আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় বললেন উসমান খাজা
অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট দলে এক অনন্য অধ্যায়ের ইতি টানলেন উসমান খাজা। এই সপ্তাহে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ডে অনুষ্ঠিতব্য শেষ অ্যাশেজ টেস্টই হতে যাচ্ছে তার আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচ। এর মধ্য দিয়ে শেষ হবে ১৫ বছরের বর্ণিল যাত্রা। ৩৯ বছর বয়সী খাজা শুক্রবার সতীর্থদের জানিয়ে দেন তার সিদ্ধান্ত। ২০১১ সালে রিকি পন্টিংয়ের ইনজুরির সুযোগে এসসিজিতেই টেস্ট ক্যারিয়ার শুরু করেছিলেন তিনি। সেই মাঠেই ক্যারিয়ারের শেষ অধ্যায়—এ যেন এক আবেগঘন প্রতীকী সমাপ্তি। নিজের বিদায়ী বক্তব্যে স্মৃতিময় কণ্ঠে খাজা বলেন, “আমি ছোটবেলায় এসসিজির খুব কাছেই থাকতাম। একদিন মাইকেল স্লেটারকে লাল ফেরারিতে স্টেডিয়ামে ঢুকতে দেখে ভেবেছিলাম—একদিন আমিও টেস্ট খেলোয়াড় হবো। আল্লাহ আমাকে সেই স্বপ্ন পূরণের শক্তি দিয়েছেন, এর জন্য কৃতজ্ঞ।” পাকিস্তানে জন্ম, অস্ট্রেলিয়ায় বেড়ে ওঠা—অস্ট্রেলিয়ার ইতিহাসে প্রথম পাকিস্তান–জন্ম ও প্রথম মুসলিম টেস্ট ক্রিকেটার হিসেবে খাজার যাত্রা ছিল অনুপ্রেরণার। শুরুর বছরগুলোতে ওঠানামা থাকলেও দৃঢ়তায় ফিরেছেন বারবার। ২০২১–২২ অ্যাশেজ সিরিজে এসসিজিতে ফিরে জোড়া সেঞ্চুরি করে পুনর্জন্ম ঘটান ক্যারিয়
অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট দলে এক অনন্য অধ্যায়ের ইতি টানলেন উসমান খাজা। এই সপ্তাহে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ডে অনুষ্ঠিতব্য শেষ অ্যাশেজ টেস্টই হতে যাচ্ছে তার আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচ। এর মধ্য দিয়ে শেষ হবে ১৫ বছরের বর্ণিল যাত্রা।
৩৯ বছর বয়সী খাজা শুক্রবার সতীর্থদের জানিয়ে দেন তার সিদ্ধান্ত। ২০১১ সালে রিকি পন্টিংয়ের ইনজুরির সুযোগে এসসিজিতেই টেস্ট ক্যারিয়ার শুরু করেছিলেন তিনি। সেই মাঠেই ক্যারিয়ারের শেষ অধ্যায়—এ যেন এক আবেগঘন প্রতীকী সমাপ্তি।
নিজের বিদায়ী বক্তব্যে স্মৃতিময় কণ্ঠে খাজা বলেন, “আমি ছোটবেলায় এসসিজির খুব কাছেই থাকতাম। একদিন মাইকেল স্লেটারকে লাল ফেরারিতে স্টেডিয়ামে ঢুকতে দেখে ভেবেছিলাম—একদিন আমিও টেস্ট খেলোয়াড় হবো। আল্লাহ আমাকে সেই স্বপ্ন পূরণের শক্তি দিয়েছেন, এর জন্য কৃতজ্ঞ।”
পাকিস্তানে জন্ম, অস্ট্রেলিয়ায় বেড়ে ওঠা—অস্ট্রেলিয়ার ইতিহাসে প্রথম পাকিস্তান–জন্ম ও প্রথম মুসলিম টেস্ট ক্রিকেটার হিসেবে খাজার যাত্রা ছিল অনুপ্রেরণার। শুরুর বছরগুলোতে ওঠানামা থাকলেও দৃঢ়তায় ফিরেছেন বারবার। ২০২১–২২ অ্যাশেজ সিরিজে এসসিজিতে ফিরে জোড়া সেঞ্চুরি করে পুনর্জন্ম ঘটান ক্যারিয়ারের। পরে পাকিস্তান ও ইংল্যান্ড সফরেও ধারাবাহিক ব্যাটিংয়ে হয়ে ওঠেন অস্ট্রেলিয়ার ভরসা। ২০২৩ অ্যাশেজের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক ছিলেন তিনি; অস্ট্রেলিয়ার বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ জিততেও ছিল বড় অবদান।
টেস্টে ৬ হাজারের বেশি রান, ১৫ হাজারের বেশি ফার্স্ট–ক্লাস রান, শেফিল্ড শিল্ড শিরোপায় নেতৃত্ব—সব মিলিয়ে নিজের অর্জনে তৃপ্ত খাজা বলেন,
শেষবার মাঠ ছাড়ব কৃতজ্ঞতা নিয়ে, শান্তি নিয়ে—সালাম জানিয়ে এই যাত্রাকে।
ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার সিইও টড গ্রিনবার্গ তাকে “অস্ট্রেলিয়ার অন্যতম স্টাইলিশ ও দৃঢ় ওপেনার” হিসেবে অভিহিত করে বলেন, দলের ভেতরে ও বাইরে খাজার অবদান অকল্পনীয়, বিশেষ করে ‘উসমান খাজা ফাউন্ডেশন’-এর কাজ উল্লেখযোগ্য।
এই সপ্তাহেই এসসিজির ঐতিহ্যবাহী ‘পিঙ্ক টেস্ট’-এ উদ্যাপন করা হবে উসমান খাজার বর্ণিল ক্যারিয়ারের শেষ অধ্যায়।
After a 15-year international career, Usman Khawaja confirmed the Sydney #Ashes Test will be his final time wearing the Baggy Green: https://t.co/MqNLboIvCc pic.twitter.com/5Y8cMGxGCF— cricket.com.au (@cricketcomau) January 1, 2026
What's Your Reaction?