অবশেষে বাড়ির পথে শূন্যরেখায় আটকে থাকা সেই বৃদ্ধ 

জামালপুরের বকশীগঞ্জ সীমান্তে ২৪ ঘণ্টা শূন্যরেখায় আটকে থাকার পর উদ্ধার আলোচিত ষষ্ঠী চন্দ্র বর্মনকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকেলে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এর আগে বুধবার গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হলে বর্মনের পরিবার তাকে শনাক্ত করে বিজিবির সঙ্গে যোগাযোগ করেন। জানা যায়, বিকেল ৪টার দিকে ওই বৃদ্ধকে নেওয়ার জন্য ছোট ভাই ভবানী চন্দ্র বর্মন, মেয়ের জামাই গৌড় চন্দ্র বর্মন এবং নাতি বকশীগঞ্জ থানায় পৌঁছে। দুই সহোদর প্রথম দেখাতে হাত মেলাতে গিয়ে কেঁদে দেয় এবং চারদিকে এক আবেগঘন পরিবেশ তৈরি হয়। ছোট ভাই ভবানী চন্দ্র বর্মনের নিকট ষষ্ঠী চন্দ্র বর্মনকে হস্তান্তর করে বিজিবি ও থানা পুলিশ। এসময় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মকবুল হোসেন, জামালপুর ৩৫ বিজিবির ধানুয়া কামালপুর কোম্পানি কমান্ডার বিল্লাল হোসেনসহ ষষ্ঠী চন্দ্র বর্মনের পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। এর আগে সকালে বকশীগঞ্জ উপজেলার রামরামপুর সীমান্তের শূন্যরেখা থেকে উদ্ধার করে থানা হেফাজতে নেওয়া হয় ষষ্ঠী চন্দ্র বর্মনকে। মঙ্গলবার ভোররাত থেকে বুধবার সারাদিন মানসিকভাবে অসুস্থ এ বৃদ্ধকে নাগরিক দাবি করে বিএসএফ ও বিজিবি ঠেলাঠ

অবশেষে বাড়ির পথে শূন্যরেখায় আটকে থাকা সেই বৃদ্ধ 
জামালপুরের বকশীগঞ্জ সীমান্তে ২৪ ঘণ্টা শূন্যরেখায় আটকে থাকার পর উদ্ধার আলোচিত ষষ্ঠী চন্দ্র বর্মনকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকেলে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এর আগে বুধবার গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হলে বর্মনের পরিবার তাকে শনাক্ত করে বিজিবির সঙ্গে যোগাযোগ করেন। জানা যায়, বিকেল ৪টার দিকে ওই বৃদ্ধকে নেওয়ার জন্য ছোট ভাই ভবানী চন্দ্র বর্মন, মেয়ের জামাই গৌড় চন্দ্র বর্মন এবং নাতি বকশীগঞ্জ থানায় পৌঁছে। দুই সহোদর প্রথম দেখাতে হাত মেলাতে গিয়ে কেঁদে দেয় এবং চারদিকে এক আবেগঘন পরিবেশ তৈরি হয়। ছোট ভাই ভবানী চন্দ্র বর্মনের নিকট ষষ্ঠী চন্দ্র বর্মনকে হস্তান্তর করে বিজিবি ও থানা পুলিশ। এসময় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মকবুল হোসেন, জামালপুর ৩৫ বিজিবির ধানুয়া কামালপুর কোম্পানি কমান্ডার বিল্লাল হোসেনসহ ষষ্ঠী চন্দ্র বর্মনের পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। এর আগে সকালে বকশীগঞ্জ উপজেলার রামরামপুর সীমান্তের শূন্যরেখা থেকে উদ্ধার করে থানা হেফাজতে নেওয়া হয় ষষ্ঠী চন্দ্র বর্মনকে। মঙ্গলবার ভোররাত থেকে বুধবার সারাদিন মানসিকভাবে অসুস্থ এ বৃদ্ধকে নাগরিক দাবি করে বিএসএফ ও বিজিবি ঠেলাঠেলি করতে থাকে। শূন্যরেখায় তাকে রেখে দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী নিজেদের অবস্থানে চলে গেলে বুধবার সারারাত সেখানেই অবস্থান করেন এই বৃদ্ধ। ষষ্ঠী চন্দ্র বর্মনের ভাই ভবানী বর্মন জানান, ২ মাস আগে রাজশাহীর গোদাগাড়ীর চান্দলাই গ্রাম থেকে নিখোঁজ হন ষষ্ঠী বর্মন (৬৮)। তাকে অনেক খোঁজাখুঁজির পরও তাকে পাওয়া যায়নি। বুধবার সকালে জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার রামরামপুর সীমান্তের ১০৮২ পিলারের কাছ দিয়ে জোর করে পুশইনের চেষ্টা করে বিএসএফ সদস্যরা। কিন্তু বিজিবি ও স্থানীয় এলাকাবাসীর বাধার কারণে পুশইন চেষ্টা ব্যর্থ হয়। এনিয়ে সীমান্তে চরম উত্তেজনা দেখা দেয়। দিনভর উত্তেজনার পর বৃহস্পতিবার শূন্যরেখা থেকে উদ্ধারের পর থানায় সোপর্দ করে বিজিবি। আইনি প্রক্রিয়া শেষে করে অবশেষে হস্তান্তর করা হলো ষষ্ঠী চন্দ্র বর্মনকে। বকশীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মকবুল হোসেন বিষয় নিশ্চিত করে বলেন, পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে যাচাই-বাছাই করে বৃদ্ধ ষষ্ঠী চন্দ্র বর্মনকে ছোট ভাই ভবানী চন্দ্র বর্মনের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তারা রাজশাহীর উদ্দেশে বকশীগঞ্জ ছেড়ে গেছে।  

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow