অভিনেতা জাহের আলভীর জামিন আবারও নামঞ্জুর

স্ত্রীর আ ত্ম হত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা জাহের আলভীর জামিন আবেদন আবারও নামঞ্জুর করেছেন আদালত। সোমবার (৬ জুলাই) ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক শাহজাহান কবির শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী হারুন অর রশিদ। আদালত সূত্রে জানা যায়, জাহের আলভীর পক্ষে জামিন আবেদন করেন আইনজীবী শেখ রোবায়েত ইসলাম। তবে রাষ্ট্রপক্ষ এর বিরোধিতা করলে শুনানি শেষে আদালত জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন। এর আগে গত ৩০ জুন দুই দিনের রিমান্ড শেষে জাহের আলভীকে কারাগারে পাঠানো হয়। তারও আগে ১৮ জুন আদালতে আত্মসমর্পণ করলে তার জামিন আবেদন নাকচ করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। পরবর্তীতে ২১ জুন পুলিশ ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করলে ২৪ জুন আদালত দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর মিরপুর ডিওএইচএস এলাকার বাসা থেকে জাহের আলভীর স্ত্রী ইকরাকে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচানো অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। পরে তাকে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার দিন রাতেই ইকরার বাবা কবির হ

অভিনেতা জাহের আলভীর জামিন আবারও নামঞ্জুর

স্ত্রীর আ ত্ম হত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা জাহের আলভীর জামিন আবেদন আবারও নামঞ্জুর করেছেন আদালত।

সোমবার (৬ জুলাই) ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক শাহজাহান কবির শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী হারুন অর রশিদ।

আদালত সূত্রে জানা যায়, জাহের আলভীর পক্ষে জামিন আবেদন করেন আইনজীবী শেখ রোবায়েত ইসলাম। তবে রাষ্ট্রপক্ষ এর বিরোধিতা করলে শুনানি শেষে আদালত জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন।

এর আগে গত ৩০ জুন দুই দিনের রিমান্ড শেষে জাহের আলভীকে কারাগারে পাঠানো হয়। তারও আগে ১৮ জুন আদালতে আত্মসমর্পণ করলে তার জামিন আবেদন নাকচ করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। পরবর্তীতে ২১ জুন পুলিশ ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করলে ২৪ জুন আদালত দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর মিরপুর ডিওএইচএস এলাকার বাসা থেকে জাহের আলভীর স্ত্রী ইকরাকে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচানো অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। পরে তাকে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

ঘটনার দিন রাতেই ইকরার বাবা কবির হায়াত খান পল্লবী থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলায় অভিযোগ করা হয়, দীর্ঘদিনের পারিবারিক কলহ ও বিভিন্ন ধরনের নির্যাতনের কারণে ইকরা আত্মহত্যা করতে বাধ্য হন।

উল্লেখ্য, ২০১০ সালে জাহের আলভী ও ইকরার বিয়ে হয়। তাদের সংসারে একটি ছেলে সন্তান রয়েছে। একই মামলায় গত ৪ জুন জাহের আলভীর মা নাসরিন সুলতানা শিউলি আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন লাভ করেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow