অশ্রুসিক্ত নয়নে নিজের না বলা গল্প শোনালেন ভিনিসিয়ুস

বিশ্বকাপের ব্যস্ত সূচির মাঝেও আবেগঘন এক মুহূর্ত উপহার দিলেন ব্রাজিলের তারকা ফুটবলার ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। একটি টেলিভিশন অনুষ্ঠানে দাদি নিলজার বার্তা শুনে নিজের আবেগ ধরে রাখতে পারেননি তিনি। শৈশবের স্মৃতি, পরিবারের ত্যাগ, বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন এবং বর্ণবৈষম্যের বিরুদ্ধে নিজের অবস্থান নিয়ে খোলামেলা কথা বলেন এই ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড। ভিনিসিয়ুস জানান, বাবা বেশিরভাগ সময় বাড়ির বাইরে থাকায় মা, ভাইবোন ও দাদির সান্নিধ্যেই তার বেড়ে ওঠা। ছোট্ট বাড়িতে দাদির পাশে ঘুমিয়ে কাটানো অসংখ্য রাত আজও তার জীবনের সবচেয়ে মূল্যবান স্মৃতি। তিনি বলেন, দাদি তার জীবনে এমন এক গভীর ছাপ রেখে গেছেন, যা কখনো মুছে যাওয়ার নয়। আবেগাপ্লুত ভিনিসিয়ুস বলেন, "আমাদের বাড়িটি খুব ছোট ছিল। অসংখ্য রাত আমি তার পাশেই ঘুমিয়েছি। সত্যি বলতে, আমি ভাষা হারিয়ে ফেলেছি।" মৃত্যুর অনিবার্য বাস্তবতার কথাও উল্লেখ করেন তিনি। তার ভাষায়, "আমি জানি, একদিন সবাই চলে যায়। তাই যতদিন সম্ভব, তার সঙ্গে কাটানো প্রতিটি মুহূর্ত হৃদয়ে ধরে রাখতে চাই।" পরিবারের ত্যাগের কথা স্মরণ করে ২৫ বছর বয়সী এই তারকা বলেন, নিজের স্বপ্ন পূরণে তার পরিবার মানুষের

অশ্রুসিক্ত নয়নে নিজের না বলা গল্প শোনালেন ভিনিসিয়ুস

বিশ্বকাপের ব্যস্ত সূচির মাঝেও আবেগঘন এক মুহূর্ত উপহার দিলেন ব্রাজিলের তারকা ফুটবলার ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। একটি টেলিভিশন অনুষ্ঠানে দাদি নিলজার বার্তা শুনে নিজের আবেগ ধরে রাখতে পারেননি তিনি। শৈশবের স্মৃতি, পরিবারের ত্যাগ, বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন এবং বর্ণবৈষম্যের বিরুদ্ধে নিজের অবস্থান নিয়ে খোলামেলা কথা বলেন এই ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড।

ভিনিসিয়ুস জানান, বাবা বেশিরভাগ সময় বাড়ির বাইরে থাকায় মা, ভাইবোন ও দাদির সান্নিধ্যেই তার বেড়ে ওঠা। ছোট্ট বাড়িতে দাদির পাশে ঘুমিয়ে কাটানো অসংখ্য রাত আজও তার জীবনের সবচেয়ে মূল্যবান স্মৃতি। তিনি বলেন, দাদি তার জীবনে এমন এক গভীর ছাপ রেখে গেছেন, যা কখনো মুছে যাওয়ার নয়।

আবেগাপ্লুত ভিনিসিয়ুস বলেন, "আমাদের বাড়িটি খুব ছোট ছিল। অসংখ্য রাত আমি তার পাশেই ঘুমিয়েছি। সত্যি বলতে, আমি ভাষা হারিয়ে ফেলেছি।"

মৃত্যুর অনিবার্য বাস্তবতার কথাও উল্লেখ করেন তিনি। তার ভাষায়, "আমি জানি, একদিন সবাই চলে যায়। তাই যতদিন সম্ভব, তার সঙ্গে কাটানো প্রতিটি মুহূর্ত হৃদয়ে ধরে রাখতে চাই।"

পরিবারের ত্যাগের কথা স্মরণ করে ২৫ বছর বয়সী এই তারকা বলেন, নিজের স্বপ্ন পূরণে তার পরিবার মানুষের পক্ষে যা সম্ভব, সবই করেছে। তাই তাদের মুখে হাসি ফোটাতে পারাটাই তার কাছে সবচেয়ে বড় সাফল্য।

আসন্ন বিশ্বকাপ নিয়েও আশাবাদী ভিনিসিয়ুস। তার বিশ্বাস, বর্তমান প্রজন্মের ব্রাজিল দল দেশকে আবারও বিশ্ব ফুটবলের শীর্ষে ফিরিয়ে নিতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর ষষ্ঠ বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্নই এখন তাদের প্রধান লক্ষ্য।

বর্ণবৈষম্যের বিরুদ্ধেও নিজের দৃঢ় অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেন ভিনিসিয়ুস। তিনি বলেন, তার ছোট ভাইসহ আগামী প্রজন্ম যেন এমন বৈষম্যের শিকার না হয়, সেটাই তার সবচেয়ে বড় প্রত্যাশা। মাঠের সাফল্যের পাশাপাশি কৃষ্ণাঙ্গ শিশুদের অনুপ্রেরণার প্রতীক হওয়াকেও নিজের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব বলে মনে করেন এই ব্রাজিলিয়ান তারকা।

এ সময় ব্রাজিলের কোচ কার্লো আনচেলত্তির প্রশংসা করে ভিনিসিয়ুস বলেন, তার অধীনে দলে অভিজ্ঞ ও তরুণ খেলোয়াড়দের মধ্যে দারুণ সমন্বয় তৈরি হয়েছে, যা বিশ্বকাপে দলের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow