আরও ২ আসনের ব্যালট-রেজাল্ট শিট হেফাজতে নেওয়ার নির্দেশ
ঢাকা-৪ ও ঢাকা-১৬ আসনের ব্যালট পেপার, রেজাল্ট শিট ও অন্যান্য নির্বাচনী সরঞ্জামাদি নির্বাচন কমিশনের (ইসি) হেফাজতে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগের মামলার পরিপ্রেক্ষিতে এ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ওই আসনের বিজয়ী প্রার্থীদের নোটিশ ইস্যু করা হয়েছে। রোববার (৮ মার্চ) কারচুপির অভিযোগের মামলাটি শুনানির জন্য গ্রহণ করে বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের একক হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। মামলার পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী ৮ জুন দিন নির্ধারণ করেছেন আদালত। এর আগে নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ এনে হাইকোর্টের নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালে মামলা করেন ঢাকা-৪ আসনের বিএনপি প্রার্থী তানভীর আহমেদ রবিন এবং ঢাকা-১৬ আসনের বিএনপি প্রার্থী প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। তারা আবেদনে ভোট পুনর্গণনার দাবি জানিয়েছেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ তুলে এখন পর্যন্ত বিএনপির আটজন, জামায়াতে ইসলামীর সাতজন এবং স্বতন্ত্র একজন প্রার্থীর আবেদনের প্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকার ব্যালট পেপার ও রেজাল্ট শিট হেফাজতে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্টের এই বেঞ্চ। উল্লেখ্য, গত ১৯ ফেব্রুয়ার
ঢাকা-৪ ও ঢাকা-১৬ আসনের ব্যালট পেপার, রেজাল্ট শিট ও অন্যান্য নির্বাচনী সরঞ্জামাদি নির্বাচন কমিশনের (ইসি) হেফাজতে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগের মামলার পরিপ্রেক্ষিতে এ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ওই আসনের বিজয়ী প্রার্থীদের নোটিশ ইস্যু করা হয়েছে।
রোববার (৮ মার্চ) কারচুপির অভিযোগের মামলাটি শুনানির জন্য গ্রহণ করে বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের একক হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। মামলার পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী ৮ জুন দিন নির্ধারণ করেছেন আদালত।
এর আগে নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ এনে হাইকোর্টের নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালে মামলা করেন ঢাকা-৪ আসনের বিএনপি প্রার্থী তানভীর আহমেদ রবিন এবং ঢাকা-১৬ আসনের বিএনপি প্রার্থী প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। তারা আবেদনে ভোট পুনর্গণনার দাবি জানিয়েছেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ তুলে এখন পর্যন্ত বিএনপির আটজন, জামায়াতে ইসলামীর সাতজন এবং স্বতন্ত্র একজন প্রার্থীর আবেদনের প্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকার ব্যালট পেপার ও রেজাল্ট শিট হেফাজতে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্টের এই বেঞ্চ।
উল্লেখ্য, গত ১৯ ফেব্রুয়ারি গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশের ৪৯ ধারা অনুযায়ী নির্বাচনী অনিয়মের বিরুদ্ধে ‘নির্বাচনী’ আবেদনপত্র শুনানির জন্য হাইকোর্টে নির্বাচনি ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়। বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের নেতৃত্বে একক বেঞ্চ এসব আবেদনের ওপর শুনানি গ্রহণ করবেন।
What's Your Reaction?