আদিবাসীদের জন্য রাজনৈতিক দলগুলোর ইশতেহারে কী আছে দেখতে চাই
বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরামের সহ-সাধারণ সম্পাদক ডা. গজেন্দ্র নাথ মাহাতো বলেছেন, ‘আদিবাসীদের জন্য রাজনৈতিক দলগুলোর নির্বাচনের ইশতেহারে কী আছে আমরা দেখতে চাই। ইশতেহারে আদিবাসী শব্দটি ব্যবহার করা হবে কি, হবে না। নাকি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী বা উপজাতি হিসেবে ব্যবহার করা হবে। নাকি একটি শব্দও ব্যবহার করা হবে না।’ বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) সকালে বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরাম পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক শাখার ৫ম সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। ডা. গজেন্দ্র মাহাতো বলেন, ‘বর্তমানে ভোটের মাঠে যারা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন তাদের সবার চরিত্র আমাদের মুখস্থ হয়ে গেছে। যারা পালিয়ে গেছে তাদেরকেও আমরা দেখেছি। তারা আদিবাসীদের জন্য কী করেছে, আদিবাসীদের কতটুকু ধারণ করেছে তা আমরা দেখেছি। এখন যারা রয়েছে তারাও আমাদের কতটুকু ধারণ করে, লালন করে সেটাও আমাদের অনেকাংশ জানা হয়েছে।’ জুম ঈসথেটিকস কাউন্সিলের (জাক) সভাপতি ও শিক্ষাবিদ শিশির চাকমা বলেন, পার্বত্য অঞ্চল নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের কোনো ভূমিকা আমরা দেখতেছি না। অন্তর্বর্তী সরকার আসার পরে রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়িতে যে সহিংসতার ঘটনাগুলো ঘটেছে সে ঘটনাগুলোর দৃষ্টান্তমূলক আইনগত কোন পদক্ষেপ নেও
বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরামের সহ-সাধারণ সম্পাদক ডা. গজেন্দ্র নাথ মাহাতো বলেছেন, ‘আদিবাসীদের জন্য রাজনৈতিক দলগুলোর নির্বাচনের ইশতেহারে কী আছে আমরা দেখতে চাই। ইশতেহারে আদিবাসী শব্দটি ব্যবহার করা হবে কি, হবে না। নাকি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী বা উপজাতি হিসেবে ব্যবহার করা হবে। নাকি একটি শব্দও ব্যবহার করা হবে না।’
বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) সকালে বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরাম পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক শাখার ৫ম সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
ডা. গজেন্দ্র মাহাতো বলেন, ‘বর্তমানে ভোটের মাঠে যারা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন তাদের সবার চরিত্র আমাদের মুখস্থ হয়ে গেছে। যারা পালিয়ে গেছে তাদেরকেও আমরা দেখেছি। তারা আদিবাসীদের জন্য কী করেছে, আদিবাসীদের কতটুকু ধারণ করেছে তা আমরা দেখেছি। এখন যারা রয়েছে তারাও আমাদের কতটুকু ধারণ করে, লালন করে সেটাও আমাদের অনেকাংশ জানা হয়েছে।’
জুম ঈসথেটিকস কাউন্সিলের (জাক) সভাপতি ও শিক্ষাবিদ শিশির চাকমা বলেন, পার্বত্য অঞ্চল নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের কোনো ভূমিকা আমরা দেখতেছি না। অন্তর্বর্তী সরকার আসার পরে রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়িতে যে সহিংসতার ঘটনাগুলো ঘটেছে সে ঘটনাগুলোর দৃষ্টান্তমূলক আইনগত কোন পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। আমাদেরকে অনিশ্চয়তা ও বিচারহীনতার মধ্যে বসবাস করতে হচ্ছে। আমরা নিজেদের আত্মপরিচয় সংকটে রয়েছি। পার্বত্য চুক্তির গুরুত্বপূর্ণ ধারাগুলি এখনও বাস্তবায়িত না হওয়ায় আদিবাসীরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।
এ সময় বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরাম পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক শাখার সভাপতি প্রকৃতি রঞ্জন চাকমা, আদিবাসী ফোরাম বান্দরবান জেলা শাখার সভাপতি ডা. মং উষা থোয়াই ও খাগড়াছড়ি জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক চাথোয়াই মারমা প্রমুখ বক্তব্য রাখেন ।
সম্মেলন শেষে প্রকৃতি রঞ্জন চাকমাকে সভাপতি, ইন্টু মনি তালুকদারকে সাধারণ সম্পাদক ও ক্যাসামং মারমাকে সাংগঠনিক সম্পাদক করে ২৫ সদস্যদের বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক শাখার কমিটি গঠন করা হয়।
আরমান খান/আরএইচ/জেআইএম
What's Your Reaction?