আনচেলত্তির কথা শুনতেই হবেঃ ভিনিসিয়ুস

বিশ্বকাপে এক সময় ব্রাজিল মানেই ছিল নেইমার; কিন্তু ২০২৬ বিশ্বকাপের পরিস্থিতিটা ভিন্ন। এখন নেইমার নন, দলটি আবর্তিত হচ্ছে যেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়রকে কেন্দ্র করেই। সেই ভিনিসিয়ুসই স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছেন, ব্রাজিলের সাফল্যের চাবিকাঠি লুকিয়ে আছে কোচ কার্লো আনচেলত্তির পরিকল্পনায়। তার ভাষায়, বিশ্বকাপ জিততে হলে দলকে কোচের নির্দেশ অক্ষরে অক্ষরে মেনে চলতেই হবে। ভিনিসিয়ুস বিশ্বাস করেন, আনচেলত্তির অভিজ্ঞতা, কৌশল আর নেতৃত্বই ব্রাজিলকে দীর্ঘ ২৪ বছরের শিরোপাখরা কাটাতে সাহায্য করতে পারে। রিয়াল মাদ্রিদে যে কোচের অধীনে তিনি বিশ্বের অন্যতম সেরা ফুটবলার হয়ে উঠেছেন, জাতীয় দলেও সেই সম্পর্ক নতুন করে স্বপ্ন দেখাচ্ছে। ভিনিসিয়ুস জানিয়েছেন, আনচেলত্তি ব্রাজিলকে প্রথমে রক্ষণে দৃঢ় হতে এবং তারপর দ্রুত পাল্টা আক্রমণে প্রতিপক্ষকে আঘাত করতে বলছেন। ঐতিহ্যগতভাবে বল দখলনির্ভর ব্রাজিলের জন্য এটি কিছুটা ভিন্ন দর্শন হলেও বর্তমান দলের শক্তির সঙ্গে এটি বেশি মানানসই বলে মনে করেন তিনি। বিশ্বকাপে সেই পরিকল্পনার ফলও দেখা যাচ্ছে। মরক্কোর বিপক্ষে ড্র দিয়ে শুরু করলেও হাইতির বিপক্ষে ৩-০ গোলের জয়ে ব্রাজিল অনেক বেশি সংগঠিত ও আত্মবিশ্বাসী ফু

আনচেলত্তির কথা শুনতেই হবেঃ ভিনিসিয়ুস

বিশ্বকাপে এক সময় ব্রাজিল মানেই ছিল নেইমার; কিন্তু ২০২৬ বিশ্বকাপের পরিস্থিতিটা ভিন্ন। এখন নেইমার নন, দলটি আবর্তিত হচ্ছে যেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়রকে কেন্দ্র করেই। সেই ভিনিসিয়ুসই স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছেন, ব্রাজিলের সাফল্যের চাবিকাঠি লুকিয়ে আছে কোচ কার্লো আনচেলত্তির পরিকল্পনায়। তার ভাষায়, বিশ্বকাপ জিততে হলে দলকে কোচের নির্দেশ অক্ষরে অক্ষরে মেনে চলতেই হবে।

ভিনিসিয়ুস বিশ্বাস করেন, আনচেলত্তির অভিজ্ঞতা, কৌশল আর নেতৃত্বই ব্রাজিলকে দীর্ঘ ২৪ বছরের শিরোপাখরা কাটাতে সাহায্য করতে পারে। রিয়াল মাদ্রিদে যে কোচের অধীনে তিনি বিশ্বের অন্যতম সেরা ফুটবলার হয়ে উঠেছেন, জাতীয় দলেও সেই সম্পর্ক নতুন করে স্বপ্ন দেখাচ্ছে।

ভিনিসিয়ুস জানিয়েছেন, আনচেলত্তি ব্রাজিলকে প্রথমে রক্ষণে দৃঢ় হতে এবং তারপর দ্রুত পাল্টা আক্রমণে প্রতিপক্ষকে আঘাত করতে বলছেন। ঐতিহ্যগতভাবে বল দখলনির্ভর ব্রাজিলের জন্য এটি কিছুটা ভিন্ন দর্শন হলেও বর্তমান দলের শক্তির সঙ্গে এটি বেশি মানানসই বলে মনে করেন তিনি।

বিশ্বকাপে সেই পরিকল্পনার ফলও দেখা যাচ্ছে। মরক্কোর বিপক্ষে ড্র দিয়ে শুরু করলেও হাইতির বিপক্ষে ৩-০ গোলের জয়ে ব্রাজিল অনেক বেশি সংগঠিত ও আত্মবিশ্বাসী ফুটবল খেলেছে। এই ম্যাচে ভিনিসিয়ুস নিজে একটি গোল করার পাশাপাশি দুটি গোল তৈরিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।

বিশ্লেষকদের মতে, নেইমারের চোটের কারণে তৈরি হওয়া শূন্যতা পূরণে এখন ভিনিসিয়ুসই ব্রাজিলের প্রধান ভরসা। আনচেলত্তির অধীনে তার স্বাধীনতা বেড়েছে, দায়িত্বও বেড়েছে। ব্রাজিল কোচও ধীরে ধীরে দলটিকে ভিনিসিয়ুসকে কেন্দ্র করেই গড়ে তুলছেন।

২৪ বছর ধরে বিশ্বকাপ জয়ের অপেক্ষায় থাকা ব্রাজিলের জন্য তাই এই সম্পর্কটি শুধু কোচ-খেলোয়াড়ের নয়, বরং নতুন এক যুগের প্রতীক। নেইমারের অধ্যায় শেষের পথে, আর ভিনিসিয়ুস-আনচেলত্তি জুটির সামনে হাতছানি দিচ্ছে নতুন ইতিহাস। এখন প্রশ্ন একটাই- কোচের নির্দেশ মেনে চলা এই ব্রাজিল কি শেষ পর্যন্ত ষষ্ঠ বিশ্বকাপ ট্রফিটা ঘরে তুলতে পারবে?

আইএইচএস/

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow