আপিল বিভাগে হেরেও মালিকানা দাবি, পাল্টা সংবাদ সম্মেলন

রাজশাহীতে সম্পত্তি নিয়ে মিথ্যা তথ্য ও অপপ্রচারের অভিযোগ তুলে আব্দুল মাজেদের বিরুদ্ধে পাল্টা সংবাদ সম্মেলন করেছেন মাসুম সরকার।  বৃহস্পতিবার (৭ মে) বিকেলে নগরীর অলোকার মোড় এলাকার মাস্টার সেফ রেস্টুরেন্টে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি দাবি করেন, আব্দুল মাজেদ সম্প্রতি যে অভিযোগ তুলেছেন, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। লিখিত বক্তব্যে মাসুম সরকার বলেন, গত বুধবার আব্দুল মাজেদ তার পৈতৃক সম্পত্তি ভাঙচুর ও মালামাল লুটপাটের অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করেন। পরে সেই বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন অনলাইন পোর্টালে ছড়িয়ে পড়ে, যা জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করেছে বলে দাবি করেন তিনি। মাসুম সরকারের দাবি, সুলতানাবাদ এলাকার আরএস ৪৫৩৭ নম্বর দাগভুক্ত সম্পত্তিটি তিনি ন্যাশনাল ব্যাংক লিমিটেডের প্রকাশ্য নিলামের মাধ্যমে ক্রয় করেন। ২০২৫ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি ব্যাংক তার অনুকূলে দলিল রেজিস্ট্রি করে সম্পত্তির দখল বুঝিয়ে দেয়। এরপর থেকে তিনি বৈধ মালিক হিসেবে খাজনা পরিশোধসহ প্রয়োজনীয় কার্যক্রম পরিচালনা করছেন বলেও জানান। তিনি আরও বলেন, আব্দুল মাজেদ ১৯৭৫ সালে সম্পত্তিটি কিনলেও পরবর্তীতে ব্যাংক ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ

আপিল বিভাগে হেরেও মালিকানা দাবি, পাল্টা সংবাদ সম্মেলন

রাজশাহীতে সম্পত্তি নিয়ে মিথ্যা তথ্য ও অপপ্রচারের অভিযোগ তুলে আব্দুল মাজেদের বিরুদ্ধে পাল্টা সংবাদ সম্মেলন করেছেন মাসুম সরকার। 

বৃহস্পতিবার (৭ মে) বিকেলে নগরীর অলোকার মোড় এলাকার মাস্টার সেফ রেস্টুরেন্টে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি দাবি করেন, আব্দুল মাজেদ সম্প্রতি যে অভিযোগ তুলেছেন, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

লিখিত বক্তব্যে মাসুম সরকার বলেন, গত বুধবার আব্দুল মাজেদ তার পৈতৃক সম্পত্তি ভাঙচুর ও মালামাল লুটপাটের অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করেন। পরে সেই বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন অনলাইন পোর্টালে ছড়িয়ে পড়ে, যা জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করেছে বলে দাবি করেন তিনি।

মাসুম সরকারের দাবি, সুলতানাবাদ এলাকার আরএস ৪৫৩৭ নম্বর দাগভুক্ত সম্পত্তিটি তিনি ন্যাশনাল ব্যাংক লিমিটেডের প্রকাশ্য নিলামের মাধ্যমে ক্রয় করেন। ২০২৫ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি ব্যাংক তার অনুকূলে দলিল রেজিস্ট্রি করে সম্পত্তির দখল বুঝিয়ে দেয়। এরপর থেকে তিনি বৈধ মালিক হিসেবে খাজনা পরিশোধসহ প্রয়োজনীয় কার্যক্রম পরিচালনা করছেন বলেও জানান।

তিনি আরও বলেন, আব্দুল মাজেদ ১৯৭৫ সালে সম্পত্তিটি কিনলেও পরবর্তীতে ব্যাংক ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ হন। পরে অর্থঋণ আদালতের রায়ের মাধ্যমে সম্পত্তিটি ন্যাশনাল ব্যাংকের অনুকূলে চলে যায়। আদালতের একাধিক রায় ও উচ্চ আদালতের সিদ্ধান্তেও ব্যাংকের মালিকানা বহাল রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে মাসুম সরকার অভিযোগ করেন, সম্প্রতি সম্পত্তিতে উন্নয়নকাজ চলাকালে আব্দুল মাজেদের জামাতা মো. নাসিম তার কাছে চাঁদা দাবি করেন। বিষয়টি পুলিশকে জানালে সেই চেষ্টা ব্যর্থ হয়। এরপর থেকেই তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, আব্দুল মাজেদ বিভিন্ন আদালতে একাধিক মামলা করলেও অধিকাংশ মামলায় পরাজিত হয়েছেন। এমনকি উচ্চ আদালতেও তার আবেদন খারিজ হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখ করা কয়েকটি মামলার অস্তিত্ব নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।

এ সময় গণমাধ্যমকর্মীদের তথ্য যাচাই করে সংবাদ প্রকাশের আহ্বান জানান মাসুম সরকার।

তবে আপিল বিভাগ পর্যন্ত মামলায় পরাজয়ের পরও কেন নিজেকে সম্পত্তির মালিক দাবি করছেন—এমন প্রশ্নের জবাবে আব্দুল মাজেদ কালবেলাকে বলেন, এ বিষয়ে আমি কিছু বলতে চাই না। কয়েকটি মামলা এখনো বিচারাধীন রয়েছে।
 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow