আদালতের রায়ে স্বস্তিতে সাইফ আলি খান

দীর্ঘ প্রায় আড়াই দশকের আইনি লড়াইয়ের অবসান হলো ভারতের ভোপালের জেলা আদালত। মধ্যপ্রদেশের ভোপালে অবস্থিত ১৬ দশমিক ৬২ একর বিতর্কিত জমি নিয়ে চলা মামলায় চূড়ান্ত জয় পেলেন বলিউড অভিনেতা সইফ আলি খান। শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) আদালত পাতৌদি পরিবারের পক্ষেই রায় দেয় এবং প্রতিপক্ষের সব দাবি খারিজ করে দেয়। ফলে এই জমির মালিকানা নিয়ে দীর্ঘদিনের অনিশ্চয়তা কাটল। ভোপালের নয়াপুরা এলাকার এই জমি নিয়ে বিতর্কের শুরু ১৯৯৮ সালে। সে সময় আকিল আহমেদ ও তার সহযোগীরা আদালতে মামলা করে দাবি করেন, ১৯৩৬ সালে ভোপালের তৎকালীন রাজপরিবারের সদস্য নবাব হামিদুল্লাহ খান তাদের পূর্বপুরুষদের ওই জমি উপহার দিয়েছিলেন। সেই সূত্র ধরেই তারা জমিটির ওপর নিজেদের অধিকার প্রতিষ্ঠার চেষ্টা চালান। তবে দীর্ঘ শুনানি শেষে আদালত সেই দাবি গ্রহণ করেনি। বিচারকদের পর্যবেক্ষণে বলা হয়, মামলাকারীরা তাদের দাবির পক্ষে কোনো গ্রহণযোগ্য নথি বা শক্ত প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেননি। পাশাপাশি প্রায় ৬০ বছর পর মামলা দায়ের করাকেও গুরুতর দেরি হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। রায়ে আদালত স্পষ্ট করে জানায়, জমির মালিকানা সংক্রান্ত দাবিকে সমর্থন করার মতো কোনো বিশ্বাসযোগ্য দলিল বা রেকর্ড

আদালতের রায়ে স্বস্তিতে সাইফ আলি খান

দীর্ঘ প্রায় আড়াই দশকের আইনি লড়াইয়ের অবসান হলো ভারতের ভোপালের জেলা আদালত। মধ্যপ্রদেশের ভোপালে অবস্থিত ১৬ দশমিক ৬২ একর বিতর্কিত জমি নিয়ে চলা মামলায় চূড়ান্ত জয় পেলেন বলিউড অভিনেতা সইফ আলি খান। শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) আদালত পাতৌদি পরিবারের পক্ষেই রায় দেয় এবং প্রতিপক্ষের সব দাবি খারিজ করে দেয়। ফলে এই জমির মালিকানা নিয়ে দীর্ঘদিনের অনিশ্চয়তা কাটল।

ভোপালের নয়াপুরা এলাকার এই জমি নিয়ে বিতর্কের শুরু ১৯৯৮ সালে। সে সময় আকিল আহমেদ ও তার সহযোগীরা আদালতে মামলা করে দাবি করেন, ১৯৩৬ সালে ভোপালের তৎকালীন রাজপরিবারের সদস্য নবাব হামিদুল্লাহ খান তাদের পূর্বপুরুষদের ওই জমি উপহার দিয়েছিলেন। সেই সূত্র ধরেই তারা জমিটির ওপর নিজেদের অধিকার প্রতিষ্ঠার চেষ্টা চালান।

তবে দীর্ঘ শুনানি শেষে আদালত সেই দাবি গ্রহণ করেনি। বিচারকদের পর্যবেক্ষণে বলা হয়, মামলাকারীরা তাদের দাবির পক্ষে কোনো গ্রহণযোগ্য নথি বা শক্ত প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেননি। পাশাপাশি প্রায় ৬০ বছর পর মামলা দায়ের করাকেও গুরুতর দেরি হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে।

রায়ে আদালত স্পষ্ট করে জানায়, জমির মালিকানা সংক্রান্ত দাবিকে সমর্থন করার মতো কোনো বিশ্বাসযোগ্য দলিল বা রেকর্ড প্রতিপক্ষের তরফে তুলে ধরা হয়নি। ফলে পুরো মামলাটিই খারিজ করে দেওয়া হয়।

আরও পড়ুন:
বিটকয়েন কেলেঙ্কারিতে শিল্পার স্বামী রাজ কুন্দ্রাকে আবারও তলব
বিজয়ের ‘জন নয়াগন’ মুক্তিতে সবুজ সংকেত

এই রায়ের ফলে ঐতিহাসিকভাবে ভোপালের সাবেক রাজপরিবারের সঙ্গে যুক্ত ১৬ দশমিক ৬২ একর জমির ওপর সাইফ আলি খান ও তার পরিবারের উত্তরাধিকারী অধিকার আবারও আইনি স্বীকৃতি পেল। দীর্ঘদিনের এই আইনি টানাপড়েনের অবসানে সাইফ ও তার পরিবারের জন্য এটি বড় স্বস্তির খবর বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল।

এমএমএফ/এএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow