আম্পায়ার সৈকতের পদত্যাগের বিষয়ে যা জানাল বিসিবি 

আম্পায়ার শরফুদ্দৌলা ইবনে শহীদ সৈকত বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডর (বিসিবি) চুক্তি থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। তার পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছে সংস্থাটি। তার পদত্যাগ নিয়ে নানা গুঞ্জন থাকলেও সেসব নাকচ করে পদত্যাগের ব্যাখ্যা দিয়েছে বিসিবি।  সৈকতের পদত্যাগের কারণ জানিয়েছে একটি বিবৃতি দিয়েছে বিসিবি। এতে বলা হয়, মূলত গত বছরের ডিসেম্বরে আম্পায়ার সৈকতের সঙ্গে সঙ্গে চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়। পরে সেটি এপ্রিল পর্যন্ত বর্ধিত করেছিল বিসিবি। সেই সময়ও শেষ হওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই এ আম্পায়ার সরে দাঁড়িয়েছেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে বিবৃতিতে।  বিবৃতিতে আরও বলা হয়, আইসিসি এলিট প্যানেল আম্পায়ার শরফুদ্দৌলা ইবনে শহীদ সৈকতের সঙ্গে বোর্ডের সম্পর্ক নিয়ে সম্প্রতি গণমাধ্যমের প্রতিবেদনগুলো লক্ষ্য করেছে বিসিবি। সেসব প্রতিবেদন তার বর্তমান অবস্থান নিয়ে কিছুটা বিভ্রান্তি বা ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি করতে পারে। শরফুদ্দৌলা বিসিবি আম্পায়ার হিসেবে বোর্ডের সাথে চুক্তিবদ্ধ ছিলেন। তার চুক্তিটি মূলত ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে শেষ হওয়ার কথা থাকলেও পরবর্তীতে তা ২০২৬ সালের এপ্রিল পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছিল। বর্ধিত মেয়াদের সমাপ্তির পর চুক্তির আর কোনো মেয়াদ বাড়ানো হয়নি। 

আম্পায়ার সৈকতের পদত্যাগের বিষয়ে যা জানাল বিসিবি 

আম্পায়ার শরফুদ্দৌলা ইবনে শহীদ সৈকত বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডর (বিসিবি) চুক্তি থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। তার পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছে সংস্থাটি। তার পদত্যাগ নিয়ে নানা গুঞ্জন থাকলেও সেসব নাকচ করে পদত্যাগের ব্যাখ্যা দিয়েছে বিসিবি। 

সৈকতের পদত্যাগের কারণ জানিয়েছে একটি বিবৃতি দিয়েছে বিসিবি। এতে বলা হয়, মূলত গত বছরের ডিসেম্বরে আম্পায়ার সৈকতের সঙ্গে সঙ্গে চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়। পরে সেটি এপ্রিল পর্যন্ত বর্ধিত করেছিল বিসিবি। সেই সময়ও শেষ হওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই এ আম্পায়ার সরে দাঁড়িয়েছেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে বিবৃতিতে। 

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, আইসিসি এলিট প্যানেল আম্পায়ার শরফুদ্দৌলা ইবনে শহীদ সৈকতের সঙ্গে বোর্ডের সম্পর্ক নিয়ে সম্প্রতি গণমাধ্যমের প্রতিবেদনগুলো লক্ষ্য করেছে বিসিবি। সেসব প্রতিবেদন তার বর্তমান অবস্থান নিয়ে কিছুটা বিভ্রান্তি বা ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি করতে পারে। শরফুদ্দৌলা বিসিবি আম্পায়ার হিসেবে বোর্ডের সাথে চুক্তিবদ্ধ ছিলেন। তার চুক্তিটি মূলত ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে শেষ হওয়ার কথা থাকলেও পরবর্তীতে তা ২০২৬ সালের এপ্রিল পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছিল। বর্ধিত মেয়াদের সমাপ্তির পর চুক্তির আর কোনো মেয়াদ বাড়ানো হয়নি। 

সৈকতের সরে দাঁড়ানোর কারণ ব্যাখ্যা করে বিসিবি বলছে, আইসিসি এলিট প্যানেল আম্পায়ার হিসেবে শরফুদ্দৌলার ক্রমবর্ধমান দায়িত্ব এবং বিসিবির হয়ে আগের মতো একই ভূমিকায় কাজ করার সুযোগ কমে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকায় এমন সিদ্ধান্ত। তাই বোর্ডের সঙ্গে তার পূর্ববর্তী চুক্তির মেয়াদ ২০২৬ সালের এপ্রিলে শেষ হয়।

প্রসঙ্গত, আইসিসি এলিট প্যানেল আম্পায়ারদের কেন্দ্রীয় চুক্তির আওতায় আনাটা পূর্ণ সদস্য দেশগুলোর মধ্যে প্রচলিত কোনো রীতি নয়। এর প্রধান কারণ– জাতীয় বোর্ডের সময়সূচির চাহিদার সঙ্গে তাদের আন্তর্জাতিক ম্যাচ পরিচালনার ব্যস্ততার মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখার জটিলতা। তবে শরফুদ্দৌলার প্রাপ্যতা সাপেক্ষে, বিসিবি তাকে দ্বিপাক্ষিক আন্তর্জাতিক সিরিজ এবং ঘরোয়া ফার্স্ট-ক্লাস, লিস্ট ‘এ’ ও টি-টোয়েন্টি প্রতিযোগিতায় ম্যাচ পরিচালনার জন্য নিয়োগ দিতে পারে। 

সেই বিবেচনায় ২০২৬ সালের এপ্রিলে চুক্তি শেষ হলেও সৈকতকে ২০২৬ সালের জুনে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজ পরিচালনার দায়িত্ব প্রদান করেছিল বিসিবি।

এর আগে ২০২৫ সালের এপ্রিলে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচে আম্পায়ার সৈকতের সঙ্গে তর্কে জড়িয়ে শাস্তি পেয়েছিলেন মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের অধিনায়ক তাওহীদ হৃদয়। এছাড়া সংবাদমাধ্যমে আম্পায়ারদের নিয়ে কথা বলায় তাকে সবমিলিয়ে দুই ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা ও ৪ ডিমেরিট পয়েন্ট দেওয়া হয়। তবে সেই শাস্তি বাতিল হয়ে যায় অবিশ্বাস্যভাবে। একজন ক্রিকেটারের শাস্তির ইস্যুতে বোর্ডের হস্তক্ষেপ মোটেও ভালোভাবে নেননি সৈকত। তখনই তিনি আর দেশের ঘরোয়া ক্রিকেটে আম্পায়ারিং করবেন না বলে জানিয়ে দেন। সেই ইস্যুটিকে এবারও তার পদত্যাগের কারণ বলে গুঞ্জন ওঠে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow