আত্মগোপণে থাকা আ’লীগ নেতাকে শ্বশুরবাড়ি থেকে তুলে নিয়ে রগ কেটে হত্যা
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে শ্বশুরবাড়ি থেকে তুলে নিয়ে মোহাম্মদ শামীম নামে এক আওয়ামী লীগ নেতাকে পিটিয়ে ও রগ কেটে হত্যা করা হয়েছে। বুধবার (৮ এপ্রিল) রাতে উপজেলার মুরাদপুর ইউনিয়নের মধ্য ভাটেরখিল এলাকায় তার শ্বশুরবাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে কুপিয়ে ও রগ কেটে হত্যা করা হয়। শামীম সীতাকুণ্ড পৌরসভার শিবপুর এলাকার আবছারের বাড়ির আবুল মনসুরের ছেলে। তিনি কার্যক্রম নিষিদ্ধ ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্বে ছিলেন। পুলিশ ও পরিবারের দাবি, পূর্ব শত্রুতার জেরে তাকে ঘর থেকে ডেকে নিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে দুই জনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ। নিহতের ভাই মো. সেলিম জানান, অনেক অভাব অনটনে দিন কাটছে শামীমের। দীর্ঘদিন ধরে আওয়ামী লীগ করার কারণে আত্মগোপনে ছিলেন। বুধবার রাতে তার স্ত্রী সীতাকুণ্ড বাজারে কিছু স্বর্ণ বন্ধক রেখে টাকা নিয়ে বাপের বাড়িতে যান। শামীমও সন্ধ্যায় ওখানে (শ্বশুরবাড়ি) যান। রাত আটটার সময় শ্বশুরবাড়িতে যাওয়ার পর তাকে স্থানীয় জাফর ও ইরানের নেতৃত্বে ৩০ থেকে ৪০ জনের একটি অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী দল তুলে নিয়ে কুপিয়ে ও রগ কেটে হত্যা করে। পরে মরদেহ বেড়িবাঁধ তালতলা এলাকায় ফেলে
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে শ্বশুরবাড়ি থেকে তুলে নিয়ে মোহাম্মদ শামীম নামে এক আওয়ামী লীগ নেতাকে পিটিয়ে ও রগ কেটে হত্যা করা হয়েছে।
বুধবার (৮ এপ্রিল) রাতে উপজেলার মুরাদপুর ইউনিয়নের মধ্য ভাটেরখিল এলাকায় তার শ্বশুরবাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে কুপিয়ে ও রগ কেটে হত্যা করা হয়।
শামীম সীতাকুণ্ড পৌরসভার শিবপুর এলাকার আবছারের বাড়ির আবুল মনসুরের ছেলে। তিনি কার্যক্রম নিষিদ্ধ ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্বে ছিলেন।
পুলিশ ও পরিবারের দাবি, পূর্ব শত্রুতার জেরে তাকে ঘর থেকে ডেকে নিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে দুই জনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ।
নিহতের ভাই মো. সেলিম জানান, অনেক অভাব অনটনে দিন কাটছে শামীমের। দীর্ঘদিন ধরে আওয়ামী লীগ করার কারণে আত্মগোপনে ছিলেন। বুধবার রাতে তার স্ত্রী সীতাকুণ্ড বাজারে কিছু স্বর্ণ বন্ধক রেখে টাকা নিয়ে বাপের বাড়িতে যান। শামীমও সন্ধ্যায় ওখানে (শ্বশুরবাড়ি) যান। রাত আটটার সময় শ্বশুরবাড়িতে যাওয়ার পর তাকে স্থানীয় জাফর ও ইরানের নেতৃত্বে ৩০ থেকে ৪০ জনের একটি অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী দল তুলে নিয়ে কুপিয়ে ও রগ কেটে হত্যা করে। পরে মরদেহ বেড়িবাঁধ তালতলা এলাকায় ফেলে রেখে যায়।
তিনি আরও বলেন, ‘আমার ভাইয়ের সঙ্গে অনেকদিন ধরে দ্বন্দ্ব ছিল তাদের। পূর্বশত্রুতার জেরে দ্বন্দ্বকে কাজে লাগিয়ে হত্যা করে জাফর ও ইরানরা।’
সীতাকুণ্ড মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মহিনুল ইসলাম বলেন, হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে দুজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তদন্তের স্বার্থে তাদের নাম এখন প্রকাশ করা হচ্ছে না।
তিনি আরও বলেন, যারা হত্যা করেছে আর যে হত্যার শিকার হয়েছে তাদের কারো পূর্বের রেকর্ড ভালো না। প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনে পুলিশ টিম কাজ করছে।
এম মাঈন উদ্দিন/এফএ/এএসএম
What's Your Reaction?