‘অ্যানি’র ট্রেলারেই বাজিমাত, দর্শক বলছে, ‘এ যেন এক নতুন সাইমন’
পাঁচ বছর বিরতির পর নতুন কাজ নিয়ে ফিরেছেন আন্তর্জাতিকভাবে প্রশংসিত নির্মাতা আবদুল্লাহ মোহাম্মদ সাদ। তার নির্মিত ওয়েব সিরিজ অ্যানি ইতোমধ্যে বিশ্বের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ সিরিজ উৎসব সিরিজ ক্যাম্প ফেস্টিভ্যালের ‘ওমেন ইন সিরিজ’ বিভাগে ওয়ার্ল্ড প্রিমিয়ার হয়েছে। আর সেই সিরিজে ভিন্নধর্মী এক চরিত্রে অভিনয় করে আলোচনায় এসেছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত অভিনেতা সাইমন সাদিক। সম্প্রতি প্রকাশিত ট্রেলারে সাইমনের নতুন লুক ও অভিনয় দর্শকদের দৃষ্টি কাড়ে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তার চরিত্র নিয়ে চলছে আলোচনা। অনেকেই বলছেন, ‘অ্যানি’তে একেবারেই নতুন এক সাইমনকে দেখা যাচ্ছে। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত সাইমন জানান, কাস্টিং ডিরেক্টর ইয়াসিরের একটি ফোন কল থেকেই শুরু হয় তার ‘অ্যানি’ যাত্রা। পরে নির্মাতা আবদুল্লাহ মোহাম্মদ সাদের সঙ্গে বৈঠক এবং স্ক্রিপ্ট পাঠের মধ্য দিয়ে তিনি সিরিজটির সঙ্গে যুক্ত হন। সাইমনের ভাষ্য, ওয়েব সিরিজে অভিনয়ের জন্য এর আগে অনেক প্রস্তাব এলেও তিনি এমন একটি কাজের অপেক্ষায় ছিলেন, যা তাকে নতুনভাবে উপস্থাপন করবে। সেই জায়গা থেকেই ‘অ্যানি’ তাকে আকৃষ্ট করেছে। তিনি বলেন, ‘আমি সবসময় এমন কাজ করত
পাঁচ বছর বিরতির পর নতুন কাজ নিয়ে ফিরেছেন আন্তর্জাতিকভাবে প্রশংসিত নির্মাতা আবদুল্লাহ মোহাম্মদ সাদ। তার নির্মিত ওয়েব সিরিজ অ্যানি ইতোমধ্যে বিশ্বের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ সিরিজ উৎসব সিরিজ ক্যাম্প ফেস্টিভ্যালের ‘ওমেন ইন সিরিজ’ বিভাগে ওয়ার্ল্ড প্রিমিয়ার হয়েছে। আর সেই সিরিজে ভিন্নধর্মী এক চরিত্রে অভিনয় করে আলোচনায় এসেছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত অভিনেতা সাইমন সাদিক।
সম্প্রতি প্রকাশিত ট্রেলারে সাইমনের নতুন লুক ও অভিনয় দর্শকদের দৃষ্টি কাড়ে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তার চরিত্র নিয়ে চলছে আলোচনা। অনেকেই বলছেন, ‘অ্যানি’তে একেবারেই নতুন এক সাইমনকে দেখা যাচ্ছে।
বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত সাইমন জানান, কাস্টিং ডিরেক্টর ইয়াসিরের একটি ফোন কল থেকেই শুরু হয় তার ‘অ্যানি’ যাত্রা। পরে নির্মাতা আবদুল্লাহ মোহাম্মদ সাদের সঙ্গে বৈঠক এবং স্ক্রিপ্ট পাঠের মধ্য দিয়ে তিনি সিরিজটির সঙ্গে যুক্ত হন।
সাইমনের ভাষ্য, ওয়েব সিরিজে অভিনয়ের জন্য এর আগে অনেক প্রস্তাব এলেও তিনি এমন একটি কাজের অপেক্ষায় ছিলেন, যা তাকে নতুনভাবে উপস্থাপন করবে। সেই জায়গা থেকেই ‘অ্যানি’ তাকে আকৃষ্ট করেছে।
তিনি বলেন, ‘আমি সবসময় এমন কাজ করতে চেয়েছি, যা দর্শকের মনে দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলবে। সাদ ভাইয়ের কাজের ধরন এবং গল্প বলার ভাষা আমাকে মুগ্ধ করেছে।’
চরিত্রটির প্রস্তুতিও ছিল ব্যতিক্রমী। প্রথমে একটি ধারণা নিয়ে কাজ শুরু হলেও পরে পরিচালক চরিত্রটিকে আরও গভীরভাবে নির্মাণ করেন। সাইমনের অভিনয় পর্যবেক্ষণ করে সংলাপ ও চরিত্রের কিছু দিকেও পরিবর্তন আনা হয়।
অভিনেতার মতে, পুরো প্রক্রিয়াটি ছিল শেখার এবং নিজেকে নতুনভাবে আবিষ্কারের এক দারুণ অভিজ্ঞতা।
‘অ্যানি’র প্রায় পুরো টিমই তার কাছে নতুন ছিল। সহশিল্পীদের মধ্যে ছিলেন তুষি, সারিকা, ইয়াশসহ আরও অনেকে। তবে শুটিংয়ের সময় কখনোই নিজেকে আলাদা মনে হয়নি বলে জানান তিনি।
চরিত্রটির জন্য আলাদা শারীরিক প্রস্তুতিও নিয়েছিলেন সাইমন। কয়েক মাস ধরে লম্বা চুল ও দাড়ি রেখে চরিত্রটির লুক তৈরি করেন তিনি। দর্শক যে ‘নতুন সাইমন’কে দেখছেন, তার কৃতিত্ব পুরোপুরি পরিচালককে দিতে চান এই অভিনেতা।
তিনি বলেন, ‘আজ সবাই বলছে নতুন সাইমনকে দেখছে। আমি মনে করি, এর পুরো কৃতিত্ব পরিচালকের। তিনি জানতেন চরিত্রটিকে ঠিক কীভাবে পর্দায় তুলে ধরতে চান।’
দীর্ঘদিন পর নতুন কাজ দর্শকদের সামনে আসছে বলে উচ্ছ্বসিত সাইমন। একই সঙ্গে অভিনয় এবং দেশের সহকর্মীদেরও ভীষণ মিস করেন বলে জানান তিনি।
আলাপচারিতায় ভবিষ্যতে পরিচালনায় আসার ইঙ্গিতও দিয়েছেন এই অভিনেতা। জানিয়েছেন, একটি চলচ্চিত্রের কিছু অংশের শুটিং ইতোমধ্যে সম্পন্ন করেছেন। তবে আপাতত সে বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে চান না।
সবশেষে ‘অ্যানি’ টিমের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে সাইমন বলেন, সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টাতেই সিরিজটি বিশেষ কিছু হয়ে উঠেছে। তার বিশ্বাস, দর্শকেরাও ‘অ্যানি’কে ভিন্নধর্মী একটি কাজ হিসেবে গ্রহণ করবেন।
এলআইএ
What's Your Reaction?