অস্ট্রেলিয়া ত্যাগের নির্দেশনা নিয়ে এবার মুখ খুললেন আজহারি
জনপ্রিয় ইসলামিক স্কলার ও আলোচক ড. মিজানুর রহমান আজহারীকে সফরের মাঝপথেই দেশ ছাড়তে বলেছে অস্ট্রেলিয়া। সম্প্রতি একাধিক গণমাধ্যমে এমন খবর ছড়িয়ে পড়েছে। এরপরই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। পরে এক ফেসবুক পোস্টে বিষয়টি পরিষ্কার করেছেন জনপ্রিয় এ ইসলামিক বক্তা। বুধবার (১ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে এক ফেসবুক পোস্টে সংবাদটিকে ভুল ও বিভ্রান্তিকর হিসেবে আখ্যা দেন। মিজানুর রহমান আজহারী লিখেছেন, অস্ট্রেলিয়ার মুসলিম কমিউনিটির আমন্ত্রণে গত ৫ দিন ধরে আমি অস্ট্রেলিয়াতে অবস্থান করছি। আমার সফর নিয়ে যে সংবাদটি ছড়িয়েছে, তা বিদেশি একটি প্রতিবেদনের ভুল ও বিভ্রান্তিকর ব্যাখ্যা। ভিসা বাতিলের কারণ হিসেবে সাম্প্রতিক কোনো বক্তব্যকে দায়ী করা সম্পূর্ণ অসত্য, কারণ এখনো পর্যন্ত আমি এখানে কোনো বক্তব্যই দিইনি। প্রিয় সাংবাদিক বন্ধুদের ক্ষেত্রে বিষয়টি সহজেই যাচাইযোগ্য। বিভিন্ন দেশে বক্তাদের সফর ঘিরে চাপ বা প্রভাব থাকা অস্বাভাবিক নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমার ক্ষেত্রেও তেমন কিছু ঘটেছে। কিছু নির্দিষ্ট স্বার্থান্বেষী মহল ও নাস্তিক্যবাদী পক্ষ পরিকল্পিতভাবে একজোট হয়ে পুরনো, বিচ্ছিন্ন বক্তব্যকে প্রেক্ষাপটহীনভাবে তুলে এনে প্রসাশন
জনপ্রিয় ইসলামিক স্কলার ও আলোচক ড. মিজানুর রহমান আজহারীকে সফরের মাঝপথেই দেশ ছাড়তে বলেছে অস্ট্রেলিয়া। সম্প্রতি একাধিক গণমাধ্যমে এমন খবর ছড়িয়ে পড়েছে। এরপরই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। পরে এক ফেসবুক পোস্টে বিষয়টি পরিষ্কার করেছেন জনপ্রিয় এ ইসলামিক বক্তা।
বুধবার (১ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে এক ফেসবুক পোস্টে সংবাদটিকে ভুল ও বিভ্রান্তিকর হিসেবে আখ্যা দেন।
মিজানুর রহমান আজহারী লিখেছেন, অস্ট্রেলিয়ার মুসলিম কমিউনিটির আমন্ত্রণে গত ৫ দিন ধরে আমি অস্ট্রেলিয়াতে অবস্থান করছি। আমার সফর নিয়ে যে সংবাদটি ছড়িয়েছে, তা বিদেশি একটি প্রতিবেদনের ভুল ও বিভ্রান্তিকর ব্যাখ্যা। ভিসা বাতিলের কারণ হিসেবে সাম্প্রতিক কোনো বক্তব্যকে দায়ী করা সম্পূর্ণ অসত্য, কারণ এখনো পর্যন্ত আমি এখানে কোনো বক্তব্যই দিইনি। প্রিয় সাংবাদিক বন্ধুদের ক্ষেত্রে বিষয়টি সহজেই যাচাইযোগ্য।
বিভিন্ন দেশে বক্তাদের সফর ঘিরে চাপ বা প্রভাব থাকা অস্বাভাবিক নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমার ক্ষেত্রেও তেমন কিছু ঘটেছে। কিছু নির্দিষ্ট স্বার্থান্বেষী মহল ও নাস্তিক্যবাদী পক্ষ পরিকল্পিতভাবে একজোট হয়ে পুরনো, বিচ্ছিন্ন বক্তব্যকে প্রেক্ষাপটহীনভাবে তুলে এনে প্রসাশনিক সিদ্ধান্তে প্রভাব বিস্তার করেছে। একই ভিডিওর সূত্র ধরে কয়েক বছর আগে যেমন যুক্তরাজ্যেও বাধা সৃষ্টি করা হয়েছিল।
অথচ আমি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি এবং শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানে বিশ্বাসী। আমার বহু আলোচনাতেও যা স্পষ্ট প্রতীয়মান বলেও পোস্টে উল্লেখ করেন জনপ্রিয় এ বক্তা।
What's Your Reaction?