আরও বাড়তে যাচ্ছে জ্বালানি সংকট 

হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেলবাহী জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক না হলে আগামী গ্রীষ্মে জ্বালানি সংকট আরও বাড়তে পারে বলে সতর্ক করেছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ), বিশ্বব্যাংক এবং আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার (আইইএ)। শুক্রবার (২৯ মে) এক যৌথ বিবৃতিতে সংস্থাগুলোর প্রধানরা বলেন, ‘হরমুজ প্রণালি দিয়ে সরবরাহে বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটায় বৈশ্বিক তেলের মজুত রেকর্ড গতিতে কমে যাচ্ছে।’ খবর রয়টার্সের। তারা আরও বলেন, ‘জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে না এলে সর্বোচ্চ চাহিদার সময় বৈশ্বিক তেলের মজুতে ঘাটতি দেখা যাবে। এতে জ্বালানি নিরাপত্তা, বাজার পরিস্থিতি এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার ওপর ঝুঁকি আরও বাড়বে।’ যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ও ইরান সংঘাত মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে দিয়েছে। ইরানের পাল্টা পদক্ষেপের ফলে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল কার্যত বন্ধ রয়েছে। বিশ্বের মোট জ্বালানি সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ সাধারণত এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ দিয়ে পরিবহন করা হয়। গত এপ্রিল মাসে আইএমএফ, বিশ্বব্যাংক ও আইইএর প্রধানরা সংকট মোকাবিলায় সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য একটি যৌথ প্ল্যাটফর্ম গঠনের ঘোষণা দেন। বিশেষ করে ঝুঁকিপ

আরও বাড়তে যাচ্ছে জ্বালানি সংকট 

হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেলবাহী জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক না হলে আগামী গ্রীষ্মে জ্বালানি সংকট আরও বাড়তে পারে বলে সতর্ক করেছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ), বিশ্বব্যাংক এবং আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার (আইইএ)।

শুক্রবার (২৯ মে) এক যৌথ বিবৃতিতে সংস্থাগুলোর প্রধানরা বলেন, ‘হরমুজ প্রণালি দিয়ে সরবরাহে বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটায় বৈশ্বিক তেলের মজুত রেকর্ড গতিতে কমে যাচ্ছে।’ খবর রয়টার্সের।

তারা আরও বলেন, ‘জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে না এলে সর্বোচ্চ চাহিদার সময় বৈশ্বিক তেলের মজুতে ঘাটতি দেখা যাবে। এতে জ্বালানি নিরাপত্তা, বাজার পরিস্থিতি এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার ওপর ঝুঁকি আরও বাড়বে।’

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ও ইরান সংঘাত মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে দিয়েছে। ইরানের পাল্টা পদক্ষেপের ফলে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল কার্যত বন্ধ রয়েছে। বিশ্বের মোট জ্বালানি সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ সাধারণত এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ দিয়ে পরিবহন করা হয়।

গত এপ্রিল মাসে আইএমএফ, বিশ্বব্যাংক ও আইইএর প্রধানরা সংকট মোকাবিলায় সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য একটি যৌথ প্ল্যাটফর্ম গঠনের ঘোষণা দেন। বিশেষ করে ঝুঁকিপূর্ণ অর্থনীতিগুলোকে সহায়তা দেওয়ার বিষয়টি এতে গুরুত্ব পায়।

শুক্রবারের বিবৃতিতে তারা উল্লেখ করেন, যুদ্ধের কারণে জ্বালানি ও সারের দাম বেড়ে যাওয়ায় নিম্ন আয়ের দেশগুলো সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

এদিকে চলতি সপ্তাহে আইএমএফ জানায়, বাংলাদেশ নতুন একটি আর্থিক সহায়তা প্যাকেজ চেয়েছে এবং এ বিষয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে আলোচনা চলছে।

সংঘাতের প্রভাব বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে, বিশেষ করে উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে তেল ও গ্যাস আমদানির ওপর নির্ভরশীল দেশগুলোতে। দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অনেক দেশ এর আওতায় পড়ে।

এ ছাড়া সার সরবরাহেও বিঘ্ন ঘটেছে। আমদানিনির্ভর দেশগুলো এতে বড় ধরনের চাপে পড়েছে এবং খাদ্য নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow