অমঙ্গল দূর করতে ব্রাজিলের পতাকায় সোনা-রুপার পানি ছিটালেন ভক্ত
বিশ্বকাপ কিংবা বড় কোনো টুর্নামেন্ট এলেই বাংলাদেশে ফুটবল উন্মাদনা রূপ নেয় অন্য উচ্চতায়। বিশেষ করে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা সমর্থকদের কাণ্ডকারখানা বরাবরই নজর কাড়ে সবার। এবার কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় প্রিয় দল ব্রাজিলের জয় নিশ্চিত করতে ব্যতিক্রমী কাণ্ড ঘটালেন এক ভক্ত। দলের ওপর থেকে সব অমঙ্গল দূর করতে ব্রাজিলের পতাকায় সোনা ও রুপার পানি ছিটিয়েছেন তিনি। চাঞ্চল্যকর এই কাণ্ডটি ঘটিয়েছেন উপজেলার সুখিয়া ইউনিয়নের চরপলাশ গ্রামের আফির উদ্দিনের ছেলে বিল্লাল হোসেন। এ ঘটনা জানাজানি হতেই পুরো এলাকায় রীতিমতো তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা রকি জানান, বিল্লাল হোসেন ব্রাজিলের এতটাই কট্টর সমর্থক যে, দলের প্রথম ম্যাচের আগে আর ঘরে বসে থাকতে পারেননি। দলের শুভকামনায় সম্পূর্ণ নিজস্ব ভাবনায় এক অভিনব টোটকা বেছে নেন তিনি। নিজের নাতি হাফিজুলকে সঙ্গে নিয়ে সোনা ও রুপা ধোয়া পানি প্রস্তুত করেন। এরপর শত শত উৎসুক মানুষের সামনে সেই বিশেষ পানি ছিটিয়ে দেন ব্রাজিলের পতাকায়। ব্রাজিল ভক্ত বিল্লাল হোসেন বলেন, ব্রাজিল আমার রক্তের সঙ্গে মিশে আছে। তাদের প্রথম ম্যাচের আগে মনে হলো দলের ওপর কোনো অমঙ্গল বা অপয়া দৃষ্টি থাকতে পারে। আম
বিশ্বকাপ কিংবা বড় কোনো টুর্নামেন্ট এলেই বাংলাদেশে ফুটবল উন্মাদনা রূপ নেয় অন্য উচ্চতায়। বিশেষ করে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা সমর্থকদের কাণ্ডকারখানা বরাবরই নজর কাড়ে সবার। এবার কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় প্রিয় দল ব্রাজিলের জয় নিশ্চিত করতে ব্যতিক্রমী কাণ্ড ঘটালেন এক ভক্ত। দলের ওপর থেকে সব অমঙ্গল দূর করতে ব্রাজিলের পতাকায় সোনা ও রুপার পানি ছিটিয়েছেন তিনি।
চাঞ্চল্যকর এই কাণ্ডটি ঘটিয়েছেন উপজেলার সুখিয়া ইউনিয়নের চরপলাশ গ্রামের আফির উদ্দিনের ছেলে বিল্লাল হোসেন। এ ঘটনা জানাজানি হতেই পুরো এলাকায় রীতিমতো তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা রকি জানান, বিল্লাল হোসেন ব্রাজিলের এতটাই কট্টর সমর্থক যে, দলের প্রথম ম্যাচের আগে আর ঘরে বসে থাকতে পারেননি। দলের শুভকামনায় সম্পূর্ণ নিজস্ব ভাবনায় এক অভিনব টোটকা বেছে নেন তিনি। নিজের নাতি হাফিজুলকে সঙ্গে নিয়ে সোনা ও রুপা ধোয়া পানি প্রস্তুত করেন। এরপর শত শত উৎসুক মানুষের সামনে সেই বিশেষ পানি ছিটিয়ে দেন ব্রাজিলের পতাকায়।
ব্রাজিল ভক্ত বিল্লাল হোসেন বলেন, ব্রাজিল আমার রক্তের সঙ্গে মিশে আছে। তাদের প্রথম ম্যাচের আগে মনে হলো দলের ওপর কোনো অমঙ্গল বা অপয়া দৃষ্টি থাকতে পারে। আমার বিশ্বাস, এই সোনা ও রুপার পানি ছিটানোর কারণে দলের সব অমঙ্গল দূর হবে এবং আমার প্রিয় ব্রাজিল দল এবার রাজকীয় জয় নিয়ে মাঠ ছাড়বে।
এদিকে বিল্লাল হোসেনের এই অদ্ভুত ও ব্যতিক্রমী ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তে বেশি সময় লাগেনি। খবর পেয়ে আশপাশের গ্রাম থেকেও মানুষ চরপলাশ গ্রামে ছুটে আসছেন এই কাণ্ড দেখতে। কেউ কেউ বিষয়টি ফুটবলপ্রেমের চরম ‘পাগলামি’ বলে আখ্যা দিলেও স্থানীয় ব্রাজিল সমর্থকরা বিল্লালের এই আবেগকে বেশ উপভোগ করছেন।
এসকে রাসেল/এনএইচআর
What's Your Reaction?