আরেকটি দেশকে হরমুজ প্রণালি ব্যবহারের অনুমতি দিল ইরান

ইরাকের জাহাজগুলোকে অবাধে হরমুজ প্রণালি দিয়ে যাতায়াতের অনুমতি দিয়েছে ইরান। ইরানের সামরিক কমান্ড খাতাম আল-আম্বিয়া সেন্ট্রাল হেডকোয়ার্টার শনিবার (৪ এপ্রিল) এক বিবৃতিতে জানায়, হরমুজ প্রণালির সকল নিষেধাজ্ঞা থেকে ইরাককে অব্যাহতি দেওয়া হবে। শুধু ‘শত্রু দেশগুলোর’ ওপরই আরোপ করা হবে নিয়ন্ত্রণ। বিবৃতিতে বলা হয়, ইরাকের জাতীয় সার্বভৌমত্বের প্রতি আমাদের গভীর শ্রদ্ধা রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের দখলদারত্বের ক্ষত বহনকারী একটি জাতি হিসেবে তাদের সংগ্রাম প্রশংসা ও শ্রদ্ধার যোগ্য। এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে হুশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, ইরানকে দ্রুত সমঝোতায় আসতে হবে। অন্যথায় ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ভয়াবহ পরিণতি নেমে আসবে। তবে ট্রাম্পের এই দাবি সরাসরি প্রত্যাখ্যান করে ইরান। এ ছাড়াও তার এই বক্তব্যকে ‘অসহায়, উদ্বিগ্ন, ভারসাম্যহীন ও বোকামিপূর্ণ’ বলে আখ্যা দিয়েছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে হরমুজ প্রণালি অবরোধ করে ইরান। এই প্রণালি দিয়ে সাধারণত বিশ্বের মোট তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ পরিবাহিত হয়। এই প্রণালিতে জাহাজ চলাচল কমে

আরেকটি দেশকে হরমুজ প্রণালি ব্যবহারের অনুমতি দিল ইরান
ইরাকের জাহাজগুলোকে অবাধে হরমুজ প্রণালি দিয়ে যাতায়াতের অনুমতি দিয়েছে ইরান। ইরানের সামরিক কমান্ড খাতাম আল-আম্বিয়া সেন্ট্রাল হেডকোয়ার্টার শনিবার (৪ এপ্রিল) এক বিবৃতিতে জানায়, হরমুজ প্রণালির সকল নিষেধাজ্ঞা থেকে ইরাককে অব্যাহতি দেওয়া হবে। শুধু ‘শত্রু দেশগুলোর’ ওপরই আরোপ করা হবে নিয়ন্ত্রণ। বিবৃতিতে বলা হয়, ইরাকের জাতীয় সার্বভৌমত্বের প্রতি আমাদের গভীর শ্রদ্ধা রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের দখলদারত্বের ক্ষত বহনকারী একটি জাতি হিসেবে তাদের সংগ্রাম প্রশংসা ও শ্রদ্ধার যোগ্য। এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে হুশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, ইরানকে দ্রুত সমঝোতায় আসতে হবে। অন্যথায় ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ভয়াবহ পরিণতি নেমে আসবে। তবে ট্রাম্পের এই দাবি সরাসরি প্রত্যাখ্যান করে ইরান। এ ছাড়াও তার এই বক্তব্যকে ‘অসহায়, উদ্বিগ্ন, ভারসাম্যহীন ও বোকামিপূর্ণ’ বলে আখ্যা দিয়েছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে হরমুজ প্রণালি অবরোধ করে ইরান। এই প্রণালি দিয়ে সাধারণত বিশ্বের মোট তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ পরিবাহিত হয়। এই প্রণালিতে জাহাজ চলাচল কমে যাওয়ায় বৈশ্বিক জ্বালানির বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। এর প্রভাবে ইতোমধ্যেই জ্বালানি সংকটে পড়েছে বিশ্বের অনেক দেশ।   এ সংঘাতের কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ইরাকের তেল খাত। দেশটির সরকারের আয়ের প্রধান উৎস তেল উৎপাদন উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। গত মাসে ইরাকের তেল মন্ত্রণালয় জানায়, উৎপাদন দৈনিক ৪৩ লাখ ব্যারেল থেকে কমে ১২ লাখ ব্যারেলে নেমে এসেছে। ২০২৩ সালে ইরাক ছিল বিশ্বের ষষ্ঠ বৃহত্তম তেল উৎপাদনকারী দেশ। বৈশ্বিক সরবরাহের প্রায় ৪ শতাংশ জোগান দিত দেশটি।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow