অবশেষে শক্তিশালী ‘সেজিল’ ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করল ইরান

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি অবস্থানের ওপর প্রতিশোধমূলক হামলার অংশ হিসেবে ইরান তাদের শক্তিশালী ‘সেজিল’ ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করেছে। অত্যাধুনিক প্রযুক্তির এই ক্ষেপণাস্ত্রটি যুদ্ধক্ষেত্রে ইরানের অন্যতম বড় শক্তি হিসেবে বিবেচিত। সোমবার (১৬ মার্চ) আল-জাজিরার প্রতিবেদনে জানানো হয়, ‘সেজিল’ একটি শক্ত জ্বালানিচালিত ক্ষেপণাস্ত্র। সামরিক বিশেষজ্ঞদের ধারণা অনুযায়ী, এর পাল্লা ২,০০০ থেকে ২,৫০০ কিলোমিটার (১,২৪০ থেকে ১,৫৫০ মাইল)। ক্ষেপণাস্ত্রটি শব্দের চেয়ে ১৩ গুণ বেশি দ্রুতগতিতে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম। মার্কিন সাময়িকী ‘দ্য ন্যাশনাল ইন্টারেস্ট’-এর তথ্যমতে, ইরানের এই ক্ষেপণাস্ত্রটি ভারত, মিশর, সুদানের কিছু অংশ, ইউক্রেনের অধিকাংশ এলাকা এবং দক্ষিণ রাশিয়ার কিছু অংশে পৌঁছাতে পারে। এছাড়া পশ্চিম চীনের একাংশসহ ভারত মহাসাগর ও ভূমধ্যসাগরের বিশাল এলাকা এর আওতায় রয়েছে। ইরানি সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, ‘সেজিল’ শব্দের অর্থ ‘তপ্ত পাথর’। এটি পবিত্র কুরআনের সূরা আল-ফীল-এ বর্ণিত ‘সিজ্জিল’ পাথরের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়, যা দিয়ে একদা এক বিশাল আক্রমণকারী বাহিনীকে ধ্বংস করা হয়েছিল। সুত্র: আল-জাজিরার।

অবশেষে শক্তিশালী ‘সেজিল’ ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করল ইরান

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি অবস্থানের ওপর প্রতিশোধমূলক হামলার অংশ হিসেবে ইরান তাদের শক্তিশালী ‘সেজিল’ ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করেছে। অত্যাধুনিক প্রযুক্তির এই ক্ষেপণাস্ত্রটি যুদ্ধক্ষেত্রে ইরানের অন্যতম বড় শক্তি হিসেবে বিবেচিত।

সোমবার (১৬ মার্চ) আল-জাজিরার প্রতিবেদনে জানানো হয়, ‘সেজিল’ একটি শক্ত জ্বালানিচালিত ক্ষেপণাস্ত্র। সামরিক বিশেষজ্ঞদের ধারণা অনুযায়ী, এর পাল্লা ২,০০০ থেকে ২,৫০০ কিলোমিটার (১,২৪০ থেকে ১,৫৫০ মাইল)। ক্ষেপণাস্ত্রটি শব্দের চেয়ে ১৩ গুণ বেশি দ্রুতগতিতে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম।

মার্কিন সাময়িকী ‘দ্য ন্যাশনাল ইন্টারেস্ট’-এর তথ্যমতে, ইরানের এই ক্ষেপণাস্ত্রটি ভারত, মিশর, সুদানের কিছু অংশ, ইউক্রেনের অধিকাংশ এলাকা এবং দক্ষিণ রাশিয়ার কিছু অংশে পৌঁছাতে পারে। এছাড়া পশ্চিম চীনের একাংশসহ ভারত মহাসাগর ও ভূমধ্যসাগরের বিশাল এলাকা এর আওতায় রয়েছে।

ইরানি সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, ‘সেজিল’ শব্দের অর্থ ‘তপ্ত পাথর’। এটি পবিত্র কুরআনের সূরা আল-ফীল-এ বর্ণিত ‘সিজ্জিল’ পাথরের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়, যা দিয়ে একদা এক বিশাল আক্রমণকারী বাহিনীকে ধ্বংস করা হয়েছিল।

সুত্র: আল-জাজিরার।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow