আমাকে অবশ্যই দায় নিতে হবে, বললেন শ্রীলঙ্কার মন্ত্রী

শ্রীলঙ্কার মাহারো কারাগারে বন্দিদের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এই প্রাণঘাতী সংঘর্ষের ঘটনায় গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন দেশটির বিচারমন্ত্রী হর্ষন নানায়াক্কারা। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকায় এই ঘটনার সম্পূর্ণ দায় নিজের কাঁধে নিয়েছেন তিনি। সোমবার (৬ জুলাই) গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে বিচারমন্ত্রী এসব কথা বলেন। তিনি জানান, কারাগারের বর্তমান পরিস্থিতি এখন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তবে কারাবন্দিদের মধ্যে এই সংঘর্ষ এবং এর ফলে মানুষের জীবন চলে যাওয়ার ঘটনাকে কোনোভাবেই সমর্থন করা যায় না। আরও পড়ুন শ্রীলঙ্কার কারাগারে বন্দিদের তাণ্ডব, নিহত ২৩ হর্ষন নানায়াক্কারা বলেন, কারাগারে মানুষের প্রাণহানির ঘটনায় আমি গভীরভাবে শোকাহত। যারা এই সংঘর্ষে নিহত হয়েছেন, তাদের পরিবারের প্রতি আমি আমার আন্তরিক সমবেদনা জানাচ্ছি। কারাগারে ঠিক কী ঘটেছিল, তা খতিয়ে দেখতে একটি পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত করা হবে বলে জানিয়েছেন শ্রীলঙ্কার বিচারমন্ত্রী। ভবিষ্যতে যাতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে, সে জন্য প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন তিনি। মন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, এই মুহূর্তে তার মূল লক্ষ

আমাকে অবশ্যই দায় নিতে হবে, বললেন শ্রীলঙ্কার মন্ত্রী

শ্রীলঙ্কার মাহারো কারাগারে বন্দিদের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এই প্রাণঘাতী সংঘর্ষের ঘটনায় গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন দেশটির বিচারমন্ত্রী হর্ষন নানায়াক্কারা। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকায় এই ঘটনার সম্পূর্ণ দায় নিজের কাঁধে নিয়েছেন তিনি।

সোমবার (৬ জুলাই) গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে বিচারমন্ত্রী এসব কথা বলেন। তিনি জানান, কারাগারের বর্তমান পরিস্থিতি এখন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তবে কারাবন্দিদের মধ্যে এই সংঘর্ষ এবং এর ফলে মানুষের জীবন চলে যাওয়ার ঘটনাকে কোনোভাবেই সমর্থন করা যায় না।

হর্ষন নানায়াক্কারা বলেন, কারাগারে মানুষের প্রাণহানির ঘটনায় আমি গভীরভাবে শোকাহত। যারা এই সংঘর্ষে নিহত হয়েছেন, তাদের পরিবারের প্রতি আমি আমার আন্তরিক সমবেদনা জানাচ্ছি।

কারাগারে ঠিক কী ঘটেছিল, তা খতিয়ে দেখতে একটি পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত করা হবে বলে জানিয়েছেন শ্রীলঙ্কার বিচারমন্ত্রী। ভবিষ্যতে যাতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে, সে জন্য প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন তিনি।

মন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, এই মুহূর্তে তার মূল লক্ষ্য কাউকে দোষারোপ করা নয়। বরং প্রকৃত ঘটনা ও তথ্য উদঘাটন করা এবং এর পুনরাবৃত্তি রোধ করা।

এর আগে, রাজধানী কলম্বো থেকে প্রায় ৩৫ কিলোমিটার উত্তরে মিয়ানমারে অবস্থিত নেগোম্বো কারাগারে এই সহিংসতা ঘটে। গত রোববার (৬ জুলাই) এই সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। সোমবারও কারাগারের ভেতরে উত্তেজনা ও সহিংসতা চলে বলে জানিয়েছে স্থানীয় গণমাধ্যম ও পুলিশ।

নেগোম্বো হাসপাতালের পরিচালক পুষ্প গামলাথ জানিয়েছেন, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এ পর্যন্ত ২৩টি মরদেহ গ্রহণ করেছে। এ ছাড়া ১০০ জনেরও বেশি আহত বন্দি ও কারারক্ষীকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে বেশ কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

সূত্র: নিউজওয়্যার, আল-জাজিরা
কেএএ/

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow