অস্ত্রোপচারের পর রোগীর মৃত্যু

যশোর শহরের একটি বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নাকের হাড় বাঁকা (ডিএনএস) অস্ত্রোপচারের পর এক রোগীর মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (২৬ জানুয়ারি) রাতে যশোরের স্ক্যান হসপিটাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে এ ঘটনা ঘটে। নিহত ব্যক্তির নাম আবুল হোসেন (৪০)। তিনি ঝিনাইদহ জেলার মহেশপুর উপজেলার ধান্যহাড়ীয়া গ্রামের আবু ছিদ্দিকের ছেলে। নিহতের স্ত্রী ফুলমতি বলেন, অপারেশন শেষে বেডে দেওয়ার পর আমার স্বামীর গলা দিয়ে রক্ত বের হচ্ছিল এবং বমি বমি ভাব হচ্ছিল। এ সময় দায়িত্বে থাকা নার্স এসে প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী দুটি ইনজেকশন পুশ করেন। ইনজেকশন দেওয়ার পরপরই তিনি ছটফট করতে শুরু করেন। পরে অক্সিজেন দেওয়া হলেও ১৫ মিনিটের মধ্যেই তার মৃত্যু হয়। নিহতের চাচাতো ভাই নজরুল ইসলাম জানান, সোমবার সন্ধ্যায় ১৫ হাজার টাকার চুক্তিতে আবুল হোসেনের ডিএনএস অপারেশন করা হয়। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে তাকে অপারেশন থিয়েটারে নেওয়া হয়। রাত ৮টার দিকে বেডে আনার পর থেকেই তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে থাকে। অক্সিজেন দেওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই তিনি মারা যান। স্বজনদের অভিযোগ, মৃত্যুর পর দ্রুত একটি অ্যাম্বুলেন্সে করে মরদেহ বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হয় এবং চিকিৎসকের প্র

অস্ত্রোপচারের পর রোগীর মৃত্যু
যশোর শহরের একটি বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নাকের হাড় বাঁকা (ডিএনএস) অস্ত্রোপচারের পর এক রোগীর মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (২৬ জানুয়ারি) রাতে যশোরের স্ক্যান হসপিটাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে এ ঘটনা ঘটে। নিহত ব্যক্তির নাম আবুল হোসেন (৪০)। তিনি ঝিনাইদহ জেলার মহেশপুর উপজেলার ধান্যহাড়ীয়া গ্রামের আবু ছিদ্দিকের ছেলে। নিহতের স্ত্রী ফুলমতি বলেন, অপারেশন শেষে বেডে দেওয়ার পর আমার স্বামীর গলা দিয়ে রক্ত বের হচ্ছিল এবং বমি বমি ভাব হচ্ছিল। এ সময় দায়িত্বে থাকা নার্স এসে প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী দুটি ইনজেকশন পুশ করেন। ইনজেকশন দেওয়ার পরপরই তিনি ছটফট করতে শুরু করেন। পরে অক্সিজেন দেওয়া হলেও ১৫ মিনিটের মধ্যেই তার মৃত্যু হয়। নিহতের চাচাতো ভাই নজরুল ইসলাম জানান, সোমবার সন্ধ্যায় ১৫ হাজার টাকার চুক্তিতে আবুল হোসেনের ডিএনএস অপারেশন করা হয়। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে তাকে অপারেশন থিয়েটারে নেওয়া হয়। রাত ৮টার দিকে বেডে আনার পর থেকেই তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে থাকে। অক্সিজেন দেওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই তিনি মারা যান। স্বজনদের অভিযোগ, মৃত্যুর পর দ্রুত একটি অ্যাম্বুলেন্সে করে মরদেহ বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হয় এবং চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশনসহ সব কাগজপত্র ডায়াগনস্টিক সেন্টারের লোকজন নিয়ে রাখে। স্ক্যান হসপিটাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মালিক বিপু বলেন, আবুল হোসেন আমার পরিচিত ছিলেন। যশোর সদরের একজন ডাক্তার তার অপারেশন করেছেন। তিনি হার্টফেলে মারা গেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে মৃত্যুর ঘটনাটি অস্বাভাবিক। আমার পক্ষ থেকে পরিবারকে কিছু সহায়তা করা হয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow