয়ে স্লোগান দেন এবং শিক্ষা ব্যবস্থায় জবাবদিহিতা ও সংস্কারের দাবি জানান। অনুমতি না বাড়ানো হলেও আন্দোলনকারীরা জানিয়েছেন, শিক্ষার্থী ও চাকরিপ্রার্থীদের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট দাবিগুলো বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত তারা আন্দোলন চালিয়ে যাবেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow