আখের অভাবে বন্ধ হলো নর্থ বেঙ্গল সুগার মিল

আখের অভাবে লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ব্যর্থ হয়ে ১৩ কর্মদিবস আগেই মাড়াই বন্ধ হলো নাটোরের লালপুরের নর্থ বেঙ্গল সুগার মিলে। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে আনুষ্ঠানিকভাবে মাড়াই কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করা হয়। এর আগে গত বছরের ১০ নভেম্বর এই মিলে চলতি মৌসুমের (২০২৫-২৬) আখ মাড়াই শুরু করা হয়। মিল সূত্র জানায়, চলতি মৌসুমে মাড়াইয়ের শুরুতে ২ লাখ মেট্রিক টন আখ মাড়াই করে ১২১ কর্মদিবসে ১৩ হাজার মেট্রিক টন চিনি উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। চিনি আহরণের হার ধরা হয়েছিল ৬ দশমিক ৫ ভাগ। অন্যদিকে গত ২৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ১০৮ কর্মদিবসে দৈনিক প্রায় ১ হাজার ৬০০ মেট্রিক টন হারে মোট ১ লাখ ৭২ হাজার মেট্রিক টন আখ মাড়াই করা হয়েছে। এসময় প্রায় ৯ হাজার ৬০০ মেট্রিক টন চিনি উৎপাদিত হয়েছে। চিনি আহরণের হার অর্জিত হয়েছে ৫ দশমিক ৬ ভাগ। মিলের মহাব্যবস্থাপক (কৃষি) আসহাব উদ্দিন জানান, চলতি মৌসুমে মিল এলাকায় ১৮ হাজার একর জমিতে চাষ করে ২ লাখ মেট্রিক টন আখ সরবরাহ লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। আমাদের পর্যাপ্ত পরিমাণ আখ থাকা সত্ত্বেও আশপাশের দুইটি মিল নাটোর এবং রাজশাহী সুগার মিলে দালালদের মাধ্যমে হাজার হা

আখের অভাবে বন্ধ হলো নর্থ বেঙ্গল সুগার মিল

আখের অভাবে লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ব্যর্থ হয়ে ১৩ কর্মদিবস আগেই মাড়াই বন্ধ হলো নাটোরের লালপুরের নর্থ বেঙ্গল সুগার মিলে।

সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে আনুষ্ঠানিকভাবে মাড়াই কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করা হয়। এর আগে গত বছরের ১০ নভেম্বর এই মিলে চলতি মৌসুমের (২০২৫-২৬) আখ মাড়াই শুরু করা হয়।

মিল সূত্র জানায়, চলতি মৌসুমে মাড়াইয়ের শুরুতে ২ লাখ মেট্রিক টন আখ মাড়াই করে ১২১ কর্মদিবসে ১৩ হাজার মেট্রিক টন চিনি উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। চিনি আহরণের হার ধরা হয়েছিল ৬ দশমিক ৫ ভাগ। অন্যদিকে গত ২৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ১০৮ কর্মদিবসে দৈনিক প্রায় ১ হাজার ৬০০ মেট্রিক টন হারে মোট ১ লাখ ৭২ হাজার মেট্রিক টন আখ মাড়াই করা হয়েছে। এসময় প্রায় ৯ হাজার ৬০০ মেট্রিক টন চিনি উৎপাদিত হয়েছে। চিনি আহরণের হার অর্জিত হয়েছে ৫ দশমিক ৬ ভাগ।

মিলের মহাব্যবস্থাপক (কৃষি) আসহাব উদ্দিন জানান, চলতি মৌসুমে মিল এলাকায় ১৮ হাজার একর জমিতে চাষ করে ২ লাখ মেট্রিক টন আখ সরবরাহ লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। আমাদের পর্যাপ্ত পরিমাণ আখ থাকা সত্ত্বেও আশপাশের দুইটি মিল নাটোর এবং রাজশাহী সুগার মিলে দালালদের মাধ্যমে হাজার হাজার মেট্রিক টন আখ চলে যাওয়ায় আমরা এবার লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে পারিনি। এসময় প্রতি কুইন্টালে ২৫ টাকা বৃদ্ধি করে ৬০০ থেকে ৬২৫ টাকা করা হয়। চলতি মৌসুমে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে ১৫ হাজার আখ চাষিদের বিল পরিশোধ করা হয়। এছাড়া এই মৌসুমে চাষিদের মাঝে ১৫ কোটি টাকা বিতরণ করা হয়।

রেজাউল করিম রেজা/এফএ/এমএস

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow