অ্যাম্বুলেন্সে করে কেন্দ্রে এসে ভোট দিলেন প্রার্থীর অসুস্থ মা

কুমিল্লা-৫ (বুড়িচং-ব্রাহ্মণপাড়া) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী জসীমউদ্দীনের মা ৮৫ বছর বয়সী আনোয়ারা বেগম অসুস্থ শরীর নিয়েই ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। দীর্ঘ ২৩ মাস ধরে তিনি অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় বেশিরভাগ সময়ই তাকে হাসপাতালে বিছানায় কাটাতে হয়েছে। তবে ছেলে নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ায় তাকে ভোট দেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেন আনোয়ারা বেগম। মায়ের সেই ইচ্ছাকে গুরুত্ব দিয়ে ঢাকা থেকে বিশেষ ব্যবস্থায় অ্যাম্বুলেন্সে করে তাকে কুমিল্লায় আনা হয়। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার শশীদল ইউনিয়নের বাগড়া দারুল উলুম ফাজিল ডিগ্রি মাদ্রাসা কেন্দ্রে পৌঁছান তিনি। ভোটকেন্দ্রে আনার সময়ও তার মুখে অক্সিজেন মাস্ক লাগানো ছিল। শারীরিক দুর্বলতার কারণে কেন্দ্রে প্রবেশ না করে প্রিজাইডিং অফিসারের অনুমতিক্রমে পোলিং কর্মকর্তারা ব্যালট পেপার অ্যাম্বুলেন্সে নিয়ে যান। সেখানেই তিনি ব্যালটে সিল দিয়ে টিপসই প্রদান করেন। এ সময় উপস্থিত লোকজনের মধ্যে আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। মায়ের এমন আগ্রহে আপ্লুত হয়ে বিএনপির প্রার্থী জসীমউদ্দীন বলেন, ‘দীর্

অ্যাম্বুলেন্সে করে কেন্দ্রে এসে ভোট দিলেন প্রার্থীর অসুস্থ মা

কুমিল্লা-৫ (বুড়িচং-ব্রাহ্মণপাড়া) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী জসীমউদ্দীনের মা ৮৫ বছর বয়সী আনোয়ারা বেগম অসুস্থ শরীর নিয়েই ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন।

দীর্ঘ ২৩ মাস ধরে তিনি অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় বেশিরভাগ সময়ই তাকে হাসপাতালে বিছানায় কাটাতে হয়েছে।

তবে ছেলে নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ায় তাকে ভোট দেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেন আনোয়ারা বেগম। মায়ের সেই ইচ্ছাকে গুরুত্ব দিয়ে ঢাকা থেকে বিশেষ ব্যবস্থায় অ্যাম্বুলেন্সে করে তাকে কুমিল্লায় আনা হয়।

বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার শশীদল ইউনিয়নের বাগড়া দারুল উলুম ফাজিল ডিগ্রি মাদ্রাসা কেন্দ্রে পৌঁছান তিনি।

ভোটকেন্দ্রে আনার সময়ও তার মুখে অক্সিজেন মাস্ক লাগানো ছিল। শারীরিক দুর্বলতার কারণে কেন্দ্রে প্রবেশ না করে প্রিজাইডিং অফিসারের অনুমতিক্রমে পোলিং কর্মকর্তারা ব্যালট পেপার অ্যাম্বুলেন্সে নিয়ে যান। সেখানেই তিনি ব্যালটে সিল দিয়ে টিপসই প্রদান করেন।

এ সময় উপস্থিত লোকজনের মধ্যে আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। মায়ের এমন আগ্রহে আপ্লুত হয়ে বিএনপির প্রার্থী জসীমউদ্দীন বলেন, ‘দীর্ঘ ২৩ মাস ধরে আমার মা হাসপাতালের বিছানায় ছিলেন। অসুস্থতার মধ্যেও তিনি আমাকে ভোট দেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেন। তার সেই ইচ্ছাকে সম্মান জানিয়েই ঢাকা থেকে অ্যাম্বুলেন্সে করে কেন্দ্রে নিয়ে এসেছি। ভোট দিতে পেরে তিনি খুবই আনন্দিত।’

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow