আওয়ামী লীগের রাজনীতি করা বিষয়ে যে বার্তা দিলেন সাকিব
চব্বিশ জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের সময় ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের সংসদ সদস্য ছিলেন সাকিব আল হাসান। বর্তমানে দলের কার্যক্রম স্থগিত থাকায় তিনি রাজনীতিতে সক্রিয় নন। তবে, দলীয় কার্যক্রম পুনরায় শুরু হলে রাজনীতিতে ফিরে আসার ইচ্ছা তাঁর রয়েছে। এক জাতীয় দৈনিকের সঙ্গে আলাপে সাকিব বলেন, “যেহেতু এখন দলের কার্যক্রম নেই, তাই আমি ক্রিকেটের দিকে মনোযোগ দিচ্ছি। দলের কার্যক্রম শুরু হলে রাজনীতিতে ফিরার সুযোগ থাকবে।” তিনি আরও জানান, “রাজনীতি জীবনভর করা যায়, সময়ের অভাব নেই। কিন্তু ক্রিকেটের ক্যারিয়ার সীমিত। তাই বর্তমানে প্রথমে ক্রিকেটে মনোযোগ দিচ্ছি। তবে রাজনীতির মাধ্যমে মানুষের সাহায্য করতে পারলে খুশি হব, সেই আশাই এখনও আছে।” গত দুই বছরে দেশে ফেরার সুযোগ না পাওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “যে কেউ নিজের দেশে যেতে না পারলে দেশকে মিস করবে। আমিও তাই, দেশকে অনেক মিস করি। আশা করি শিগগিরই ফিরতে পারব, এবং তখন অবশ্যই আনন্দের অনুভূতি হবে।” দেশে ফেরার সম্ভাবনা নিয়ে সাকিব মন্তব্য করেন, “আমি সবসময় আশাবাদী। আইনি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। দ্রুত সবকিছু সমাধান করতে পারলে খুব বেশি সময় লাগবে না। আমি সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি যাতে সবকিছু ঠি
চব্বিশ জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের সময় ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের সংসদ সদস্য ছিলেন সাকিব আল হাসান। বর্তমানে দলের কার্যক্রম স্থগিত থাকায় তিনি রাজনীতিতে সক্রিয় নন। তবে, দলীয় কার্যক্রম পুনরায় শুরু হলে রাজনীতিতে ফিরে আসার ইচ্ছা তাঁর রয়েছে।
এক জাতীয় দৈনিকের সঙ্গে আলাপে সাকিব বলেন, “যেহেতু এখন দলের কার্যক্রম নেই, তাই আমি ক্রিকেটের দিকে মনোযোগ দিচ্ছি। দলের কার্যক্রম শুরু হলে রাজনীতিতে ফিরার সুযোগ থাকবে।”
তিনি আরও জানান, “রাজনীতি জীবনভর করা যায়, সময়ের অভাব নেই। কিন্তু ক্রিকেটের ক্যারিয়ার সীমিত। তাই বর্তমানে প্রথমে ক্রিকেটে মনোযোগ দিচ্ছি। তবে রাজনীতির মাধ্যমে মানুষের সাহায্য করতে পারলে খুশি হব, সেই আশাই এখনও আছে।”
গত দুই বছরে দেশে ফেরার সুযোগ না পাওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “যে কেউ নিজের দেশে যেতে না পারলে দেশকে মিস করবে। আমিও তাই, দেশকে অনেক মিস করি। আশা করি শিগগিরই ফিরতে পারব, এবং তখন অবশ্যই আনন্দের অনুভূতি হবে।”
দেশে ফেরার সম্ভাবনা নিয়ে সাকিব মন্তব্য করেন, “আমি সবসময় আশাবাদী। আইনি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। দ্রুত সবকিছু সমাধান করতে পারলে খুব বেশি সময় লাগবে না। আমি সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি যাতে সবকিছু ঠিক হয়ে যায় এবং দেশে ফিরতে পারি।”
বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের বর্তমান পরিস্থিতি এবং বিশ্বকাপে অংশ নিতে না পারার বিষয়েও তিনি বলেন, “বিশ্বকাপে খেলতে না পারা অবশ্যই হতাশাজনক ছিল। সেই সময়ে সরকারের নেওয়া কিছু সিদ্ধান্তের কারণে এটি সম্ভব হয়নি। বিসিবি তার ওপর কোনো দায়িত্ব নেবে না। মূল দায় সরকারের উপরেই বর্তায়, কারণ তাদের সিদ্ধান্তের কারণে আমরা বিশ্বকাপে খেলতে পারিনি।”
মাঠের ক্রিকেট আর কতদিন চালিয়ে যাবেন- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘খেলার প্রতি আমার আগ্রহ এখনো আগের মতোই অটুট আছে, তাই চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। যেদিন দেখব আর আগ্রহ নেই, সেদিন নিজ থেকেই সরে দাঁড়াব।’
উল্লেখ্য, চব্বিশের জুলাইয়ে অভ্যুত্থান চলাকালে রাজপথে ছাত্র-জনতার রক্তক্ষয় দেখলেও সাকিব নীরব ছিলেন, যা সেসময় বেশিরভাগ সাধারণ মানুষ এবং ভক্তদের ক্ষোভের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। অভ্যুত্থানের পরও কিছু মানুষ তার দেশে ফেরা প্রতিহত করার চেষ্টা করেছে।
What's Your Reaction?