অন্যদের থাকলে ইরানের কাছে ক্ষেপণাস্ত্র থাকা ঠিক আছে: ট্রাম্প

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, বিশ্বের অন্য দেশগুলোর কাছে যদি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র থাকে, তাহলে ইরানের কাছে কিছু ক্ষেপণাস্ত্র থাকা অন্যায় হবে না। বুধবার (১৭ জুন) ফ্রান্সের প্যারিসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন। ট্রাম্প বলেন, আমি বলছি, যদি অন্য দেশগুলোর কাছে এগুলো থাকে, তাহলে ইরানের কাছে কিছু ক্ষেপণাস্ত্র থাকা থেকে তাদের বঞ্চিত করা কিছুটা অন্যায্য হবে। তিনি আরও বলেন, যদি সৌদি আরব, কাতার ও অন্য দেশগুলোর কাছে ক্ষেপণাস্ত্র থাকে, তাহলে তুলনামূলক ভারসাম্যের দৃষ্টিকোণ থেকে ইরানের কাছেও কিছু থাকা ঠিক আছে বলে আমি মনে করি। ইরানের সঙ্গে প্রায় চার মাসের সংঘাত অবসানের লক্ষ্যে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে চুক্তি হওয়ার পরও যুক্তরাষ্ট্র উপসাগরীয় অঞ্চলে সামরিক উপস্থিতি কিছু সময় বজায় রাখবে বলেও জানান ট্রাম্প। তার ভাষায়, আমরা আরও কিছু সময় উপসাগরীয় অঞ্চলে আমাদের সামরিক বাহিনী রাখবো। ‘ক্ষেপণাস্ত্র নয়, আসল সমস্যা পারমাণবিক অস্ত্র’ ট্রাম্প বলেন, ক্ষেপণাস্ত্রই মূল সমস্যা নয়। ক্ষেপণাস্ত্র কোনো ছোট জায়গায় আঘাত করতে পারে, কিন্তু পারমাণবিক অস্ত্রের মতো পুরো পৃথিবী ধ্বংস করতে পারে না

অন্যদের থাকলে ইরানের কাছে ক্ষেপণাস্ত্র থাকা ঠিক আছে: ট্রাম্প

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, বিশ্বের অন্য দেশগুলোর কাছে যদি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র থাকে, তাহলে ইরানের কাছে কিছু ক্ষেপণাস্ত্র থাকা অন্যায় হবে না। বুধবার (১৭ জুন) ফ্রান্সের প্যারিসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।

ট্রাম্প বলেন, আমি বলছি, যদি অন্য দেশগুলোর কাছে এগুলো থাকে, তাহলে ইরানের কাছে কিছু ক্ষেপণাস্ত্র থাকা থেকে তাদের বঞ্চিত করা কিছুটা অন্যায্য হবে।

তিনি আরও বলেন, যদি সৌদি আরব, কাতার ও অন্য দেশগুলোর কাছে ক্ষেপণাস্ত্র থাকে, তাহলে তুলনামূলক ভারসাম্যের দৃষ্টিকোণ থেকে ইরানের কাছেও কিছু থাকা ঠিক আছে বলে আমি মনে করি।

ইরানের সঙ্গে প্রায় চার মাসের সংঘাত অবসানের লক্ষ্যে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে চুক্তি হওয়ার পরও যুক্তরাষ্ট্র উপসাগরীয় অঞ্চলে সামরিক উপস্থিতি কিছু সময় বজায় রাখবে বলেও জানান ট্রাম্প। তার ভাষায়, আমরা আরও কিছু সময় উপসাগরীয় অঞ্চলে আমাদের সামরিক বাহিনী রাখবো।

‘ক্ষেপণাস্ত্র নয়, আসল সমস্যা পারমাণবিক অস্ত্র’

ট্রাম্প বলেন, ক্ষেপণাস্ত্রই মূল সমস্যা নয়। ক্ষেপণাস্ত্র কোনো ছোট জায়গায় আঘাত করতে পারে, কিন্তু পারমাণবিক অস্ত্রের মতো পুরো পৃথিবী ধ্বংস করতে পারে না।

উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থনে ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করার সময় তেহরানের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি ধ্বংস করাকে অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হিসেবে ঘোষণা করেছিল।

যুদ্ধ চলাকালে যুক্তরাষ্ট্র বারবার দাবি করেছিল, ইরান তার ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচিকে এমন একটি ঢাল হিসেবে ব্যবহার করতে চায়, যাতে অন্য কোনো দেশ তার সম্ভাব্য পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির প্রচেষ্টা ঠেকাতে না পারে।

তবে ট্রাম্পের সাম্প্রতিক মন্তব্যে ক্ষেপণাস্ত্র ইস্যুর গুরুত্ব কমিয়ে দেখানো হয়েছে, যা যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থানে পরিবর্তনের ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হচ্ছে।

যদিও তিনি স্পষ্ট করেন, আগামী ৬০ দিনের আলোচনায় ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা হবে।

এদিকে, ট্রাম্পের সংবাদ সম্মেলনের কয়েক ঘণ্টা পর ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ঘোষণা দেয়, দুই দেশের প্রেসিডেন্ট আনুষ্ঠানিকভাবে সমঝোতা স্মারকে (এমওইউ) স্বাক্ষর করেছেন।

ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর সঙ্গে ভার্সাই প্রাসাদে নৈশভোজ শেষে ট্রাম্পও বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

একজন মার্কিন কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানান, গত রোববার ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স ও ইরানের প্রধান আলোচক মোহাম্মাদ বাঘের গালিবাফ ডিজিটালি স্মারকে স্বাক্ষর করেন। পরে ট্রাম্প ও ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান তাতে চূড়ান্ত স্বাক্ষর করেন।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘেই রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আইআরএনএ-কে বলেন, ইসলামাবাদ সমঝোতা স্মারকের পাঠ্য প্রেসিডেন্টদের স্বাক্ষরের মাধ্যমে চূড়ান্ত হয়েছে। এখন সময় এসেছে চুক্তির বাস্তবায়ন পরীক্ষা করার।

সূত্র: আল-জাজিরা

এসএএইচ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow