আদালতে শিরীন শারমিন
জুলাই আন্দোলনে লালবাগ থানায় করা একটি হত্যাচেষ্টা মামলায় শুনানির জন্য জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীকে আদালতে আনা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৮ এপ্রিল) দুপুর ১টা ৫৬ মিনিটের দিকে একটি সাদা মাইক্রোতে তাকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হয়। এরপর আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়। একটু পর তার মামলার শুনানি হবে।
গ্রেপ্তারের পর ডিবি জানিয়েছে, বিভিন্ন জায়গায় আত্মগোপনে ছিলেন শিরীন শারমিন। সর্বশেষ তিনি ধানমন্ডিতে এক আত্মীয়ের বাসায় ছিলেন। সেখান থেকেই তাকে আজ মঙ্গলবার ভোরে আটক করা হয়।
ডিবির অতিরিক্ত কমিশনার শফিকুল ইসলাম বলেন, শিরীন শারমিনের বিরুদ্ধে গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত হত্যা মামলাসহ ৬টি মামলার তথ্য পাওয়া গেছে। এর মধ্যে তিনটি মামলায় ইতোমধ্যে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে বলে তথ্য পাওয়া গেছে। বাকি তিনটি মামলা বর্তমানে তদন্তাধীন।
এদিকে গণঅভ্যুত্থানের পর আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের অনেকেই সেনানিবাসে আশ্রয় নিয়েছিলেন। আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) গত বছরের ২২ মে আশ্রয় গ্রহণকারীদের একটি তালিকা প্রকাশ করেছিল। ওই তালিকায় শিরীন শারমিনের নামও ছিল।
শেখ হাসিনার সরকারের
জুলাই আন্দোলনে লালবাগ থানায় করা একটি হত্যাচেষ্টা মামলায় শুনানির জন্য জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীকে আদালতে আনা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৮ এপ্রিল) দুপুর ১টা ৫৬ মিনিটের দিকে একটি সাদা মাইক্রোতে তাকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হয়। এরপর আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়। একটু পর তার মামলার শুনানি হবে।
গ্রেপ্তারের পর ডিবি জানিয়েছে, বিভিন্ন জায়গায় আত্মগোপনে ছিলেন শিরীন শারমিন। সর্বশেষ তিনি ধানমন্ডিতে এক আত্মীয়ের বাসায় ছিলেন। সেখান থেকেই তাকে আজ মঙ্গলবার ভোরে আটক করা হয়।
ডিবির অতিরিক্ত কমিশনার শফিকুল ইসলাম বলেন, শিরীন শারমিনের বিরুদ্ধে গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত হত্যা মামলাসহ ৬টি মামলার তথ্য পাওয়া গেছে। এর মধ্যে তিনটি মামলায় ইতোমধ্যে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে বলে তথ্য পাওয়া গেছে। বাকি তিনটি মামলা বর্তমানে তদন্তাধীন।
এদিকে গণঅভ্যুত্থানের পর আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের অনেকেই সেনানিবাসে আশ্রয় নিয়েছিলেন। আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) গত বছরের ২২ মে আশ্রয় গ্রহণকারীদের একটি তালিকা প্রকাশ করেছিল। ওই তালিকায় শিরীন শারমিনের নামও ছিল।
শেখ হাসিনার সরকারের পতনের ২৭ দিনের মাথায় ২০২৪ সালের ২ সেপ্টেম্বর পদত্যাগ করেন শিরীন শারমিন। ২০০৮ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর স্পিকার নির্বাচিত হন আবদুল হামিদ। তাকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত করা হলে ২০১৩ সালের ৩০ এপ্রিল স্পিকার নির্বাচিত হন শিরীন শারমিন। এর পর থেকে টানা তিনি এ দায়িত্বে ছিলেন।
২০২৪ সালের ১৫ আগস্ট সংসদের ডেপুটি স্পিকার শামসুল হককেও গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।