‘আমারে হিজড়া বানাইয়া রাইখেন না, বর্তমানে আমি হিজড়া পর্যায়ে আছি’

কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও কিশোরগঞ্জ-৫ (নিকলী-বাজিতপুর) আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী শেখ মুজিবুর রহমান ইকবাল বলেছেন, ‌‘আমারে হিজড়া বানাইয়া রাইখেন না। বর্তমানে আমি হিজড়া পর্যায়ে আছি। আমারে বহিষ্কারও করে না, মার্কাও লইয়া গেছে, মার্কাও ফিরিয়ে দেয় না। কিছু পানি মনে হয় তাদের কানে গেছে। ১৮ তারিখ পর্যন্ত শুধু আপনাদের অপেক্ষা করতে হবে।’ বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) দুপুরে বাজিতপুর উপজেলার সরারচর এলাকার নিজ বাড়িতে আসন্ন সংসদ নির্বাচনের সাংগঠনিক বিষয়ে উপজেলা, পৌর ও ইউনিয়ন বিএনপির জরুরি সভায় তিনি এসব কথা বলেন। শেখ মুজিবুর রহমান ইকবাল বলেন, ‘আমার কথা হইলো—দিলে ভালো, না দিলে আরো বেশি ভালো। এভাবেই থাকেন। ১৮ তারিখ হইতো সম্মানের সঙ্গে কেন্দ্রীয় কমিটির দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। নিশ্চয়ই আমি ইনসাফ পাবো। ইনসাফের আশায় আমরা আছি। আল্লাহ বলছে, সবুর করো—সবুরে মেওয়া ফলে। আমাদের সবুরেও মেওয়া ফলতে পারে নাকি?’ তিনি বলেন, ‘কী কারণে আমাকে প্রথমে মনোনয়ন দিয়ে পরে মনোনয়ন বঞ্চিত করলো, তাও আমি জানি না। পরীক্ষিত সৈনিক বাদ দিয়ে রাতের আঁধারে যারা ভিন্ন দল থেকে এসে সকালে মনোনয়ন পায়, তাকে আমি মানি না। তাকে ছাড়া কি নিকলী

‘আমারে হিজড়া বানাইয়া রাইখেন না, বর্তমানে আমি হিজড়া পর্যায়ে আছি’

কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও কিশোরগঞ্জ-৫ (নিকলী-বাজিতপুর) আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী শেখ মুজিবুর রহমান ইকবাল বলেছেন, ‌‘আমারে হিজড়া বানাইয়া রাইখেন না। বর্তমানে আমি হিজড়া পর্যায়ে আছি। আমারে বহিষ্কারও করে না, মার্কাও লইয়া গেছে, মার্কাও ফিরিয়ে দেয় না। কিছু পানি মনে হয় তাদের কানে গেছে। ১৮ তারিখ পর্যন্ত শুধু আপনাদের অপেক্ষা করতে হবে।’

বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) দুপুরে বাজিতপুর উপজেলার সরারচর এলাকার নিজ বাড়িতে আসন্ন সংসদ নির্বাচনের সাংগঠনিক বিষয়ে উপজেলা, পৌর ও ইউনিয়ন বিএনপির জরুরি সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

শেখ মুজিবুর রহমান ইকবাল বলেন, ‘আমার কথা হইলো—দিলে ভালো, না দিলে আরো বেশি ভালো। এভাবেই থাকেন। ১৮ তারিখ হইতো সম্মানের সঙ্গে কেন্দ্রীয় কমিটির দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। নিশ্চয়ই আমি ইনসাফ পাবো। ইনসাফের আশায় আমরা আছি। আল্লাহ বলছে, সবুর করো—সবুরে মেওয়া ফলে। আমাদের সবুরেও মেওয়া ফলতে পারে নাকি?’

তিনি বলেন, ‘কী কারণে আমাকে প্রথমে মনোনয়ন দিয়ে পরে মনোনয়ন বঞ্চিত করলো, তাও আমি জানি না। পরীক্ষিত সৈনিক বাদ দিয়ে রাতের আঁধারে যারা ভিন্ন দল থেকে এসে সকালে মনোনয়ন পায়, তাকে আমি মানি না। তাকে ছাড়া কি নিকলী-বাজিতপুরে আর কোনো যোগ্য লোক নাই? কী কারণে তাকে দিতে হলো—এটার জবাবও দলকে দিতে হবে।’

সভায় উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনিরসহ উপজেলা ও পৌর বিএনপি, সব ইউনিয়ন বিএনপি, ওয়ার্ড বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিতি ছিলেন।

এসকে রাসেল/এসআর

 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow