অবসরের পর কোচ নন, ক্লাব মালিক হতে চান মেসি

ফুটবলের আলো ঝলমলে জীবন শেষ হলে লিওনেল মেসি নিজেকে কোথায় দেখতে চান—এ প্রশ্ন বহুদিনের। অবশেষে অবসরের পরের জীবন নিয়ে স্পষ্ট কথা বললেন আর্জেন্টিনার মহাতারকা। জানিয়ে দিলেন, তিনি কোচ হওয়ার পথে হাঁটতে চান না, এমনকি দিয়েগো ম্যারাডোনার মতো জাতীয় দল সামলানোর ভাবনাও তাঁর নেই। আর্জেন্টিনার জনপ্রিয় স্ট্রিমিং চ্যানেল Luzu-কে দেওয়া এক দীর্ঘ সাক্ষাৎকারে Lionel Messi খোলামেলা আলোচনা করেছেন ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে। সাধারণত ব্যক্তিগত বিষয়ে কম কথা বলা মেসি এদিন ব্যতিক্রমী ছিলেন। কোচিং নয়, নিজের ক্লাব গড়ার স্বপ্ন অবসরের পর ফুটবলের সঙ্গেই থাকতে চান মেসি, তবে ভিন্ন ভূমিকায়। তাঁর ভাষায়, “আমি নিচ থেকে শুরু করে নিজের একটি ক্লাব গড়তে চাই—যেখানে তরুণরা সুযোগ পাবে, ধীরে ধীরে বড় হবে এবং একসময় সেটিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্লাবে পরিণত করা যাবে।” এই বক্তব্যেই স্পষ্ট, কোচ হিসেবে ডাগআউটে দাঁড়ানোর আগ্রহ নেই তাঁর। তিনি চান সিদ্ধান্ত নেওয়ার জায়গায় থাকতে—একজন মালিক হিসেবে। এ কারণে তিনি কার্যত নাকচ করে দিয়েছেন দিয়েগো ম্যারাডোনার পথ অনুসরণ করার ধারণা, যিনি একসময় আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের কোচ ছিলেন। উল্লেখ্য,

অবসরের পর কোচ নন, ক্লাব মালিক হতে চান মেসি
ফুটবলের আলো ঝলমলে জীবন শেষ হলে লিওনেল মেসি নিজেকে কোথায় দেখতে চান—এ প্রশ্ন বহুদিনের। অবশেষে অবসরের পরের জীবন নিয়ে স্পষ্ট কথা বললেন আর্জেন্টিনার মহাতারকা। জানিয়ে দিলেন, তিনি কোচ হওয়ার পথে হাঁটতে চান না, এমনকি দিয়েগো ম্যারাডোনার মতো জাতীয় দল সামলানোর ভাবনাও তাঁর নেই। আর্জেন্টিনার জনপ্রিয় স্ট্রিমিং চ্যানেল Luzu-কে দেওয়া এক দীর্ঘ সাক্ষাৎকারে Lionel Messi খোলামেলা আলোচনা করেছেন ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে। সাধারণত ব্যক্তিগত বিষয়ে কম কথা বলা মেসি এদিন ব্যতিক্রমী ছিলেন। কোচিং নয়, নিজের ক্লাব গড়ার স্বপ্ন অবসরের পর ফুটবলের সঙ্গেই থাকতে চান মেসি, তবে ভিন্ন ভূমিকায়। তাঁর ভাষায়, “আমি নিচ থেকে শুরু করে নিজের একটি ক্লাব গড়তে চাই—যেখানে তরুণরা সুযোগ পাবে, ধীরে ধীরে বড় হবে এবং একসময় সেটিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্লাবে পরিণত করা যাবে।” এই বক্তব্যেই স্পষ্ট, কোচ হিসেবে ডাগআউটে দাঁড়ানোর আগ্রহ নেই তাঁর। তিনি চান সিদ্ধান্ত নেওয়ার জায়গায় থাকতে—একজন মালিক হিসেবে। এ কারণে তিনি কার্যত নাকচ করে দিয়েছেন দিয়েগো ম্যারাডোনার পথ অনুসরণ করার ধারণা, যিনি একসময় আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের কোচ ছিলেন। উল্লেখ্য, উরুগুয়েতে লুইস সুয়ারেজের সঙ্গে যৌথভাবে একটি ক্লাব প্রকল্পে যুক্ত আছেন মেসি, যা ভবিষ্যতের পরিকল্পনার ইঙ্গিত দেয়। শেষ বিশ্বকাপের দিকে মনোযোগ বর্তমানে ইন্টার মায়ামি তারকা ৩৮ বছর বয়সে ক্যারিয়ারের শেষ অধ্যায়ের দিকে এগোচ্ছেন। লক্ষ্য একটাই—২০২৬ বিশ্বকাপে অংশ নিয়ে ২০২২ সালের শিরোপা ধরে রাখার চেষ্টা। তবে তিনি জানেন, মাঠের জীবন দীর্ঘ নয়, তাই ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবনাও শুরু করে দিয়েছেন। মানসিক স্বাস্থ্য নিয়েও খোলামেলা সাক্ষাৎকারে মেসি মানসিক স্বাস্থ্যের প্রসঙ্গেও কথা বলেন। স্বীকার করেন, বার্সাতে খেলার সময় একপর্যায়ে তিনি থেরাপির সাহায্য নিয়েছিলেন। “এখন আর থেরাপি করি না। তখন করেছিলাম। আগে সব কিছু নিজের ভেতর জমিয়ে রাখতাম, এখন অনেক বদলেছি।” তিনি জানান, মাঝেমধ্যে একা থাকতে ভালোবাসেন, নিরিবিলি সময় উপভোগ করেন—যদিও সন্তানদের কোলাহলে ঘর ভরে থাকলে সেটাও উপভোগ্য বলে মনে করেন। সব মিলিয়ে, মেসির কথায় স্পষ্ট—ফুটবল ছাড়লেও তিনি খেলাটিকে ছাড়ছেন না। শুধু ভূমিকা বদলাতে চান, মাঠের নায়ক থেকে ভবিষ্যতের নির্মাতা হয়ে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow