অর্থের অভাবে চিকিৎসা বন্ধ শিশু তামিমের

ডোমারের সদর ইউনিয়নের পশ্চিম চিকনমাটি (নাউয়া পাড়া) এলাকায় সাত বছরের শিশু তামিম ইসলামের জীবনে যেন অন্ধকার নেমে এসেছে। টাকার অভাবে তার প্রয়োজনীয় চিকিৎসা করাতে পারছেন না বাবা-মা। জানা গেছে, পাঁচ দিন আগে ভাত খেতে গেলে তামিমের প্রচণ্ড কষ্ট শুরু হয় এবং গলায় ব্যথা অনুভূত হয়। এরপর স্থানীয় চিকিৎসকের কাছে দেখানো হলে প্রথমে টনসিল ধরা পড়ে। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই টনসিল টিউমারে রূপ নেয়। পরবর্তীতে রংপুরে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের কাছে দেখানো হলে তামিমকে জরুরি অপারেশনের প্রয়োজন বলে জানানো হয়।  চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, দেরি করলে শিশুটির জীবন বিপন্ন হতে পারে। তবে এই অপারেশনের জন্য আনুমানিক ১ লাখ টাকা প্রয়োজন। তামিমের বাবা আব্দুল মোতালেব ভ্যান চালক, এবং মা হুসনেআরা একজন গৃহিণী ও বুদ্ধি প্রতিবন্ধী। সীমিত আয়েই পরিবারটি পাঁচ সদস্যের সংসার চালাচ্ছে। ফলে এত বড়ো খরচ জোগাড় করা তাদের পক্ষে অসম্ভব। বর্তমানে অর্থের অভাবে বন্ধ হয়ে গেছে তার চিকিৎসা। পরিবারটি দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাস করায় ১ লাখ টাকা চিকিৎসার ব্যয় বহন করা সম্ভব নয়। আর যেটুকু সহায়-সম্বল ছিল তা শেষ হয়ে গেছে আগেই। শিশুটির বাবা আব্দুল মোতালেব বলেন, আমি দ

অর্থের অভাবে চিকিৎসা বন্ধ শিশু তামিমের

ডোমারের সদর ইউনিয়নের পশ্চিম চিকনমাটি (নাউয়া পাড়া) এলাকায় সাত বছরের শিশু তামিম ইসলামের জীবনে যেন অন্ধকার নেমে এসেছে। টাকার অভাবে তার প্রয়োজনীয় চিকিৎসা করাতে পারছেন না বাবা-মা।

জানা গেছে, পাঁচ দিন আগে ভাত খেতে গেলে তামিমের প্রচণ্ড কষ্ট শুরু হয় এবং গলায় ব্যথা অনুভূত হয়। এরপর স্থানীয় চিকিৎসকের কাছে দেখানো হলে প্রথমে টনসিল ধরা পড়ে। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই টনসিল টিউমারে রূপ নেয়। পরবর্তীতে রংপুরে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের কাছে দেখানো হলে তামিমকে জরুরি অপারেশনের প্রয়োজন বলে জানানো হয়। 

চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, দেরি করলে শিশুটির জীবন বিপন্ন হতে পারে। তবে এই অপারেশনের জন্য আনুমানিক ১ লাখ টাকা প্রয়োজন।

তামিমের বাবা আব্দুল মোতালেব ভ্যান চালক, এবং মা হুসনেআরা একজন গৃহিণী ও বুদ্ধি প্রতিবন্ধী। সীমিত আয়েই পরিবারটি পাঁচ সদস্যের সংসার চালাচ্ছে। ফলে এত বড়ো খরচ জোগাড় করা তাদের পক্ষে অসম্ভব।

বর্তমানে অর্থের অভাবে বন্ধ হয়ে গেছে তার চিকিৎসা। পরিবারটি দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাস করায় ১ লাখ টাকা চিকিৎসার ব্যয় বহন করা সম্ভব নয়। আর যেটুকু সহায়-সম্বল ছিল তা শেষ হয়ে গেছে আগেই।

শিশুটির বাবা আব্দুল মোতালেব বলেন, আমি দিনমজুরি করে কোনোমতে সংসার চালাই। ছেলের চিকিৎসার জন্য যে টাকা দরকার, তা আমার পক্ষে জোগাড় করা অসম্ভব। আমার ছেলেটাকে বাঁচাতে সমাজের মানুষের কাছে সাহায্য চাই।

তামিমের মা হুসনেআরা চোখের পানি মুছতে মুছতে বলেন,আমার ছেলেটা খুব কষ্টে আছে, কিছু খেতে পারছে না। আমি মা হয়ে কিছুই করতে পারছি না। আমার ছেলেটাকে বাঁচান।

তামিমের প্রতিবেশী আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন, শিশুটির অবস্থা দিন দিন খারাপ হচ্ছে। গরিব বাবা-মা চিকিৎসা করাতে পারছে না। দ্রুত সাহায্য না পেলে বড়ো ধরনের ক্ষতি হয়ে যেতে পারে।

এদিকে তামিমের পরিবার সমাজের সাহায্যের ওপর ভরসা করে দিন কাটাচ্ছে। চোখের পানি আর বুকভরা অসহায়ত্ব নিয়ে বাবা-মা দানশীল ও হৃদয়বান ব্যক্তিদের কাছে আর্থিক সহায়তার আবেদন জানিয়েছেন, যেন তাদের একমাত্র সন্তান বাঁচানো যায়।

সাহায্য পাঠানো যাবে শিশুটির খালু মোস্তফার মোবাইলে- ০১৭৫৫২৫৯২৩৬ বিকাশ/নগদ (পার্সোনাল)।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow