আবারও সিনেমা হলে চলছে ‘দীপু নাম্বার টু’

শিশু-কিশোরদের জন্য বন্ধুত্বের গল্প নিয়ে নির্মিত সিনেমা ‘দীপু নাম্বার টু’। ১৯৯৬ সালে মুক্তির পর ব্যবসাসফল সিনেমা হিসেবে জায়গা করে নেয় এটি। সমালোচকদের প্রশংসাও পায়। টিভিতে প্রিমিয়ারের পর ছোট পর্দার দর্শকের কাছেও সমান জনপ্রিয়তা পায় সিনেমাটি। মুহম্মদ জাফর ইকবালের কিশোর উপন্যাস অবলম্বনে ‘দীপু নাম্বার টু’ সিনেমাটি বানিয়েছিলেন মোরশেদুল ইসলাম। সিনেমার নাম রাখা হয় উপন্যাসের নামেই। সিনেমাটিই আবারও বড় পর্দায় দেখার সুযোগ এসেছে। নারায়ণগঞ্জে সিনেস্কোপ চলছে সিনেমাটি। সিনেস্কোপের নির্বাহী পরিচালক রবি জানান, গত (৯ জানুয়ারি) শুক্রবার থেকে শুরু হয়ে আগামী ১৫ (জানুয়ারি) বৃহস্পতিবার পর্যন্ত সিনেমাটি চলবে। তিনি বলেন, ‘বাচ্চাদের এখন স্কুলে পড়ার চাপ কম। সেই জন্য সিনেমাটি চালাচ্ছি। যাতে বাবা-মাদের সঙ্গে এসে দেখতে পারে।’আরও পড়ুনহঠাৎ সৎ হয়ে ফজলুর একি পরিণতি!খায়রুল বাসারকে নিয়ে কেয়া পায়েলের ক্যাপশন উস্কে দিলো প্রেমের গুঞ্জন সিনেমায় মূল চরিত্র অষ্টম শ্রেণিতে পড়া কিশোর দীপু। বাবার সরকারি চাকরির সুবাদে তাদের থাকতে হয় দেশের বিভিন্ন জেলায়। তাই বিভিন্ন জেলার স্কুলে পড়ার জন্য দীপুর বন্ধুও অনেক। বছর শেষে দীপুর

আবারও সিনেমা হলে চলছে ‘দীপু নাম্বার টু’

শিশু-কিশোরদের জন্য বন্ধুত্বের গল্প নিয়ে নির্মিত সিনেমা ‘দীপু নাম্বার টু’। ১৯৯৬ সালে মুক্তির পর ব্যবসাসফল সিনেমা হিসেবে জায়গা করে নেয় এটি। সমালোচকদের প্রশংসাও পায়। টিভিতে প্রিমিয়ারের পর ছোট পর্দার দর্শকের কাছেও সমান জনপ্রিয়তা পায় সিনেমাটি।

মুহম্মদ জাফর ইকবালের কিশোর উপন্যাস অবলম্বনে ‘দীপু নাম্বার টু’ সিনেমাটি বানিয়েছিলেন মোরশেদুল ইসলাম। সিনেমার নাম রাখা হয় উপন্যাসের নামেই। সিনেমাটিই আবারও বড় পর্দায় দেখার সুযোগ এসেছে।

নারায়ণগঞ্জে সিনেস্কোপ চলছে সিনেমাটি। সিনেস্কোপের নির্বাহী পরিচালক রবি জানান, গত (৯ জানুয়ারি) শুক্রবার থেকে শুরু হয়ে আগামী ১৫ (জানুয়ারি) বৃহস্পতিবার পর্যন্ত সিনেমাটি চলবে। তিনি বলেন, ‘বাচ্চাদের এখন স্কুলে পড়ার চাপ কম। সেই জন্য সিনেমাটি চালাচ্ছি। যাতে বাবা-মাদের সঙ্গে এসে দেখতে পারে।’

আরও পড়ুন
হঠাৎ সৎ হয়ে ফজলুর একি পরিণতি!
খায়রুল বাসারকে নিয়ে কেয়া পায়েলের ক্যাপশন উস্কে দিলো প্রেমের গুঞ্জন

সিনেমায় মূল চরিত্র অষ্টম শ্রেণিতে পড়া কিশোর দীপু। বাবার সরকারি চাকরির সুবাদে তাদের থাকতে হয় দেশের বিভিন্ন জেলায়। তাই বিভিন্ন জেলার স্কুলে পড়ার জন্য দীপুর বন্ধুও অনেক। বছর শেষে দীপুর বাবা বদলি হয়ে যখন নতুন জায়গায় যান, ক্লাসের বন্ধুদের ছেড়ে যেতে কষ্ট হয় দীপুর।

তবে দীপুর কাছে তার বাবাই হলেন সবকিছু। বাবার বদলির জন্য পাহাড়ি অঞ্চলে এসে নতুন একটি স্কুলে ভর্তির হওয়ার পর তারেক নামের এক সহপাঠীর সঙ্গে দীপুর প্রথমে ঝগড়া ও মারামারি হলেও ধীরে ধীরে তারা বন্ধু হয়ে ওঠে এবং জড়িয়ে পড়ে এক অ্যাডভেঞ্চারে। দীপু-তারেক ও তাদের বন্ধুরা মিলে ধরে ফেলে মূর্তি পাচারকারীর একটি দল।

সিনেমায় দীপু চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন অরুণ সাহা। এছাড়াও অভিনয় করেছেন বুলবুল আহমেদ, ববিতা, আবুল খায়ের, গোলাম মুস্তাফা, শুভাশীষসহ আরও অনেকে। সিনেমার সংগীত পরিচালনা করেন সত্য সাহা। এতে অভিনয়ের জন্য সেরা শিশু শিল্পী হিসেবে ‘জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার’ পান অরুণ সাহা।

এছাড়াও বুলবুল আহমেদ পুরস্কৃত হন ‘সেরা পার্শ্ব চরিত্রের অভিনেতা’ হিসেবে।

 

এমআই/এলআইএ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow