অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ৯ বছরের শিশুকে ধর্ষণচেষ্টা
ফরিদপুরের সালথায় ৯ বছরের এক শিশুকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। শিশুটি স্থানীয় একটি মহিলা মাদ্রাসার ছাত্রী। শনিবার (২৩ মে) দুপুর দুইটার দিকে উপজেলার একটি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ধর্ষণচেষ্টায় অভিযুক্ত হলেন- উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের বারাংকুলা গ্রামের বাসিন্দা মো.খায়ের দাঈ (৩৫)। তিনি ওই গ্রামের বাসিন্দা মমিন দাঈয়ের ছেলে। খায়ের বাড়ির পাশে একটি মুদি দোকান পরিচালনা করেন। ভুক্তভোগী শিশুটির মা বলেন, আজ দুপুরে শিশুটি বাড়ির পাশে আম কুড়াতে গিয়েছিল। এ সময় রামদা দিয়ে তার মুখ আটকে ধরে ভয়ভীতি দেখিয়ে বাগানে নিয়ে যায় খায়ের। সেখানে তাকে ধর্ষণের চেষ্টা চালানো হয়। স্থানীয়রা জানায়, এ ঘটনা স্থানীয়রা দেখে ফেললে অভিযুক্ত খায়েরকে একটি ঘরে আটকে রাখেন। পরে কৌশলে সে ঘর থেকে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় এলাকায় চরম ক্ষোভ ও উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। খবর পেয়ে সালথা থানার পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বাবলুর রহমান খান বলেন, এ ঘটনায় অভিযুক্ত খায়েরকে একমাত্র আসামি করে শিশুটির মা বাদী হয়ে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে থানায় একটি মামলা দায়েরের প্রস
ফরিদপুরের সালথায় ৯ বছরের এক শিশুকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। শিশুটি স্থানীয় একটি মহিলা মাদ্রাসার ছাত্রী।
শনিবার (২৩ মে) দুপুর দুইটার দিকে উপজেলার একটি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
ধর্ষণচেষ্টায় অভিযুক্ত হলেন- উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের বারাংকুলা গ্রামের বাসিন্দা মো.খায়ের দাঈ (৩৫)। তিনি ওই গ্রামের বাসিন্দা মমিন দাঈয়ের ছেলে। খায়ের বাড়ির পাশে একটি মুদি দোকান পরিচালনা করেন।
ভুক্তভোগী শিশুটির মা বলেন, আজ দুপুরে শিশুটি বাড়ির পাশে আম কুড়াতে গিয়েছিল। এ সময় রামদা দিয়ে তার মুখ আটকে ধরে ভয়ভীতি দেখিয়ে বাগানে নিয়ে যায় খায়ের। সেখানে তাকে ধর্ষণের চেষ্টা চালানো হয়।
স্থানীয়রা জানায়, এ ঘটনা স্থানীয়রা দেখে ফেললে অভিযুক্ত খায়েরকে একটি ঘরে আটকে রাখেন। পরে কৌশলে সে ঘর থেকে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় এলাকায় চরম ক্ষোভ ও উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। খবর পেয়ে সালথা থানার পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বাবলুর রহমান খান বলেন, এ ঘটনায় অভিযুক্ত খায়েরকে একমাত্র আসামি করে শিশুটির মা বাদী হয়ে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে থানায় একটি মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আটকের জন্য পুলিশ অভিযান শুরু করেছে।
What's Your Reaction?