আদালত অবমাননার অভিযোগে উলিপুর থানার ওসিকে তলব
কুড়িগ্রামের উলিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাঈদ ইবনে সিদ্দিককে তলব করেছেন আদালত। ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিকে গ্রেফতারে অবহেলা ও গাফিলতির অভিযোগে তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। আগামী ৩০ আগস্ট আদালতে সশরীরে হাজির হয়ে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) কুড়িগ্রাম জেলা জজ আদালতের যুগ্ম জেলা দায়রা জজ (প্রথম আদালত) মোহাম্মদ নাজমুল হক এ আদেশ দেন। আদালতের আদেশের কপি পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ওসি সাঈদ ইবনে সিদ্দিক। আদালত সূত্র জানায়, এনআই অ্যাক্টের একটি মামলায় উলিপুরের বাসিন্দা পুলিশ কনস্টেবল জাহিদ হাসানকে গত ১৬ ফেব্রুয়ারি এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। তিনি পলাতক থাকায় উলিপুর ও লালমনিরহাটের ঠিকানা উল্লেখ করে তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়। পরোয়ানাটি তামিলের দায়িত্ব দেওয়া হয় উলিপুর থানার ওসিকে। আরও পড়ুন আদালত অবমাননা: ইউএনওর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ আদালতের আদেশে বলা হয়, পরোয়ানা কার্যকর করতে ওসি ‘অবহেলা ও গাফিলতি’ দেখিয়েছেন। এ কারণে আদালতের কাজে অসহযোগিতা, আদালত অবমাননা এবং অসদাচরণ ও অদক্ষতার অভি
কুড়িগ্রামের উলিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাঈদ ইবনে সিদ্দিককে তলব করেছেন আদালত। ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিকে গ্রেফতারে অবহেলা ও গাফিলতির অভিযোগে তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। আগামী ৩০ আগস্ট আদালতে সশরীরে হাজির হয়ে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) কুড়িগ্রাম জেলা জজ আদালতের যুগ্ম জেলা দায়রা জজ (প্রথম আদালত) মোহাম্মদ নাজমুল হক এ আদেশ দেন। আদালতের আদেশের কপি পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ওসি সাঈদ ইবনে সিদ্দিক।
আদালত সূত্র জানায়, এনআই অ্যাক্টের একটি মামলায় উলিপুরের বাসিন্দা পুলিশ কনস্টেবল জাহিদ হাসানকে গত ১৬ ফেব্রুয়ারি এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। তিনি পলাতক থাকায় উলিপুর ও লালমনিরহাটের ঠিকানা উল্লেখ করে তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়। পরোয়ানাটি তামিলের দায়িত্ব দেওয়া হয় উলিপুর থানার ওসিকে।
আদালতের আদেশে বলা হয়, পরোয়ানা কার্যকর করতে ওসি ‘অবহেলা ও গাফিলতি’ দেখিয়েছেন। এ কারণে আদালতের কাজে অসহযোগিতা, আদালত অবমাননা এবং অসদাচরণ ও অদক্ষতার অভিযোগে কেন আইনগত ও বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, সে বিষয়ে লিখিত কারণ দর্শাতে বলা হয়েছে।
আদেশের অনুলিপি রংপুর রেঞ্জের ডিআইজি ও কুড়িগ্রামের পুলিশ সুপারের কাছেও পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
উলিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাঈদ ইবনে সিদ্দিক বলেন, মামলাটি অর্থসংক্রান্ত। তাকে গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। তবে তিনি বাড়িতে না আসায় তাকে গ্রেফতারে কিছুটা বিলম্ব হয়েছে। আশা করি নির্ধারিত সময়ের (৩০ আগস্ট) আগেই তাকে গ্রেফতার করা হবে।
রোকনুজ্জামান মানু/এসজেডএইচ/জেআইএম
What's Your Reaction?
