আরও ৩৪৯ উপজেলায় চালু হচ্ছে প্রাথমিকের ‘মিড ডে মিল’

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ‘মিড ডে মিল’ বা স্কুল ফিডিং কর্মসূচি দেশের আরও ৩৪৯টি উপজেলায় চালু করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। প্রকল্পটি বর্তমানে প্রক্রিয়াধীন। শিক্ষার্থীদের ঝরেপড়া রোধ, উপস্থিতি বাড়ানো এবং পুষ্টি নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই এ কর্মসূচির পরিধি বাড়ানো হচ্ছে বলে জানিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা অধিদপ্তর। সোমবার (১৩ এপ্রিল) এ তথ্য জানান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ফিডিং কর্মসূচির প্রকল্প পরিচালক ও যুগ্মসচিব মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ। মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ বলেন, গত বছর দেশের ১৫০টি উপজেলায় আমরা ফিডিং কর্মসূচি চালু করেছিলাম। নতুন করে ৩৪৯টি উপজেলায় প্রকল্পটি চালু করা হবে। এ পর্যায়ে দেশের সব মহানগর, জেলা শহর এবং গ্রামের স্কুলগুলো এ কর্মসূচির আওতায় নিয়ে আসা হবে। ইতোমধ্যে নতুন প্রকল্পের কাজ অনেকদূর এগিয়েছে। গত বছরের ১৫ নভেম্বর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ঝরে পড়া রোধ, উপস্থিতি বাড়ানোসহ শিক্ষার্থীদের পুষ্টি নিশ্চিত করতে মিড ডে মিল চালু করে সরকার। দেশের নির্বাচিত ১৫০টি উপজেলার ১৯ হাজার ৪১৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৩১ লাখ ১৩ হাজার শিক্ষার্থীকে সপ্তাহে পাঁচ স্কুল কর্ম দিবসে ফর্টিফাইড বিস্কুট, কলা বা মৌসুমি

আরও ৩৪৯ উপজেলায় চালু হচ্ছে প্রাথমিকের ‘মিড ডে মিল’

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ‘মিড ডে মিল’ বা স্কুল ফিডিং কর্মসূচি দেশের আরও ৩৪৯টি উপজেলায় চালু করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। প্রকল্পটি বর্তমানে প্রক্রিয়াধীন। শিক্ষার্থীদের ঝরেপড়া রোধ, উপস্থিতি বাড়ানো এবং পুষ্টি নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই এ কর্মসূচির পরিধি বাড়ানো হচ্ছে বলে জানিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা অধিদপ্তর।

সোমবার (১৩ এপ্রিল) এ তথ্য জানান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ফিডিং কর্মসূচির প্রকল্প পরিচালক ও যুগ্মসচিব মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ।

মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ বলেন, গত বছর দেশের ১৫০টি উপজেলায় আমরা ফিডিং কর্মসূচি চালু করেছিলাম। নতুন করে ৩৪৯টি উপজেলায় প্রকল্পটি চালু করা হবে। এ পর্যায়ে দেশের সব মহানগর, জেলা শহর এবং গ্রামের স্কুলগুলো এ কর্মসূচির আওতায় নিয়ে আসা হবে। ইতোমধ্যে নতুন প্রকল্পের কাজ অনেকদূর এগিয়েছে।

গত বছরের ১৫ নভেম্বর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ঝরে পড়া রোধ, উপস্থিতি বাড়ানোসহ শিক্ষার্থীদের পুষ্টি নিশ্চিত করতে মিড ডে মিল চালু করে সরকার। দেশের নির্বাচিত ১৫০টি উপজেলার ১৯ হাজার ৪১৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৩১ লাখ ১৩ হাজার শিক্ষার্থীকে সপ্তাহে পাঁচ স্কুল কর্ম দিবসে ফর্টিফাইড বিস্কুট, কলা বা মৌসুমি ফল, বনরুটি, ডিম এবং ইউএইচটি দুধ তথা পুষ্টিকর খাবার প্রদান করার উদ্যোগ নেয় সরকার। তবে এসময় সারাদেশের বিভিন্ন স্থানে নষ্ট কিংবা অপরিপক্ব কলা, নষ্ট ডিম, ফাংগাস ধরা পাউরুটিসহ মানহীন খাবার পরিবেশনের অভিযোগ ওঠে।

প্রকল্প পরিচালক মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ বলেন, বিভিন্ন জায়গা থেকে আমাদের কাছে বেশকিছু অভিযোগ এসেছে। প্রকল্পটি যেহেতু নতুন তাই কিছুটা গরমিল হতে পারে। তবে অভিযোগ প্রাপ্তির পরই আমরা সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছি। তাদের চূড়ান্তভাবে সতর্ক করা হয়েছে। পাশাপাশি অভিযোগগুলো পর্যালোচনায় কমিটি করা হয়েছে।

এএএইচ/এমএএইচ/

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow