আইআরজিসির সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের গোপন বৈঠকের খবরে ইরানের প্রতিক্রিয়া
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) নেতৃত্বের মধ্যে গোপন যোগাযোগ বা বৈঠকের খবরকে সম্পূর্ণ বানোয়াট বলে দাবি করেছে তেহরান। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘায়ি বলেছেন, এ ধরনের খবর ইসলামি প্রজাতন্ত্রের সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে বিভেদ তৈরির লক্ষ্যে পরিচালিত মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধের অংশ। খবর আইআরএনএর।
সোমবার (১৭ আগস্ট) তেহরানে সাপ্তাহিক সংবাদ সম্মেলনে মার্কিন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন নিয়ে প্রশ্নের জবাবে বাঘাই এসব কথা বলেন।
ওই প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছিল, মে মাসে ইরাকের কুর্দিস্তান অঞ্চলের কর্মকর্তাদের মাধ্যমে ওয়াশিংটন আইআরজিসি নেতৃত্বের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেছিল।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, সে সময় ইরানি আলোচকেরা যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদের সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধের লক্ষ্যে আলোচনা করছিলেন। ওই আলোচনার বিষয়ে আইআরজিসির অবস্থান ইরানি আলোচকদের অবস্থানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কি না, তা জানতে যুক্তরাষ্ট্র যোগাযোগের চেষ্টা করেছিল বলে দাবি করা হয়।
তবে বাঘায়ি বলেন, ইরবিলে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে কোনো গোপন বৈঠকের খবর সম্পূর্ণ বানোয়াট। তিনি
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) নেতৃত্বের মধ্যে গোপন যোগাযোগ বা বৈঠকের খবরকে সম্পূর্ণ বানোয়াট বলে দাবি করেছে তেহরান। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘায়ি বলেছেন, এ ধরনের খবর ইসলামি প্রজাতন্ত্রের সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে বিভেদ তৈরির লক্ষ্যে পরিচালিত মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধের অংশ। খবর আইআরএনএর।
সোমবার (১৭ আগস্ট) তেহরানে সাপ্তাহিক সংবাদ সম্মেলনে মার্কিন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন নিয়ে প্রশ্নের জবাবে বাঘাই এসব কথা বলেন।
ওই প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছিল, মে মাসে ইরাকের কুর্দিস্তান অঞ্চলের কর্মকর্তাদের মাধ্যমে ওয়াশিংটন আইআরজিসি নেতৃত্বের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেছিল।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, সে সময় ইরানি আলোচকেরা যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদের সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধের লক্ষ্যে আলোচনা করছিলেন। ওই আলোচনার বিষয়ে আইআরজিসির অবস্থান ইরানি আলোচকদের অবস্থানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কি না, তা জানতে যুক্তরাষ্ট্র যোগাযোগের চেষ্টা করেছিল বলে দাবি করা হয়।
তবে বাঘায়ি বলেন, ইরবিলে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে কোনো গোপন বৈঠকের খবর সম্পূর্ণ বানোয়াট। তিনি বলেন, অন্য প্রতিবেদনটিও একটি মিডিয়া কৌশল ও মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধ, যার উদ্দেশ্য ইসলামি প্রজাতন্ত্রের সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করা।
ইরানের এই শীর্ষ কূটনীতিক বলেন, যুদ্ধ ও শান্তির প্রশ্নে গত ছয় মাসে ইরানের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও বিভাগের মধ্যে নজিরবিহীন ঐক্য ও সংহতি দেখা গেছে।
তিনি বলেন, ইরানের আলোচনাকারী দলকে দেশটির সব প্রতিষ্ঠান, এমনকি প্রতিরক্ষা খাতের প্রতিষ্ঠানগুলোও আস্থা করে। আলোচনার বিষয়ে যেকোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে রাষ্ট্রের বিভিন্ন অংশের মতামত বিবেচনায় নেওয়া হবে।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আরও বলেন, দেশটির সিদ্ধান্ত গ্রহণ একটি প্রতিষ্ঠানভিত্তিক প্রক্রিয়া। পররাষ্ট্রনীতিসংক্রান্ত বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সব দিক বিবেচনায় নিয়ে প্রতিষ্ঠানগুলোই সর্বোত্তম সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।
সূত্র : আইআরএনএ