আদালতে মামলা পরিচালনার সময় সাবেক বার সভাপতির মৃত্যু
আদালতে মামলা পরিচালনার সময় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে মারা গেছেন চাঁদপুর জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি এবং প্রবীণ আইনজীবী সিনিয়র অ্যাডভোকেট মো. রুহুল আমিন। জানা গেছে, মামলা পরিচালনার সময় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন সিনিয়র অ্যাডভোকেট মো. রুহুল আমিন। তাকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে হাসপাতালে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মৃত্যুর সময় তার বয়স হয়েছিল ৯৩ বছর। তিনি প্রায় ৫৪ বছর চাঁদপুর জেলা বারে আইন পেশায় যুক্ত ছিলেন। পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকালে চাঁদপুর আদালতে একটি মামলা পরিচালনার সময় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে সহকর্মীরা দ্রুত তাকে চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করে। অ্যাডভোকেট রুহুল আমিনের গ্রামের বাড়ি চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার জহিরাবাদ ইউনিয়নের নাওভাঙ্গা গ্রামে। তবে পেশাগত কারণে তিনি দীর্ঘদিন ধরে চাঁদপুর শহরের চেয়ারম্যান ঘাট এলাকায় বসবাস করে আসছিলেন। আইন পেশার পাশাপাশি তিনি রাজনীতিতেও দীর্ঘদিন সক্রিয় ছিলেন। তিনি অবিভক্ত মতলব উপজেলা আওয়ামী লীগের (কার্যক্রম
আদালতে মামলা পরিচালনার সময় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে মারা গেছেন চাঁদপুর জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি এবং প্রবীণ আইনজীবী সিনিয়র অ্যাডভোকেট মো. রুহুল আমিন।
জানা গেছে, মামলা পরিচালনার সময় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন সিনিয়র অ্যাডভোকেট মো. রুহুল আমিন। তাকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে হাসপাতালে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মৃত্যুর সময় তার বয়স হয়েছিল ৯৩ বছর। তিনি প্রায় ৫৪ বছর চাঁদপুর জেলা বারে আইন পেশায় যুক্ত ছিলেন।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকালে চাঁদপুর আদালতে একটি মামলা পরিচালনার সময় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে সহকর্মীরা দ্রুত তাকে চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করে।
অ্যাডভোকেট রুহুল আমিনের গ্রামের বাড়ি চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার জহিরাবাদ ইউনিয়নের নাওভাঙ্গা গ্রামে। তবে পেশাগত কারণে তিনি দীর্ঘদিন ধরে চাঁদপুর শহরের চেয়ারম্যান ঘাট এলাকায় বসবাস করে আসছিলেন।
আইন পেশার পাশাপাশি তিনি রাজনীতিতেও দীর্ঘদিন সক্রিয় ছিলেন। তিনি অবিভক্ত মতলব উপজেলা আওয়ামী লীগের (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) সভাপতি এবং পরবর্তীতে মতলব উত্তর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া চাঁদপুর জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতির দায়িত্বও সফলতার সঙ্গে পালন করেছেন।
পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তার একমাত্র ছেলে সুমন বর্তমানে জাপানে অবস্থান করছেন। তিনি দেশে ফেরার পর জানাজা ও দাফনের সময়সূচি নির্ধারণ করা হবে। ততক্ষণ পর্যন্ত মরহুমের মরদেহ চাঁদপুর বেগম মসজিদের হিমঘরে সংরক্ষণ করা হবে। পরে জানাজা শেষে চাঁদপুর বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন পৌর কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।
প্রবীণ এই আইনজীবীর মৃত্যুতে চাঁদপুরের আইন অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। সহকর্মী, শুভানুধ্যায়ী ও স্থানীয় সুধীজন তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন এবং মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেছেন।
What's Your Reaction?