আদ্‌-দ্বীনের লাইসেন্স বাতিল, হাসপাতাল ছাড়ছেন রোগীরা

আদ্-দ্বীন ফাউন্ডেশনের পরিচালক (কোম্পানি অ্যাফেয়ার্স) তারিকুল ইসলাম মুকুল জানিয়েছেন, ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় লাইসেন্স বাতিল হওয়া আদ্-দ্বীন হাসপাতাল থেকে ভর্তি রোগীরা ধীরে ধীরে চলে যাচ্ছেন। শুক্রবার দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত মোট ১৭৬ জন রোগী হাসপাতাল ত্যাগ করেছেন। শুক্রবার (১২ জুন) গণমাধ্যমে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এসব তথ্য জানান। তারিকুল ইসলাম মুকুল বলেন, বৃহস্পতিবার বিকেলে লাইসেন্স বাতিলের ঘোষণা আসার সময় হাসপাতালে ৪২৬ জন রোগী ভর্তি ছিলেন। বর্তমানে সেখানে প্রায় ২৫০ জন রোগী আছেন, বাকিরা বিভিন্ন সময়ে চলে গেছেন। তিনি আরও জানান, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সিদ্ধান্তকে তারা সম্মান জানাচ্ছেন এবং আগামী রোববারের মধ্যে আপিল প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে। রোগী স্থানান্তর প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আমরা চাইলেও এত দ্রুত সব রোগী সরিয়ে দিতে পারি না। তাই যথাসাধ্য সেবা দেওয়ার চেষ্টা চলছে। তবে অনেক রোগী ইতোমধ্যে চলে গেছেন। এখন আপিলের পর চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের ওপর সবকিছু নির্ভর করছে।” উল্লেখ্য, গত ২৭ মে মগবাজারে আদ্-দ্বীন হাসপাতালের পোস্ট ডেলিভারি ওয়ার্ডে একদিনে ছয় নবজাতকের মৃত্যু হয়। পরবর্তীতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের গঠিত তদন্ত কমি

আদ্‌-দ্বীনের লাইসেন্স বাতিল, হাসপাতাল ছাড়ছেন রোগীরা

আদ্-দ্বীন ফাউন্ডেশনের পরিচালক (কোম্পানি অ্যাফেয়ার্স) তারিকুল ইসলাম মুকুল জানিয়েছেন, ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় লাইসেন্স বাতিল হওয়া আদ্-দ্বীন হাসপাতাল থেকে ভর্তি রোগীরা ধীরে ধীরে চলে যাচ্ছেন। শুক্রবার দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত মোট ১৭৬ জন রোগী হাসপাতাল ত্যাগ করেছেন।

শুক্রবার (১২ জুন) গণমাধ্যমে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এসব তথ্য জানান।

তারিকুল ইসলাম মুকুল বলেন, বৃহস্পতিবার বিকেলে লাইসেন্স বাতিলের ঘোষণা আসার সময় হাসপাতালে ৪২৬ জন রোগী ভর্তি ছিলেন। বর্তমানে সেখানে প্রায় ২৫০ জন রোগী আছেন, বাকিরা বিভিন্ন সময়ে চলে গেছেন।

তিনি আরও জানান, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সিদ্ধান্তকে তারা সম্মান জানাচ্ছেন এবং আগামী রোববারের মধ্যে আপিল প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে।

রোগী স্থানান্তর প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আমরা চাইলেও এত দ্রুত সব রোগী সরিয়ে দিতে পারি না। তাই যথাসাধ্য সেবা দেওয়ার চেষ্টা চলছে। তবে অনেক রোগী ইতোমধ্যে চলে গেছেন। এখন আপিলের পর চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের ওপর সবকিছু নির্ভর করছে।”

উল্লেখ্য, গত ২৭ মে মগবাজারে আদ্-দ্বীন হাসপাতালের পোস্ট ডেলিভারি ওয়ার্ডে একদিনে ছয় নবজাতকের মৃত্যু হয়। পরবর্তীতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের অবহেলার প্রমাণ পাওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, অতিরিক্ত মানুষের উপস্থিতি; দীর্ঘক্ষণ এসি বন্ধ থাকা এবং বিকল্প কোনো ভেন্টিলেশনের ব্যবস্থা না থাকা; বাতাসে কার্বন-ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ বেড়ে যাওয়াই শিশুগুলোর মৃত্যুর সম্ভাব্য কারণ।

এ ঘটনায় দেওয়া হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের ব্যাখ্যা ‘সন্তোষজনক না হওয়ায়’ বৃহস্পতিবার লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত নেয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow