আদালত চত্বরে সিঁদুর পরানো নিয়ে তুলকালাম কাণ্ড

যশোর আদালত চত্বরে প্রেমিকার কপালে প্রকাশ্যেই সিঁদুর পরিয়ে দেন এক যুবক। তবে এমন আচরণ মেনে নিতে না পেরে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন তরুণী। মুহূর্তেই দুজনের মধ্যে শুরু হয় তুমুল বাগ্‌বিতণ্ডা, যা একপর্যায়ে হাতাহাতিতে গড়ায়। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) বিকেলে যশোর আদালত চত্বরে এ ঘটনা ঘটে। পরে কোর্ট ইন্সপেক্টর ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের আদালতের জিআরও কক্ষে নিয়ে যান। সন্ধ্যায় কোতোয়ালি থানা পুলিশ এসে দুজনকে থানায় নিয়ে যায়। জানা গেছে, তরুণীর বাড়ি মাগুরা জেলার শালিখা উপজেলায় এবং যুবকের বাড়ি যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলার নাড়িকেলবাড়িয়া গ্রামে। থানা সূত্রে জানা গেছে, তাদের মধ্যে নয় বছরের প্রেম। বিকেলে দুজন যশোরের পুরাতন পরিত্যক্ত জজ আদালতের সামনে অবস্থান করছিলেন। এ সময় তাদের মধ্যে কোনো একটি বিষয় নিয়ে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে আগে থেকে সঙ্গে রাখা একটি পলিথিনে থাকা সিঁদুর বের করে যুবক হঠাৎ করে তরুণীর কপালে পরিয়ে দেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে তরুণী প্রতিবাদ করেন। পরে দুজনের মধ্যে ধস্তাধস্তি ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। ঘটনাটি দেখে এক আইনজীবী কোর্ট ইন্সপেক্টরকে বিষয়টি অবহিত করেন। খবর পেয়ে কোর্ট ইন্সপেক্টর ইমদাদুল হক দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পর

আদালত চত্বরে সিঁদুর পরানো নিয়ে তুলকালাম কাণ্ড

যশোর আদালত চত্বরে প্রেমিকার কপালে প্রকাশ্যেই সিঁদুর পরিয়ে দেন এক যুবক। তবে এমন আচরণ মেনে নিতে না পেরে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন তরুণী। মুহূর্তেই দুজনের মধ্যে শুরু হয় তুমুল বাগ্‌বিতণ্ডা, যা একপর্যায়ে হাতাহাতিতে গড়ায়।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) বিকেলে যশোর আদালত চত্বরে এ ঘটনা ঘটে। পরে কোর্ট ইন্সপেক্টর ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের আদালতের জিআরও কক্ষে নিয়ে যান। সন্ধ্যায় কোতোয়ালি থানা পুলিশ এসে দুজনকে থানায় নিয়ে যায়।

জানা গেছে, তরুণীর বাড়ি মাগুরা জেলার শালিখা উপজেলায় এবং যুবকের বাড়ি যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলার নাড়িকেলবাড়িয়া গ্রামে।

থানা সূত্রে জানা গেছে, তাদের মধ্যে নয় বছরের প্রেম। বিকেলে দুজন যশোরের পুরাতন পরিত্যক্ত জজ আদালতের সামনে অবস্থান করছিলেন। এ সময় তাদের মধ্যে কোনো একটি বিষয় নিয়ে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে আগে থেকে সঙ্গে রাখা একটি পলিথিনে থাকা সিঁদুর বের করে যুবক হঠাৎ করে তরুণীর কপালে পরিয়ে দেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে তরুণী প্রতিবাদ করেন। পরে দুজনের মধ্যে ধস্তাধস্তি ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।

ঘটনাটি দেখে এক আইনজীবী কোর্ট ইন্সপেক্টরকে বিষয়টি অবহিত করেন। খবর পেয়ে কোর্ট ইন্সপেক্টর ইমদাদুল হক দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন এবং দুজনকে আদালতের জিআরও কক্ষে নিয়ে যান। পরে সন্ধ্যায় তাদের কোতোয়ালি থানার পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

কোর্ট ইন্সপেক্টর ইমদাদুল হক বলেন, পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল। তাই আইনশৃঙ্খলা রক্ষার স্বার্থে দুজনকে আদালতের জিআরও কক্ষে নেওয়া হয়। পরে তাদের কোতোয়ালি থানার পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

যশোর কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুম খান বলেন, দুজনকেই থানায় আনা হয়েছে। তাদের অভিভাবকদের খবর দেওয়া হয়েছে। তারা এলে বিষয়টি শুনে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মিলন রহমান/কেএইচকে/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow