আগামীর জন্য বিনিয়োগ: সিঙ্গার বাংলাদেশের নতুন যুগ

তুরস্কের কচ হোল্ডিং-এর ফ্ল্যাগশিপ প্রতিষ্ঠান বেকো’র সহযোগী প্রতিষ্ঠান সিঙ্গার বাংলাদেশ লিমিটেড গত কয়েক বছরে বাংলাদেশী ভোক্তাদের অভিজ্ঞতা আরও উন্নত করতে একাধিক রূপান্তরমূলক উদ্যোগ গ্রহণ করেছে, যা মানসম্মত পণ্য ও উৎকর্ষতার প্রতি প্রতিষ্ঠানটির দীর্ঘদিনের প্রতিশ্রুতিরই প্রতিফলন। এই রূপান্তরের অংশ হিসেবে সিঙ্গার চালু করেছে অত্যাধুনিক উৎপাদন কারখানা, দেশের প্রথম কনসেপ্ট স্টোর ও ফ্ল্যাগশিপ স্টোর এবং প্রতিষ্ঠানের নতুন ভাবনাকে প্রতিফলিত করে এমন আধুনিক কর্মস্থল। সম্প্রতি প্রতিষ্ঠানটি ইউরোপীয় বাজারে রপ্তানি কার্যক্রম শুরু করেছে এবং নিজস্ব কারখানায় প্রথমবারের মতো এয়ার কন্ডিশনার উৎপাদন চালু করেছে। সামাজিক ও অর্থনৈতিক নানা চ্যালেঞ্জের মধ্যেও ২০২৫ সালে সিঙ্গার বাংলাদেশ ১৪.৩ শতাংশ রাজস্ব প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির স্থূল মুনাফা বেড়েছে ২১৪ মিলিয়ন টাকা, যা সিঙ্গারের টেকসই প্রবৃদ্ধি ও ভবিষ্যৎমুখী বিনিয়োগের স্পষ্ট প্রমাণ। সিঙ্গার বাংলাদেশ ভবিষ্যত ব্যবসায় প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য নিয়ে বিনিয়োগ করছে। গত কয়েক বছরে বড় অঙ্কের বিনিয়োগের কারণে স্বল্পমেয়াদে আর্থিক চাপ দেখা গেলেও, এসব উদ্যোগ

আগামীর জন্য বিনিয়োগ: সিঙ্গার বাংলাদেশের নতুন যুগ

তুরস্কের কচ হোল্ডিং-এর ফ্ল্যাগশিপ প্রতিষ্ঠান বেকো’র সহযোগী প্রতিষ্ঠান সিঙ্গার বাংলাদেশ লিমিটেড গত কয়েক বছরে বাংলাদেশী ভোক্তাদের অভিজ্ঞতা আরও উন্নত করতে একাধিক রূপান্তরমূলক উদ্যোগ গ্রহণ করেছে, যা মানসম্মত পণ্য ও উৎকর্ষতার প্রতি প্রতিষ্ঠানটির দীর্ঘদিনের প্রতিশ্রুতিরই প্রতিফলন। এই রূপান্তরের অংশ হিসেবে সিঙ্গার চালু করেছে অত্যাধুনিক উৎপাদন কারখানা, দেশের প্রথম কনসেপ্ট স্টোর ও ফ্ল্যাগশিপ স্টোর এবং প্রতিষ্ঠানের নতুন ভাবনাকে প্রতিফলিত করে এমন আধুনিক কর্মস্থল।

সম্প্রতি প্রতিষ্ঠানটি ইউরোপীয় বাজারে রপ্তানি কার্যক্রম শুরু করেছে এবং নিজস্ব কারখানায় প্রথমবারের মতো এয়ার কন্ডিশনার উৎপাদন চালু করেছে। সামাজিক ও অর্থনৈতিক নানা চ্যালেঞ্জের মধ্যেও ২০২৫ সালে সিঙ্গার বাংলাদেশ ১৪.৩ শতাংশ রাজস্ব প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির স্থূল মুনাফা বেড়েছে ২১৪ মিলিয়ন টাকা, যা সিঙ্গারের টেকসই প্রবৃদ্ধি ও ভবিষ্যৎমুখী বিনিয়োগের স্পষ্ট প্রমাণ।

সিঙ্গার বাংলাদেশ ভবিষ্যত ব্যবসায় প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য নিয়ে বিনিয়োগ করছে। গত কয়েক বছরে বড় অঙ্কের বিনিয়োগের কারণে স্বল্পমেয়াদে আর্থিক চাপ দেখা গেলেও, এসব উদ্যোগের মূল লক্ষ্য দীর্ঘমেয়াদে টেকসই লাভ নিশ্চিত করা। এই বিনিয়োগ শুধু সিঙ্গার বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধিকেই শক্তিশালী করবে না, বরং বাংলাদেশের মানুষের জীবনমান উন্নয়নেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

২০২৫ সালের শুরুতে বাংলাদেশ স্পেশাল ইকোনমিক জোনে (BSEZ) অত্যাধুনিক হোম অ্যাপ্লায়েন্সেস কারখানা উদ্বোধনের মাধ্যমে সিঙ্গার বাংলাদেশ একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক অর্জন করেছে। ৭৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগে নির্মিত এই কারখানাটি উদ্ভাবন, টেকসই উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির ক্ষেত্রে একটি বড় উদ্যোগ, যেখানে প্রায় ৪,০০০ মানুষের কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা রয়েছে।

ইতোমধ্যে এই কারখানায় স্থানীয় বাজারের জন্য রেফ্রিজারেটর, টেলিভিশন, এয়ার কন্ডিশনার, ওয়াশিং মেশিনসহ বিভিন্ন গৃহস্থালি পণ্যের উৎপাদন শুরু হয়েছে। মোট উৎপাদনের ৯০ শতাংশের বেশি দেশেই হওয়ায় আমদানি নির্ভরতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে। এছাড়া সিঙ্গার বাংলাদেশ লিমিটেড তাদের আধুনিক উৎপাদন কারখানা থেকে ওয়্যার হারনেস কম্পোনেন্টের প্রথম রপ্তানি চালান সফলভাবে সম্পন্ন করেছে। এই অর্জন সিঙ্গার বাংলাদেশের পাশাপাশি দেশের উৎপাদন ও রপ্তানি সক্ষমতার অগ্রযাত্রার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।

গত কয়েক বছরে সিঙ্গার বাংলাদেশের বিনিয়োগগুলো বাজারের পরিবর্তিত চাহিদা মাথায় রেখে কৌশলগতভাবে পরিকল্পিত হয়েছে। এসব উদ্যোগ শিল্পের বিকাশ ত্বরান্বিত করার পাশাপাশি সামাজিক উন্নয়নেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow