আদালতের রায় মেনে পুনর্বহালের দাবি চাকরিচ্যুত পুলিশ সদস্যদের

বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় তুচ্ছ কারণ ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মতামত প্রকাশের জেরে সাড়ে ৩০০ জনকে চাকরি থেকে অব্যহতি দেওয়া হয় বলে জানিয়েছেন চাকরিচ্যুত পুলিশ সদস্যরা। এর মধ্যে ১৩০ থেকে ১৫০ জনকে পরবর্তীতে প্রশাসনিক আপিল ট্রাইবুনালের রায়ে স্বপদে বহাল করা হয়। তারা আদালতের রায় মেনে নিয়ে বাকিদের চাকরিতে পুনর্বহালের দাবি জানিয়েছেন। রোববার (১৯ এপ্রিল) সকালে রাজধানীর পুলিশ সদর দপ্তরের সামনে এক মানববন্ধন কর্মসূচিতে এই দাবি জানানো হয়। চাকরিচ্যুত সাব-ইন্সপেক্টর জাকারিয়া মোস্তফা বলেন, আমরা আদালতে ন্যায়বিচার পেয়েছি। কিন্তু পুলিশ সদর দপ্তর সেই রায় কার্যকর না করে আবার উচ্চ আদালতে যাওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছে। তিনি বলেন, অনেক ক্ষেত্রে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মন্তব্য বা স্ট্যাটাস দেওয়ার মতো বিষয়কে কেন্দ্র করে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এ ধরনের কারণে চাকরি চলে যাওয়ায় পরিস্থিতি আমাদের জন্য অত্যন্ত কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। অভিযোগ করে তিনি আরও বলেন, প্রশাসনিক ট্রাইবুনাল (জজ কোর্ট সমমান) ও প্রশাসনিক আপিল ট্রাইবুনাল (হাইকোর্ট সমমান) আমাদের পক্ষে রায় দিলেও তা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে না। বরং ‘সিভিল পিটিশন ফর লিভ টু

আদালতের রায় মেনে পুনর্বহালের দাবি চাকরিচ্যুত পুলিশ সদস্যদের

বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় তুচ্ছ কারণ ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মতামত প্রকাশের জেরে সাড়ে ৩০০ জনকে চাকরি থেকে অব্যহতি দেওয়া হয় বলে জানিয়েছেন চাকরিচ্যুত পুলিশ সদস্যরা। এর মধ্যে ১৩০ থেকে ১৫০ জনকে পরবর্তীতে প্রশাসনিক আপিল ট্রাইবুনালের রায়ে স্বপদে বহাল করা হয়। তারা আদালতের রায় মেনে নিয়ে বাকিদের চাকরিতে পুনর্বহালের দাবি জানিয়েছেন।

রোববার (১৯ এপ্রিল) সকালে রাজধানীর পুলিশ সদর দপ্তরের সামনে এক মানববন্ধন কর্মসূচিতে এই দাবি জানানো হয়।

চাকরিচ্যুত সাব-ইন্সপেক্টর জাকারিয়া মোস্তফা বলেন, আমরা আদালতে ন্যায়বিচার পেয়েছি। কিন্তু পুলিশ সদর দপ্তর সেই রায় কার্যকর না করে আবার উচ্চ আদালতে যাওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছে।

তিনি বলেন, অনেক ক্ষেত্রে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মন্তব্য বা স্ট্যাটাস দেওয়ার মতো বিষয়কে কেন্দ্র করে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এ ধরনের কারণে চাকরি চলে যাওয়ায় পরিস্থিতি আমাদের জন্য অত্যন্ত কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে।

অভিযোগ করে তিনি আরও বলেন, প্রশাসনিক ট্রাইবুনাল (জজ কোর্ট সমমান) ও প্রশাসনিক আপিল ট্রাইবুনাল (হাইকোর্ট সমমান) আমাদের পক্ষে রায় দিলেও তা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে না। বরং ‘সিভিল পিটিশন ফর লিভ টু আপিল’ (সিপিএল) করে বিষয়টি সুপ্রিম কোর্টে নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে, যা নিষ্পত্তি হতে দীর্ঘ সময় লাগতে পারে। সুপ্রিম কোর্টে একটি মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হতে ৭ থেকে ১০ বছর সময় লেগে যায়। এই দীর্ঘ সময় অপেক্ষায় থাকা আমাদের জন্য অত্যন্ত কষ্টকর। এত সময়ের অপেক্ষায় থেকে আমাদের অনেকে হয়তো বেঁচেও থাকবে না।

তিনি আরও বলেন, এর আগে একই ধরনের রায়ের ভিত্তিতে অন্তত ১৩০ থেকে ১৫০ জন পুলিশ সদস্যকে চাকরিতে পুনর্বহাল করা হয়েছে। কিন্তু বর্তমানে একই সুযোগ থেকে আমাদের চাকরিচ্যুত আরও কয়েকশ পুলিশ সদস্যকে বঞ্চিত করা হচ্ছে।

আমাদের সবার ক্ষেত্রেই একই ধরনের রায় রয়েছে। তাই বৈষম্য না করে রায়ের আলোকে আমাদের পুনর্বহাল করা উচিত জানিয়ে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আদালতের রায় বাস্তবায়ন করে আমাদের চাকরিতে ফিরিয়ে নেওয়া হোক।

কেআর/এএমএ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow