আগামী পাঁচ বছরে ৩ লাখ গাছ লাগাবে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) আওতাধীন এলাকায় আগামী পাঁচ বছরে ৩ লাখ বৃক্ষরোপণ করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম।
শুক্রবার (১০ এপ্রিল) 'সৃজনী বাংলাদেশ' আয়োজিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক এলাকায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এই তথ্য জানান।
প্রশাসক বলেন, ‘জীবন বাঁচাতে বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। এজন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দেশব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিকে একটি গণআন্দোলনে রূপান্তর করতে হবে।’
তিনি বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কর্মসূচির সাথে সামঞ্জস্য রেখে ২০২৬ থেকে ২০৩০ মেয়াদে মোট ৩ লক্ষ গাছ লাগানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে প্রতি বছর গড়ে ৬০ হাজার গাছ রোপণ করা হবে। এই বিশাল লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ডিএসসিসি নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় একটি আধুনিক নার্সারি স্থাপনের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এছাড়া, বন অধিদপ্তরের সাথে সম্পাদিত চুক্তির আওতায় ‘জিরো সয়েল’ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে। এর ফলে রাস্তার মিডিয়ান ও আইল্যান্ডগুলো ঘাস এবং গাছের মাধ্যমে সবুজে ঢেকে দেওয়া সম্ভব হবে।’
জনসচেতনতার গুরুত্ব তুলে ধরে আব্দুস সালাম বলেন, ‘নাগরিকরা সচেতন হলে সিটি করপোরেশনের ৫০ শতাংশ কাজ সহজ হয়ে
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) আওতাধীন এলাকায় আগামী পাঁচ বছরে ৩ লাখ বৃক্ষরোপণ করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম।
শুক্রবার (১০ এপ্রিল) 'সৃজনী বাংলাদেশ' আয়োজিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক এলাকায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এই তথ্য জানান।
প্রশাসক বলেন, ‘জীবন বাঁচাতে বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। এজন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দেশব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিকে একটি গণআন্দোলনে রূপান্তর করতে হবে।’
তিনি বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কর্মসূচির সাথে সামঞ্জস্য রেখে ২০২৬ থেকে ২০৩০ মেয়াদে মোট ৩ লক্ষ গাছ লাগানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে প্রতি বছর গড়ে ৬০ হাজার গাছ রোপণ করা হবে। এই বিশাল লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ডিএসসিসি নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় একটি আধুনিক নার্সারি স্থাপনের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এছাড়া, বন অধিদপ্তরের সাথে সম্পাদিত চুক্তির আওতায় ‘জিরো সয়েল’ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে। এর ফলে রাস্তার মিডিয়ান ও আইল্যান্ডগুলো ঘাস এবং গাছের মাধ্যমে সবুজে ঢেকে দেওয়া সম্ভব হবে।’
জনসচেতনতার গুরুত্ব তুলে ধরে আব্দুস সালাম বলেন, ‘নাগরিকরা সচেতন হলে সিটি করপোরেশনের ৫০ শতাংশ কাজ সহজ হয়ে যায়। বাকি ৫০ শতাংশ কাজ আমরা সম্পন্ন করব। সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ‘গ্রিন সিটি, ক্লিন সিটি’ রূপকল্প বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে।’
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম। বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধনের পাশাপাশি প্রশাসক শিক্ষার্থীদের জন্য বিনামূল্যে ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ কর্মসূচিরও উদ্বোধন করেন।