আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে ফেরা প্রসঙ্গে যা বললেন মির্জা ফখরুল

আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে ফেরার বিষয়টি রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের ওপরই ছেড়ে দিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। শুক্রবার গুলশানে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে ফেরা প্রসঙ্গে জানতে চাইলে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আওয়ামী লীগের ব্যাপারে তো নির্বাচন কমিশন পরিষ্কার সিদ্ধান্ত ইতিমধ্যে নিয়েছে। তাদের কার্যক্রম সরকার নিষিদ্ধ করেছে। পরবর্তীকালে বিভিন্ন রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট থেকেই উঠে আসবে আওয়ামী লীগের বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত।’ দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠনের দ্বারপ্রান্তে আছে বিএনপি। এ বিষয়ে অনুভূতি জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘অনুভূতি তো আনন্দময়। একই সঙ্গে বিষাদময় এই জন্য যে আমাদের দলের প্রয়াত চেয়ারপারসন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এই অভূতপূর্ব বিজয় দেখে যেতে পারলেন না। অনেক শত, হাজার প্রাণের বিনিময়ে এই নির্বাচন। এটি চমৎকার ও স্বচ্ছ একটি নির্বাচন হয়েছে।’ মির্জা ফখরুল আরও বলেন, ‘ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে বলছি, আমি এই বিজয়ে নিশ্চিতভাবেই মুগ্ধ ও অভিভূত। এই ধারা যদি আমরা অব্যাহত রাখতে পারি, তবে গণতন্ত্র রক্ষা করতে পারব। সামনে আমাদের বড় চ্যালেঞ্জ—অর্থনীতিকে

আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে ফেরা প্রসঙ্গে যা বললেন মির্জা ফখরুল

আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে ফেরার বিষয়টি রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের ওপরই ছেড়ে দিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। শুক্রবার গুলশানে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে ফেরা প্রসঙ্গে জানতে চাইলে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আওয়ামী লীগের ব্যাপারে তো নির্বাচন কমিশন পরিষ্কার সিদ্ধান্ত ইতিমধ্যে নিয়েছে। তাদের কার্যক্রম সরকার নিষিদ্ধ করেছে। পরবর্তীকালে বিভিন্ন রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট থেকেই উঠে আসবে আওয়ামী লীগের বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত।’

দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠনের দ্বারপ্রান্তে আছে বিএনপি। এ বিষয়ে অনুভূতি জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘অনুভূতি তো আনন্দময়। একই সঙ্গে বিষাদময় এই জন্য যে আমাদের দলের প্রয়াত চেয়ারপারসন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এই অভূতপূর্ব বিজয় দেখে যেতে পারলেন না। অনেক শত, হাজার প্রাণের বিনিময়ে এই নির্বাচন। এটি চমৎকার ও স্বচ্ছ একটি নির্বাচন হয়েছে।’

মির্জা ফখরুল আরও বলেন, ‘ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে বলছি, আমি এই বিজয়ে নিশ্চিতভাবেই মুগ্ধ ও অভিভূত। এই ধারা যদি আমরা অব্যাহত রাখতে পারি, তবে গণতন্ত্র রক্ষা করতে পারব। সামনে আমাদের বড় চ্যালেঞ্জ—অর্থনীতিকে সচল করা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা এবং দুর্নীতি দমন করা।’

ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের মুখে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়। পরে দলটির কার্যক্রমে নিষেধাজ্ঞা দেয় অন্তর্বর্তী সরকার। কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে পারেনি দলটি।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow