আইনজীবী আলিফ হত্যা : বিস্ফোরক মামলার তদন্তভার ডিবি থেকে পিবিআইতে
বাংলাদেশ সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের জামিন নামঞ্জুরকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রাম আদালত প্রাঙ্গণে সংঘটিত সহিংসতা ও বিস্ফোরক মামলার তদন্তভার মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) থেকে সরিয়ে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
বুধবার (১৩ মে) চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট আবু বকর সিদ্দিক এ আদেশ দেন।
জানা গেছে, মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) উত্তর বিভাগের সহকারী কমিশনার মো. মোস্তফা কামাল শুনানির সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন। মামলার অগ্রগতি নিয়ে আদালতের জিজ্ঞাসাবাদের মুখে তিনি সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে পারেননি। এ প্রেক্ষিতে আদালত অধিকতর সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের স্বার্থে পিবিআইকে দায়িত্ব গ্রহণের নির্দেশ দেন।
আদালতের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর মো. রায়হানুল ওয়াজেদ চৌধুরী কালবেলাকে বলেন, তদন্তে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি না হওয়া এবং তদন্ত কার্যক্রম নিয়ে অসন্তোষের কারণে মামলার বাদী তদন্তকারী সংস্থা পরিবর্তনের আবেদন করেছিলেন। আদালত সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে পিবিআইকে তদন্তভার প্রদান করেন।
উল্লেখ্য, ২০২৪
বাংলাদেশ সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের জামিন নামঞ্জুরকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রাম আদালত প্রাঙ্গণে সংঘটিত সহিংসতা ও বিস্ফোরক মামলার তদন্তভার মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) থেকে সরিয়ে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
বুধবার (১৩ মে) চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট আবু বকর সিদ্দিক এ আদেশ দেন।
জানা গেছে, মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) উত্তর বিভাগের সহকারী কমিশনার মো. মোস্তফা কামাল শুনানির সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন। মামলার অগ্রগতি নিয়ে আদালতের জিজ্ঞাসাবাদের মুখে তিনি সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে পারেননি। এ প্রেক্ষিতে আদালত অধিকতর সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের স্বার্থে পিবিআইকে দায়িত্ব গ্রহণের নির্দেশ দেন।
আদালতের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর মো. রায়হানুল ওয়াজেদ চৌধুরী কালবেলাকে বলেন, তদন্তে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি না হওয়া এবং তদন্ত কার্যক্রম নিয়ে অসন্তোষের কারণে মামলার বাদী তদন্তকারী সংস্থা পরিবর্তনের আবেদন করেছিলেন। আদালত সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে পিবিআইকে তদন্তভার প্রদান করেন।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ২৬ নভেম্বর রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের জামিন নামঞ্জুর হওয়ার পর আদালত প্রাঙ্গণে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করে। ওইদিন সংঘর্ষ চলাকালে আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়।
হত্যাকাণ্ডের চার দিন পর নিহত আলিফের ভাই খানে আলম বিস্ফোরক আইনে মামলাটি করেন। মামলার এজাহারে শতাধিক নামীয় এবং ৪০০ থেকে ৫০০ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে আসামি করা হয়।