আমার ভাই বাংলাদেশের এমন চিত্র দেখলে হয়তো সেদিন মুক্তিযুদ্ধ করতেন না

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, এখানে রনাঙ্গণের বীর মুক্তিযোদ্ধারা অথবা তাদের সন্তানেরা আছেন। আমিও এক শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্য। আমার যে ভাই জীবন দিয়েছেন, আমি বিশ্বাস করি এমন বাংলাদেশের চিত্র দেখলে তিনি হয়তো সেদিন মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করতেন না। তিনি বলেন, জীবন বাজি রেখে, জীবন দিয়ে যারা আমাদেরকে ঋণী করে গেলেন তাদের প্রতি এ দেশ, জাতি, রাজনৈতিক দল আর নেতৃবৃন্দ কী সম্মান দেখালো? তাদেরতো স্বপ্ন ছিল একটি ন্যায় ও সাম্যের বাংলাদেশ তারা কায়েম করবেন। মানুষের জীবনে অর্থনৈতিক মুক্তি আসবে। সন্তানরা সুশিক্ষায় শিক্ষিত হবে। আসলে কিছুই হলো না। কার কারণে হলো না? এর জন্য কি সাধারণ জনগণ দায়ী? অবশ্যই না। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টায় হবিগঞ্জ নিউ ফিল্ড মাঠে ১১ দলীয় জোট আয়োজিত নির্বাচনি সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা কাজী মুখলিছুর রহমানের সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারি হবিগঞ্জ-৩ আসনের প্রার্থী কাজী মহসিন আহমদের সঞ্চালনায় সমাবেশে ডা. শফিকুর রহমান জেলার ৪টি আসনে জোটের প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দেন। এসময় তিনি বলেন, দফায় দফায় যারা দেশ পরিচা

আমার ভাই বাংলাদেশের এমন চিত্র দেখলে হয়তো সেদিন মুক্তিযুদ্ধ করতেন না

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, এখানে রনাঙ্গণের বীর মুক্তিযোদ্ধারা অথবা তাদের সন্তানেরা আছেন। আমিও এক শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্য। আমার যে ভাই জীবন দিয়েছেন, আমি বিশ্বাস করি এমন বাংলাদেশের চিত্র দেখলে তিনি হয়তো সেদিন মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করতেন না।

তিনি বলেন, জীবন বাজি রেখে, জীবন দিয়ে যারা আমাদেরকে ঋণী করে গেলেন তাদের প্রতি এ দেশ, জাতি, রাজনৈতিক দল আর নেতৃবৃন্দ কী সম্মান দেখালো? তাদেরতো স্বপ্ন ছিল একটি ন্যায় ও সাম্যের বাংলাদেশ তারা কায়েম করবেন। মানুষের জীবনে অর্থনৈতিক মুক্তি আসবে। সন্তানরা সুশিক্ষায় শিক্ষিত হবে। আসলে কিছুই হলো না। কার কারণে হলো না? এর জন্য কি সাধারণ জনগণ দায়ী? অবশ্যই না।

শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টায় হবিগঞ্জ নিউ ফিল্ড মাঠে ১১ দলীয় জোট আয়োজিত নির্বাচনি সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা কাজী মুখলিছুর রহমানের সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারি হবিগঞ্জ-৩ আসনের প্রার্থী কাজী মহসিন আহমদের সঞ্চালনায় সমাবেশে ডা. শফিকুর রহমান জেলার ৪টি আসনে জোটের প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দেন।

এসময় তিনি বলেন, দফায় দফায় যারা দেশ পরিচালনার সুযোগ পেয়েছিলেন, ভালো যদি কিছু করে থাকেন এটিও তাদের কৃতিত্ব। অপকর্ম যদি কিছু থাকেন তারও দায় তাদের। কেউ কোনো কিছু ভালো করেনি তা আমি বলবো না। কিন্তু যে দেশের মানুষের হাতের ছোঁয়ায় দুনিয়ার বিভিন্ন দেশের মানুষের কপাল বদলে যায় সে দেশের মানুষের কপাল বদলায় না কেন? এই না বদলানোর মূল কারণ হলো অসৎ নেতৃত্ব।

তিনি আরও বলেন, স্বাধীনতার ৫৪ বছর চলে গেছে। আমাদের এ দেশ দাঁড়ানোর জন্য এটি যথেষ্ট সময় ছিল। ভিয়েতনাম আমাদের বহু পরে স্বাধীনতা পেয়েছে। গৃহযুদ্ধের কবল থেকে মুক্তি পেয়েছে। সেই ভিয়েতনাম এখন এ অঞ্চলের ঈর্ষণীয় উন্নয়নের রোল মডেল। কিন্তু বাংলাদেশের কপালে কোনো ভালো পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে না। এখনো বাংলাদেশে সন্ত্রাস হয়। এখনও মায়েরা ঘরের মধ্যে নিরাপদ নন। ঘর থেকে বের হলে কর্মস্থলে নিরাপদ নন। এখনও দেশে চাঁদাবাজদের ভয়ে মানুষ অস্থির। মামলাবাজদের ভয়ে সাধারণ নিরীহ মানুষ অস্থির। দুর্নীতি আমাদের সমাজকে আগাগোড়া ছেয়ে ফেলেছে।

সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন খেলাফত মজলিশের কেন্দ্রীয় আমির হবিগঞ্জ-২ আসনের প্রার্থী মাওলানা আব্দুল বাসিত আজাদ, মহাসচিব হবিগঞ্জ-৪ আসনের প্রার্থী ড. আহমদ আব্দুল কাদের বাচ্চু, জামায়াতের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জোবায়ের, জাগপা ভাইস চেয়ারম্যান রাশেদ প্রধান, জাকসু জিএস মাজহারুল ইসলাম, নেজামে ইসলাম সিলেট মহানগর আমির মাওলানা জোবায়ের রহমান খান, হবিগঞ্জ-১ আসনের প্রার্থী মুফতি মাওলানা সিরাজুল ইসলাম মিরপুরী, গণ অধিকার পরিষদ থেকে সদ্য জামায়াতে যোগ দেওয়া নেতা অ্যাডভোকেট আশরাফুল বারী নোমান ও জেলা এনসিপির আহ্বায়ক আবু হেনা মোস্তফা কামাল প্রমুখ।

সৈয়দ এখলাছুর রহমান খোকন/এফএ/এমএস

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow