অস্কারের মঞ্চে ইতিহাস গড়ে আইরিশ কন্যার রাজ্যাভিষেক
পুরস্কার মৌসুমের সবকটি লড়াইয়ে আগেই বিজয়পতাকা উড়িয়েছিলেন তিনি; বাকি ছিল শুধু শ্রেষ্ঠত্বের চূড়ান্ত মুকুটটি। অবশেষে সেই অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে ৯৮তম একাডেমি অ্যাওয়ার্ডসের মঞ্চে রচিত হলো এক মহাকাব্যিক ইতিহাস। ক্লোয়ি ঝাও পরিচালিত ‘হ্যামনেট’ সিনেমায় অভিনয় দিয়ে দর্শক-সমালোচকদের মন্ত্রমুগ্ধ করে ক্যারিয়ারের প্রথম অস্কারটি নিজের করে নিলেন জেসি বাকলি।
গোল্ডেন গ্লোব, বাফটা এবং স্যাগ অ্যাওয়ার্ড জয়ের পর অস্কারের এই জয় বাকলিকে নিয়ে গেল অনন্য এক উচ্চতায়। তবে এই জয় কেবল একটি ট্রফি প্রাপ্তি নয়, বরং অস্কারের দীর্ঘ ইতিহাসে প্রথম আইরিশ অভিনেত্রী হিসেবে সেরা অভিনেত্রীর ক্যাটাগরিতে নাম লিখিয়ে জেসি গড়েছেন এক দুর্ভেদ্য রেকর্ড। ডাবলিনের অলিগলি থেকে হলিউডের ডলবি থিয়েটারের লাল গালিচা—বাকলির এই জয় যেন এক কালজয়ী অভিনয়েরই স্বীকৃতি।
ম্যাগি ও’ফারেল-এর জনপ্রিয় উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত ‘হ্যামনেট’ সিনেমায় জেসি বাকলি বিশ্বখ্যাত নাট্যকার উইলিয়াম শেক্সপিয়ারের স্ত্রী ‘অ্যাগনেস’-এর চরিত্রে অভিনয় করেছেন। সিনেমাটিতে শেক্সপিয়ারের ১১ বছর বয়সী সন্তান হ্যামনেটের অকাল মৃত্যু এবং সেই শোককে কেন্দ্র করে পরিবারের মানসিকভাবে ভেঙে
পুরস্কার মৌসুমের সবকটি লড়াইয়ে আগেই বিজয়পতাকা উড়িয়েছিলেন তিনি; বাকি ছিল শুধু শ্রেষ্ঠত্বের চূড়ান্ত মুকুটটি। অবশেষে সেই অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে ৯৮তম একাডেমি অ্যাওয়ার্ডসের মঞ্চে রচিত হলো এক মহাকাব্যিক ইতিহাস। ক্লোয়ি ঝাও পরিচালিত ‘হ্যামনেট’ সিনেমায় অভিনয় দিয়ে দর্শক-সমালোচকদের মন্ত্রমুগ্ধ করে ক্যারিয়ারের প্রথম অস্কারটি নিজের করে নিলেন জেসি বাকলি।
গোল্ডেন গ্লোব, বাফটা এবং স্যাগ অ্যাওয়ার্ড জয়ের পর অস্কারের এই জয় বাকলিকে নিয়ে গেল অনন্য এক উচ্চতায়। তবে এই জয় কেবল একটি ট্রফি প্রাপ্তি নয়, বরং অস্কারের দীর্ঘ ইতিহাসে প্রথম আইরিশ অভিনেত্রী হিসেবে সেরা অভিনেত্রীর ক্যাটাগরিতে নাম লিখিয়ে জেসি গড়েছেন এক দুর্ভেদ্য রেকর্ড। ডাবলিনের অলিগলি থেকে হলিউডের ডলবি থিয়েটারের লাল গালিচা—বাকলির এই জয় যেন এক কালজয়ী অভিনয়েরই স্বীকৃতি।
ম্যাগি ও’ফারেল-এর জনপ্রিয় উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত ‘হ্যামনেট’ সিনেমায় জেসি বাকলি বিশ্বখ্যাত নাট্যকার উইলিয়াম শেক্সপিয়ারের স্ত্রী ‘অ্যাগনেস’-এর চরিত্রে অভিনয় করেছেন। সিনেমাটিতে শেক্সপিয়ারের ১১ বছর বয়সী সন্তান হ্যামনেটের অকাল মৃত্যু এবং সেই শোককে কেন্দ্র করে পরিবারের মানসিকভাবে ভেঙে পড়ার করুণ দৃশ্যগুলো হৃদয়স্পর্শীভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন তিনি।
সমালোচকদের মতে, সন্তানের মৃত্যুর শোক কীভাবে শেক্সপিয়ারের কালজয়ী নাটক ‘হ্যামলেট’-এর উৎস হতে পারে, তা বাকলির অভিনয়ের মাধ্যমে সার্থকভাবে ফুটে উঠেছে।
উল্লেখ্য, আইরিশ এই অভিনেত্রীর আজকের এই রাজকীয় পথচলা শুরু হয়েছিল ২০০৮ সালে। বিবিসি ওয়ানের একটি ট্যালেন্ট শো ‘আই’ড ডু অ্যানিথিং’-এ রানার-আপ হওয়ার মাধ্যমে তিনি প্রথমবারের মতো পাদপ্রদীপের আলোয় আসেন।
মাত্র ১৭ বছর বয়সেই জেসি বাকলি তার লক্ষ্য ও প্রতিভা দিয়ে নিজের ভবিষ্যতের ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে তিনি সবসময়ই অভিনয়ের প্রতি তার তীব্র আকাঙ্ক্ষা এবং লড়াই করার মানসিকতার কথা প্রকাশ করেছেন।
এছাড়া এবারের আসরে সেরা অভিনেত্রীর মনোনয়ন তালিকায় জেসি বাকলির সঙ্গে লড়াইয়ে ছিলেন এমা স্টোন (বুগোনিয়া), কেট হাডসন (সং সাং ব্লু), রোজ বার্ন (ইফ আই হ্যাড লেগস আইড কিক ইউ) এবং রেনেট রিন্সভ (সেন্টিমেন্টাল ভ্যালু)। তবে অভিনয় শৈলী আর পুরস্কার মৌসুমের টানা সাফল্যের ধারাবাহিকতায় শেষ হাসি হাসলেন জেসি বাকলিই।