‘আমরা এখানে শুধু একটি টেস্টের জন্য আসিনি, দুই টেস্টের জন্য এসেছি’
অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে প্রথম টেস্ট জয় তুলে নিয়ে ইতিহাস গড়েছে বাংলাদেশ। ডারউইনে স্বাগতিকদের ৯ উইকেটে হারানোর পর মাঠের মতোই উচ্ছ্বাস দেখা গেছে টাইগারদের ড্রেসিংরুমেও। ঐতিহাসিক এই জয়ের পর সেই উদযাপনের একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। ড্রেসিংরুমে ক্রিকেটারদের অভিনন্দন জানান প্রধান কোচ ফিল সিমন্স। একই সঙ্গে দলের বোলিং ও ব্যাটিং পারফরম্যান্সের প্রশংসা করে সিমন্স বলেন, ‘তোমরা যে কঠোর পরিশ্রম করেছ, এই সাফল্য তোমাদের প্রাপ্য। তোমাদের নিয়ে আমি গর্বিত। ইতিহাসের এই মুহূর্তের সাক্ষী হওয়ার জন্য তোমাদের অভিনন্দন। বোলিং গ্রুপকে বিশেষভাবে অভিনন্দন। ম্যাচজুড়ে সতীর্থদের পারফরম্যান্সে দলের অন্য ক্রিকেটারদের উচ্ছ্বাসও আলাদাভাবে নজরে এসেছে সিমন্সের। তানজিদ হাসান তামিমের সেঞ্চুরি থেকে হাসান মাহমুদের পাঁচ উইকেট-ব্যক্তিগত সাফল্যগুলো কীভাবে পুরো দলকে আনন্দ দিয়েছে, সেটিও তুলে ধরেছেন তিনি। সিমন্স বলেন, ‘তামিম, অসাধারণ। হাসান ও তামিম প্রথম ইনিংসটা আমাদের নিয়ন্ত্রণে রেখেছিল। শান্ত, তুমিও প্রথম ইনিংসটা নিয়ন্ত্রণ করেছো। মিরাজ, তুমিও এর অংশ ছিলে, দ্বিতীয় ইনিংসটা তুমি নিয়ন্ত্রণ করেছো। এরপর আমরা হয়ত
অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে প্রথম টেস্ট জয় তুলে নিয়ে ইতিহাস গড়েছে বাংলাদেশ। ডারউইনে স্বাগতিকদের ৯ উইকেটে হারানোর পর মাঠের মতোই উচ্ছ্বাস দেখা গেছে টাইগারদের ড্রেসিংরুমেও। ঐতিহাসিক এই জয়ের পর সেই উদযাপনের একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।
ড্রেসিংরুমে ক্রিকেটারদের অভিনন্দন জানান প্রধান কোচ ফিল সিমন্স। একই সঙ্গে দলের বোলিং ও ব্যাটিং পারফরম্যান্সের প্রশংসা করে সিমন্স বলেন, ‘তোমরা যে কঠোর পরিশ্রম করেছ, এই সাফল্য তোমাদের প্রাপ্য। তোমাদের নিয়ে আমি গর্বিত। ইতিহাসের এই মুহূর্তের সাক্ষী হওয়ার জন্য তোমাদের অভিনন্দন। বোলিং গ্রুপকে বিশেষভাবে অভিনন্দন।
ম্যাচজুড়ে সতীর্থদের পারফরম্যান্সে দলের অন্য ক্রিকেটারদের উচ্ছ্বাসও আলাদাভাবে নজরে এসেছে সিমন্সের। তানজিদ হাসান তামিমের সেঞ্চুরি থেকে হাসান মাহমুদের পাঁচ উইকেট-ব্যক্তিগত সাফল্যগুলো কীভাবে পুরো দলকে আনন্দ দিয়েছে, সেটিও তুলে ধরেছেন তিনি।
সিমন্স বলেন, ‘তামিম, অসাধারণ। হাসান ও তামিম প্রথম ইনিংসটা আমাদের নিয়ন্ত্রণে রেখেছিল। শান্ত, তুমিও প্রথম ইনিংসটা নিয়ন্ত্রণ করেছো। মিরাজ, তুমিও এর অংশ ছিলে, দ্বিতীয় ইনিংসটা তুমি নিয়ন্ত্রণ করেছো। এরপর আমরা হয়তো বিষয়টিকে সেভাবে দেখি না, কিন্তু শুরুতেই একটি উইকেট হারানোর পর মিনি (মুমিনুল) এসে শান্ত থেকে সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করেছে এবং আমাদের ম্যাচ জিততে সাহায্য করেছে।’
‘এই ম্যাচে আমার কাছে সবচেয়ে ভালো লেগেছে ওপর থেকে বসে যখনই নিচের দিকে ক্যামেরা গেছে, তখনই সবার আনন্দ দেখা গেছে। সে যখন ৯০ রানে ছিল, যখন পাঁচ উইকেট পেয়েছে-সবার মুখে আনন্দ ছিল। দলের জন্য যে যা করছে, তার সাফল্যে সবাই যে খুশি হচ্ছে, সেটাই সবচেয়ে বড় ব্যাপার।’
এই দলগত মানসিকতাকেই ভবিষ্যতের সাফল্যের অন্যতম চাবিকাঠি হিসেবে দেখছেন সিমন্স। তবে ঐতিহাসিক জয় নিয়ে অতিরিক্ত আবেগী না হয়ে পরের ম্যাচের প্রস্তুতিতে মনোযোগী হওয়ার পরামর্শও দিয়েছেন তিনি।
সিমন্স বলেন, ‘আমার মনে হয়, মুশফিক এখন যে কথাটা বলেছে, সেটিই দেখিয়ে দেয় যে এই দল সফল হতে যাচ্ছে কিংবা এটি একটি সফল ধারার শুরু। এটি আমাদের জন্য বড় ইতিবাচক দিক। এখন আমি চাই আমরা একটি বিষয় ধরে রাখি। সাফল্য এবং ধারাবাহিক সাফল্যের জন্য নিজেদের আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। আজ আবেগ অনেক ওপরে উঠবে, কিন্তু সেটিকে খুব বেশি বাড়তে দেওয়া যাবে না। কারণ সিরিজ জিততে আমাদের সামনে এখনো আরেকটি ম্যাচ আছে। আমাদের লক্ষ্যের প্রথম ধাপে আমরা সফল হয়েছি।’
প্রথম টেস্ট জয়ের পরও লক্ষ্য থেকে সরে যেতে চান না বাংলাদেশের প্রধান কোচ। অস্ট্রেলিয়ায় আসার উদ্দেশ্য শুধু একটি ম্যাচ জেতা ছিল না, বরং দুই টেস্টের সিরিজেই ভালো করার পরিকল্পনা ছিল বলে জানান তিনি।
সিমন্সের ভাষায়, ‘আমরা এখানে শুধু একটি টেস্ট ম্যাচের জন্য আসিনি, আমরা দুটি টেস্টের জন্য এসেছি। এখন একটি ম্যাচ শেষ হয়েছে, সামনে আমাদের আরও একটি ম্যাচ আছে।’
এসকেডি/এমএমআর
What's Your Reaction?