আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় বললেন সরফরাজ

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় বলে দিয়েছেন পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক সরফরাজ আহমেদ। ১৬ বছরের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে ২০০৭ থেকে ২০২৩ পর্যন্ত পাকিস্তানের হয়ে খেলেছেন ৫৪ টেস্ট, ১১৭ ওয়ানডে ও ৬১ টি-টোয়েন্টি। অধিনায়ক হিসেবে পাকিস্তানকে ২০১৭ চ্যাম্পিয়ন্স জেতান সরফরাজ। অনূর্ধ্ব-১৯ দলের হয়ে বিশ্বকাপ জেতেন ২০০৬ সালে। ইমরান খানের পর পাকিস্তানের প্রথম অধিনায়ক হিসেবে পঞ্চাশ ওভারের টুর্নামেন্টের শিরোপা জেতান দলকে। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডকে দেওয়া এক বিবৃতিতে সারফরাজ বলেন, ‘পাকিস্তানের হয়ে খেলাটা আমার জীবনের সবচেয়ে বড় সম্মান। ২০০৬ সালে অনূর্ধ্ব-১৯ দলকে বিশ্বকাপ জেতানো থেকে শুরু করে ২০১৭ সালে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি হাতে তোলা, সব মুহূর্তই ছিল বিশেষ। সতীর্থ, কোচ, পরিবার এবং সমর্থকদের কাছে আমি কৃতজ্ঞ।’ তিনি আরও বলেন, ‘সব ফরম্যাটে পাকিস্তানকে নেতৃত্ব দেওয়া ছিল স্বপ্নপূরণ। আমি সবসময় নির্ভীক ক্রিকেট খেলতে এবং একটি ঐক্যবদ্ধ দল গড়ে তুলতে চেষ্টা করেছি। আমার অধিনায়কত্বে বাবর আজম, শাহিন শাহ আফ্রিদি ও হাসান আলীর মতো খেলোয়াড়দের ম্যাচজয়ী ক্রিকেটারে পরিণত হতে দেখা আমার বড় অর্জন।’ সারফরাজ সব মিলিয়ে তিন ফরম্যাটে ১০০ ম্যাচে পাকি

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় বললেন সরফরাজ

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় বলে দিয়েছেন পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক সরফরাজ আহমেদ। ১৬ বছরের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে ২০০৭ থেকে ২০২৩ পর্যন্ত পাকিস্তানের হয়ে খেলেছেন ৫৪ টেস্ট, ১১৭ ওয়ানডে ও ৬১ টি-টোয়েন্টি।

অধিনায়ক হিসেবে পাকিস্তানকে ২০১৭ চ্যাম্পিয়ন্স জেতান সরফরাজ। অনূর্ধ্ব-১৯ দলের হয়ে বিশ্বকাপ জেতেন ২০০৬ সালে। ইমরান খানের পর পাকিস্তানের প্রথম অধিনায়ক হিসেবে পঞ্চাশ ওভারের টুর্নামেন্টের শিরোপা জেতান দলকে।

পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডকে দেওয়া এক বিবৃতিতে সারফরাজ বলেন, ‘পাকিস্তানের হয়ে খেলাটা আমার জীবনের সবচেয়ে বড় সম্মান। ২০০৬ সালে অনূর্ধ্ব-১৯ দলকে বিশ্বকাপ জেতানো থেকে শুরু করে ২০১৭ সালে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি হাতে তোলা, সব মুহূর্তই ছিল বিশেষ। সতীর্থ, কোচ, পরিবার এবং সমর্থকদের কাছে আমি কৃতজ্ঞ।’

তিনি আরও বলেন, ‘সব ফরম্যাটে পাকিস্তানকে নেতৃত্ব দেওয়া ছিল স্বপ্নপূরণ। আমি সবসময় নির্ভীক ক্রিকেট খেলতে এবং একটি ঐক্যবদ্ধ দল গড়ে তুলতে চেষ্টা করেছি। আমার অধিনায়কত্বে বাবর আজম, শাহিন শাহ আফ্রিদি ও হাসান আলীর মতো খেলোয়াড়দের ম্যাচজয়ী ক্রিকেটারে পরিণত হতে দেখা আমার বড় অর্জন।’

সারফরাজ সব মিলিয়ে তিন ফরম্যাটে ১০০ ম্যাচে পাকিস্তানকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। ১৩টি টেস্ট, ৫০টি ওয়ানডে এবং ৩৭টি টি–টোয়েন্টি। তার অধিনায়কত্বে পাকিস্তান টি–টোয়েন্টিতে বিশ্বের এক নম্বর দলও হয়েছিল।

ব্যাট হাতে টেস্টে তিনি করেছেন ৩০৩১ রান, যার মধ্যে রয়েছে ৪টি সেঞ্চুরি। ওয়ানডেতে তার রান ২৩১৫, আছে দুটি সেঞ্চুরি। টি-টোয়েন্টিতে করেছেন ৮১৮ রান, যার মধ্যে তিনটি অর্ধশতক। উইকেটকিপার হিসেবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তিনি নিয়েছেন ৩১৫টি ক্যাচ এবং করেছেন ৫৬টি স্টাম্পিং।

আইএন

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow