আরও দুই মাস বাড়ছে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ

আরও দুই মাস বাড়তে যাচ্ছে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধবিরতির মেয়াদ। এ বিষয়ে দুপক্ষ একটি সমঝোতার কাছাকাছি পৌঁছেছে। মধ্যস্থতাকারীদের বরাতে ফিন্যান্সিয়াল টাইমসের এক প্রতিবেদনে শনিবার (২৩ মে) এ তথ্য জানানো হয়েছে। ফিন্যান্সিয়াল টাইমস জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান যুদ্ধবিরতি আরও ৬০ দিন বাড়ানোর বিষয়ে একটি সমঝোতার কাছাকাছি পৌঁছেছেন মধ্যস্থতাকারীরা। একই সঙ্গে আলোচনায় তেহরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনার জন্য একটি কাঠামোও নির্ধারণ করা হতে পারে। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সম্ভাব্য এই চুক্তির আওতায় ধীরে ধীরে হরমুজ প্রণালি পুনরায় উন্মুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত হ্রাস করা বা অন্যত্র স্থানান্তরের বিষয়েও আলোচনা হতে পারে। সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, আলোচনার অংশ হিসেবে ওয়াশিংটন ইরানের বন্দরগুলোর ওপর আরোপিত অবরোধ শিথিল করা এবং নিষেধাজ্ঞা কমানোর দিকেও কিছু পদক্ষেপ নিতে পারে। এদিকে আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবিত শান্তি চুক্তি নিয়ে এখনো আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে ইরান। তবে তেহরান জানিয়েছে, ওয়াশিংটনের ‘অতিরিক্ত

আরও দুই মাস বাড়ছে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ
আরও দুই মাস বাড়তে যাচ্ছে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধবিরতির মেয়াদ। এ বিষয়ে দুপক্ষ একটি সমঝোতার কাছাকাছি পৌঁছেছে। মধ্যস্থতাকারীদের বরাতে ফিন্যান্সিয়াল টাইমসের এক প্রতিবেদনে শনিবার (২৩ মে) এ তথ্য জানানো হয়েছে। ফিন্যান্সিয়াল টাইমস জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান যুদ্ধবিরতি আরও ৬০ দিন বাড়ানোর বিষয়ে একটি সমঝোতার কাছাকাছি পৌঁছেছেন মধ্যস্থতাকারীরা। একই সঙ্গে আলোচনায় তেহরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনার জন্য একটি কাঠামোও নির্ধারণ করা হতে পারে। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সম্ভাব্য এই চুক্তির আওতায় ধীরে ধীরে হরমুজ প্রণালি পুনরায় উন্মুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত হ্রাস করা বা অন্যত্র স্থানান্তরের বিষয়েও আলোচনা হতে পারে। সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, আলোচনার অংশ হিসেবে ওয়াশিংটন ইরানের বন্দরগুলোর ওপর আরোপিত অবরোধ শিথিল করা এবং নিষেধাজ্ঞা কমানোর দিকেও কিছু পদক্ষেপ নিতে পারে। এদিকে আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবিত শান্তি চুক্তি নিয়ে এখনো আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে ইরান। তবে তেহরান জানিয়েছে, ওয়াশিংটনের ‘অতিরিক্ত দাবি’ আলোচনাকে ভেঙে পড়ার দিকে ঠেলে দিচ্ছে। একই সঙ্গে মার্কিন প্রশাসন আলোচনা ব্যর্থ হলে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলেও বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। এমন উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতিতে শুক্রবার তেহরানে পৌঁছান পাকিস্তান সেনাপ্রধান আসিম মুনির। রাতে তিনি ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির সঙ্গে বৈঠক করেন। দুই নেতা চলমান উত্তেজনা প্রশমনে কূটনৈতিক উদ্যোগ এবং সংঘাত এড়ানোর বিভিন্ন প্রচেষ্টা নিয়ে মতবিনিময় করেন বলে আরাগচির টেলিগ্রাম বার্তায় জানানো হয়েছে। অন্যদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শুক্রবার জানান, ‘সরকারি পরিস্থিতির’ কারণে তিনি ছেলের বিয়েতে অংশ নেবেন না এবং ওয়াশিংটনেই অবস্থান করবেন। এতে পরিস্থিতি আরও সংবেদনশীল পর্যায়ে পৌঁছেছে বলে জোরাল আলোচনা শুরু হয়েছে। ট্রাম্প চলতি সপ্তাহের আলোচনাকে ‘যুদ্ধ ও সমঝোতার মধ্যবর্তী সীমান্তে’ অবস্থান করছে বলে মন্তব্য করেন। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাকেই সতর্ক করে বলেছেন, আসিম মুনিরের তেহরান সফরকে কোনো ‘টার্নিং পয়েন্ট’ বা চূড়ান্ত অগ্রগতি হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। কারণ দুই পক্ষের মধ্যে এখনো ‘গভীর ও গুরুত্বপূর্ণ’ মতপার্থক্য রয়ে গেছে বলে জানিয়েছে দেশটির সংবাদ সংস্থা আইএসএনএ।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow