আনসারের সাহসী পদক্ষেপে রক্ষা পেল গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় স্থাপনা

খুলনার বটিয়াঘাটা উপজেলার ১৩২/১৩৩ কেভি হোগলাডাঙ্গা পাওয়ার গ্রিডে ট্রান্সফরমারে শর্টসার্কিট থেকে সৃষ্ট অগ্নিকাণ্ডে তাৎক্ষণিক ও সাহসী পদক্ষেপ নিয়ে বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়িয়েছেন বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর অঙ্গীভূত আনসার সদস্যরা। দায়িত্বে থাকা সদস্যদের দ্রুত সিদ্ধান্ত, পেশাদার দক্ষতা ও সমন্বিত প্রচেষ্টায় অল্প সময়ের মধ্যেই আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে, ফলে গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় বিদ্যুৎ অবকাঠামো এবং আশপাশের স্থাপনা সম্ভাব্য ভয়াবহ ক্ষয়ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা পায়। বুধবার (১৫ জুলাই) সকাল আনুমানিক ৭টা ১০ মিনিটে পাওয়ার গ্রিডের একটি ট্রান্সফরমারে হঠাৎ শর্টসার্কিটের ফলে বিস্ফোরণ ঘটে। বিস্ফোরণের সঙ্গে সঙ্গে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং পুরো এলাকা ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে যায়। এ সময় নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত আনসার সদস্য মিন্টু হোসেন ঘটনাটি দেখতে পেয়ে দ্রুত গার্ড কমান্ডার (পিসি) মো. বাবুল আক্তারকে অবহিত করেন। সংবাদ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পিসি মো. বাবুল আক্তারের নেতৃত্বে দায়িত্বরত আনসার সদস্যরা প্রয়োজনীয় ফায়ার এক্সটিংগুইশার নিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে অভিযান শুরু করেন। ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্যেও তা

আনসারের সাহসী পদক্ষেপে রক্ষা পেল গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় স্থাপনা
খুলনার বটিয়াঘাটা উপজেলার ১৩২/১৩৩ কেভি হোগলাডাঙ্গা পাওয়ার গ্রিডে ট্রান্সফরমারে শর্টসার্কিট থেকে সৃষ্ট অগ্নিকাণ্ডে তাৎক্ষণিক ও সাহসী পদক্ষেপ নিয়ে বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়িয়েছেন বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর অঙ্গীভূত আনসার সদস্যরা। দায়িত্বে থাকা সদস্যদের দ্রুত সিদ্ধান্ত, পেশাদার দক্ষতা ও সমন্বিত প্রচেষ্টায় অল্প সময়ের মধ্যেই আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে, ফলে গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় বিদ্যুৎ অবকাঠামো এবং আশপাশের স্থাপনা সম্ভাব্য ভয়াবহ ক্ষয়ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা পায়। বুধবার (১৫ জুলাই) সকাল আনুমানিক ৭টা ১০ মিনিটে পাওয়ার গ্রিডের একটি ট্রান্সফরমারে হঠাৎ শর্টসার্কিটের ফলে বিস্ফোরণ ঘটে। বিস্ফোরণের সঙ্গে সঙ্গে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং পুরো এলাকা ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে যায়। এ সময় নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত আনসার সদস্য মিন্টু হোসেন ঘটনাটি দেখতে পেয়ে দ্রুত গার্ড কমান্ডার (পিসি) মো. বাবুল আক্তারকে অবহিত করেন। সংবাদ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পিসি মো. বাবুল আক্তারের নেতৃত্বে দায়িত্বরত আনসার সদস্যরা প্রয়োজনীয় ফায়ার এক্সটিংগুইশার নিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে অভিযান শুরু করেন। ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্যেও তারা সমন্বিতভাবে অগ্নিনির্বাপণ কার্যক্রম পরিচালনা করেন। আনসার সদস্যদের দক্ষতা, সাহসিকতা ও তাৎক্ষণিক পদক্ষেপে প্রায় ৪০ মিনিটের চেষ্টায় আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আসে। অগ্নিনির্বাপণে ফায়ার এক্সটিংগুইশারের কার্যকর ব্যবহার এবং আনসার সদস্যদের দ্রুত ও পেশাদার পদক্ষেপের ফলে আগুনের বিস্তার রোধ করা সম্ভব হয়। এতে ট্রান্সফরমার সংলগ্ন অন্যান্য স্থাপনা ও গুরুত্বপূর্ণ বিদ্যুৎ অবকাঠামো নিরাপদ থাকে এবং কোনো বড় ধরনের দুর্ঘটনা বা হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। ঘটনার পর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনসার সদস্যদের তাৎক্ষণিক, সাহসী ও দায়িত্বশীল ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় স্থাপনার নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্যদের সতর্কতা, পেশাদারিত্ব ও জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলার সক্ষমতা এ ঘটনার মাধ্যমে আবারও প্রমাণিত হয়েছে। এ ধরনের দায়িত্বশীল ও সময়োপযোগী পদক্ষেপ শুধু সম্ভাব্য প্রাণ ও সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি রোধেই নয়, দেশের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোর নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং জনসাধারণের আস্থা সুদৃঢ় করতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow