আমিরাতের প্রেসিডেন্টের সাথে নেতানিয়াহুর ফোনালাপ

সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন। দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বার্তাসংস্থা এমিরেটস নিউজ এজেন্সি (ওয়াম) জানিয়েছে, দুই নেতা সাম্প্রতিক ইরানি হামলার নিন্দা জানিয়েছেন। নেতানিয়াহু সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতি সংহতি প্রকাশ করেছেন। তারা দেশটির নিরাপত্তা, স্থিতিশীলতা ও নাগরিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে নেওয়া যেকোনো পদক্ষেপের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন। অন্যদিকে, ইসরাইলের আরবি ভাষার এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্টে বলা হয়, নেতানিয়াহু এসব হামলাকে “সার্বভৌমত্বের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন” এবং “আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি” হিসেবে উল্লেখ করে তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। উল্লেখ্য, যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) ওয়ারেন্টভুক্ত ব্যক্তি তিনি। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমন্বয় করে ইসরাইল ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের বিরুদ্ধে হামলা চালানোর পরও সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতি তাদের “অটল সংহতি” এবং নিরাপত্তা রক্ষায় সব পদক্ষেপের প্রতি পূর্ণ সমর্থন অব্যাহত রয়েছে। ২০২০ সালে যুক্তরাষ

আমিরাতের প্রেসিডেন্টের সাথে নেতানিয়াহুর ফোনালাপ

সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন। দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বার্তাসংস্থা এমিরেটস নিউজ এজেন্সি (ওয়াম) জানিয়েছে, দুই নেতা সাম্প্রতিক ইরানি হামলার নিন্দা জানিয়েছেন। নেতানিয়াহু সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতি সংহতি প্রকাশ করেছেন। তারা দেশটির নিরাপত্তা, স্থিতিশীলতা ও নাগরিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে নেওয়া যেকোনো পদক্ষেপের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন।

অন্যদিকে, ইসরাইলের আরবি ভাষার এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্টে বলা হয়, নেতানিয়াহু এসব হামলাকে “সার্বভৌমত্বের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন” এবং “আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি” হিসেবে উল্লেখ করে তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। উল্লেখ্য, যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) ওয়ারেন্টভুক্ত ব্যক্তি তিনি।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমন্বয় করে ইসরাইল ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের বিরুদ্ধে হামলা চালানোর পরও সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতি তাদের “অটল সংহতি” এবং নিরাপত্তা রক্ষায় সব পদক্ষেপের প্রতি পূর্ণ সমর্থন অব্যাহত রয়েছে।

২০২০ সালে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় হওয়া চুক্তির মাধ্যমে সংযুক্ত আরব আমিরাত উপসাগরীয় অঞ্চলের প্রথম দেশ হিসেবে ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করে। এরপর থেকে দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক ও প্রতিরক্ষা সহযোগিতা ক্রমেই জোরদার হয়েছে।

সূত্র: আল জাজিরা।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow